Sponsor



Slider

বিশ্ব

জাতীয়

রাজনীতি


খেলাধুলা

বিনোদন

ফিচার


যাবতীয় খবর

জিওগ্রাফিক্যাল

ফেসবুকে মুজিবনগর খবর

» » » মেহেরপুরের মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক শাহবাজ উদ্দিন আহমেদ নিজ্জু




-মুহম্মদ রবীউল আলম// শাহবাজ উদ্দিন আহমেদ নিজ্জু (১৯৪৬ সাল ২৩ জুলাই -২০০৬ সাল ২৪ মার্চ) মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর আদর্শের সংগ্রামী সৈনিক, মেহেরপুরের বিশিষ্ট মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক,আওয়ামী লীগ নেতা,আয়ুব বিরোধী আন্দোলনের নেতা ও ছাত্রলীগের সাবেক সাহসী যোদ্ধা ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধের সময়ে তার অবদানের কথা এ অঞ্চলের মানুষ শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করে। ১৯৬৭ সালে মেহেরপুর কলেজ ছাত্র-সংসদ নির্বাচনে তার নেতৃত্বে ছাত্রলীগের প্যানেল বিজয়ী লাভ করে। তিনি মেহেরপুরে আয়ুব বিরোধী ১১ দফা আন্দোলনে সর্বদলীয় সংগ্রা

ম পরিষদের সভাপতি ছিলেন। ১৯৭১ সালে তিনি মেহেরপুর মহকুমা সংগ্রাম কমিটির অন্যতম সদস্য ছিলেন। ১৯৭১ সালে মহকুমা প্রশাসকের কার্যালয়ে প্রতিরোধযুদ্ধ পরিচালনার জন্য কন্ট্রোল রুমে পর্যায়ক্রমে তিনি দায়িত্ব পালন করেন। কুষ্টিয়া প্রতিরোধ যুদ্ধে তিনি বিশেষ ভূমিকা রাখেন। যুদ্ধকালীন সময়ে তিনি বেতাই লালবাজার ক্যাম্পে জননেতা ছহিউদ্দিনের নেতৃত্বে মুক্তিযোদ্ধা নিয়োগ কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। দেশ স্বাধীনের পর তিনি মেহেরপুর জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ও ১৯৭৫ সালের পর আওয়ামীলীগের দুঃসময়ে বৃহত্তর কুষ্টিয়া জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম আহবায়ক ছিলেন। দেশদরদী এই নেতা দেশের মাটি ও সমাজ উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে গেছেন।
তিনি ১৯৪৬ সালের ২৩ জুলাই জন্ম গ্রহণ করেন। জন্ম দেশ বিভাগের সময় ভারতের পূর্ব মেদিনীপুরের কাঁথি মহকুমায়। মেহেরপুরের কাঁসারিপাড়ায় চলে আসেন ১৯৪৯ সালে। তার পিতার নাম সাখাওয়াৎ উদ্দিন। তিনি সড়ক ও জনপথ বিভাগের সাব এসিস্ট্যান্ট ইন্জিনিয়ার ছিলেন। তার তত্ত্বাবধানে মেহেরপুর- চুয়াডাঙ্গা সড়ক ও মেহেরপুর-কুষ্টিয়া সড়ক পুননির্মাণ ও সম্প্রসারণ করা হয়। তাই এলাকার লোকজনের কাছে তিনি রোড সরকার হিসেবে পরিচিত ছিলেন। শাহবাজ উদ্দিন আহমেদ (নিজ্জু) ১৯৬৯ সালে আয়ুব বিরোধী ১১ দফা আন্দোলনে সর্বদলীয় সংগ্রাম পরিষদের মেহেরপুর মহকুমা কমিটির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। অন্য সদস্যারা হলেন শাজাহান খান বিশু, এ কে আশকারী পটল,আ ক ম শহীদুল্লাহ, সিরাজুল ইসলাম, ওমরুল হুদা, নজরুল ইসলাম, আব্দুল মতিন, কাজী মোমিনুল হক বাচ্চু, মেহেদী বিল্লাহ ও আব্দুস সামাদ। পরবর্তীতে তিনি আয়ুব বিরোধী আন্দোলনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। তিনি ছাত্রলীগের বলিষ্ঠ নেতা ছিলেন। স্বাধীনতা যুদ্ধে মুক্তিযোদ্ধা বাহিনীর সাংগঠনিক দায়িত্ব পালন করেন। মেহেরপুর কলেজ প্রতিষ্ঠা হয় ১৯৬২ সালে। এই কলেজে তিনি লেখাপড়া করেন। ১৯৬৭ সালে মেহেরপুর কলেজ ছাত্র-সংসদ নির্বাচনে শাহাবাজউদ্দিন নিজ্জু ও আব্দুর রবের নেতৃত্বে ছাত্রলীগের প্যানেল বিজয়ী লাভ করে। পরবর্তীকালে মেহেরপুর মহকুমা ছাত্রলীগের নেতৃত্ব দেন। ১৯৭১ সালের মার্চ মাসে মহকুমা প্রশাসকের কার্যালয়ে প্রতিরোধযুদ্ধ পরিচালনার জন্য কন্ট্রোল রুম স্থাপন করা হয়। মহকুমা প্রশাসক যুদ্ধের সাংগাঠনিক কাজে ব্যস্ত থাকায় কন্ট্রোল রুমে পর্যায়ক্রমে দায়িত্ব পালন করতেন ইসমাইল হোসেন,শাহবাজ উদ্দিন আহমেদ (নিজ্জু),এ কে আশকারী পটল,খাদেমুল্ ইসলাম, মেহেদী বিল্লাহ প্রমুখ। ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ সকলে মেহেরপুরের মহকুমা প্রশাসক তৌফিক-ই-এলাহী চৌধুরী ভারতের কাছে সাহায্য চেয়ে দুটি পৃথক চিঠি পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেন। একটি ভারতের পৌঁছানোর দায়িত্ব পান আওয়ামী লীগ নেতা শাহবাজ উদ্দিন আহমেদ (নিজ্জু) ও আ কা ম ইদ্রিস। তারা দু‘জনে দারিয়াপুরের আলীজান মাস্টার ও ডা. শামসুল হুদার মাধ্যমে সেই চিঠি পৌঁছে দেন ভারতের নাটনা বিএসএফ ক্যাম্পে। এই চিঠি ছিল নদীয়ার জেলা প্রশাসকের কাছে লেখা।চিঠিতে লেখা ছিল, Indian Brethren help us. চিঠিটির একটি অনুলিপি মেহেরপুর সীমান্তের বিপরীতে অবস্থিত ৭৬ বিএসএফ-এর কমান্ডিং অফিসার লেফটেন্যান্ট কর্নেল চক্রবর্তীর কাছে পাঠানো হয়। নদীয়ার জেলা প্রশাসকের কাছে লেখা চিঠিটি দ্রুত রাজধানী দিল্লিতে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার কাছে পাঠানো হয়। ২৯শে মার্চ মেহেরপুরের সীমান্ত সংলগ্ন ভারতীয় সীমান্ত ফাঁড়ি বেতাই ক্যাম্পে নদীয়ার জেলা প্রশাসক ও বিএসএফ-এর অধিনায়ক কর্নেল চক্রবর্তীর সাথে মেহেরপুরের মহকুমা প্রশাসক তৌফিক-ই-ইলাহী চৌধুরীর বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এই বৈঠকে অন্যান্য বিষয়ের মধ্যে মেহেরপুর সীমান্ত দিয়ে সম্ভাব্য পাকিস্তানী আক্রমণের ফলে উদ্ভূত শরণার্থী প্রবাহ নির্বিঘ্ন ও সহজতর করার জন্য সীমান্ত উন্মুক্ত করে দেবার ব্যাপারে এবং ভারতীয় কর্তৃপক্ষের সাথে মেহেরপুরের প্রশাসনিক ও রাজনৈতিক কর্তৃপক্ষের দ্রুত ও নিশ্চিত যোগাযোগ স্থাপনের স্বার্থে মেহেরপুরের মহকুমা প্রশাসকের সীলমোহর ও স্বাক্ষরযুক্ত পরিচয় পত্রকে পাসপোর্ট হিসেবে গণ্য করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সেসময় মেহেরপুর জেলাখানা থেকে কিছু ডাকাতকে শর্তসাপেক্ষে মুক্তি দেয়া হয় এবং তাদেরকে বোমা বানানো কাজে লাগানো হয় । বিষয়টি দেখাশুনা করেন মেহেরপুর মহকুমা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ইসমাইল হোসেন, শাহবাজ উদ্দিন আহমেদ (নিজ্জু) ও নজরুল ইসলাম। এ সময়ে মেহেরপুরের বন্দুক মালিকদের সহযোগিতায় মুছাদ মিয়ার বাড়িতে গড়ে ওঠে বন্দুকবাহিনী। এই বাহিনী গঠনে ভূমিকা রাখেন শাহবাজ উদ্দিন আহমেদ (নিজ্জু), সিরাজুল ইসলাম পটল, প্রশান্ত ভট্টাচার্য মানু, আবুল হাশেম প্রমুখ্। বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণের পরপরই মোহাম্মদ ছহিউদ্দিনের সভাপতিত্বে মেহেরপুর মহকুমা আওয়ামী লীগের সভায় মেহেরপুর মহকুমা সংগ্রাম কমিটি গঠিত হয়। নির্বাচিত জাতীয় সংসদ সদস্য মোহাম্মদ ছহিউদ্দিনকে আহবায়ক করে ১৫ সদস্য বিশিষ্ট মহকুমা সংগ্রাম কমিটি গঠিত হয়। এই কমিটিতে অন্যতম সদস্য ছিলেন শাহবাজ উদ্দিন আহমেদ (নিজ্জু)। অন্য সদস্যরা হচ্ছেন মো: নূরুল হক (প্রাদেশিক পরিষদ সদস্য), মো: ইসমাঈল হোসেন, আব্দুল মান্নান মাস্টার, আ কম ম ইদ্রিস, ডা. আব্দুর রশিদ, খাদেমুল ইসলাম, ডা. মহিউদ্দিন, আব্দুর রহমান, মো: এনামুল হক ও নঈমউদ্দিন শেখ। মেহেরপুরের সেসময়ে বিভিন্ন গ্রামে ছড়িয়ে থাকা দু‘আড়াই শ আনসার মুজাহিদকে একত্রিত করা হয়। আনসার ব্যারাকে একত্রিত হলে এসডিও সাহেবের অনুমতিক্রমে এদের প্রত্যেকের হাতে একটা থ্রি নট থ্রি রাইফেল ও পাঁচ রাউন্ড গুলি দিয়ে সংক্ষিপ্ত ট্রেনিংয়ের ব্যবস্থা করা হয়। মেহেরপুরে শাহবাজ উদ্দিন আহমেদ (নিজ্জু) এবং মেহেদী বিল্লাহ, গাংনীতে আক্তারুজ্জামান অলড্রাম এবং নূরুল হুদা প্রয়োজনে যুদ্ধে যেতে আগ্রহী ছাত্র যুবকদের তালিকা প্রস্তুত করেন। সেসময়ে খলিশাকুন্ডি ব্রীজ ভাঙ্গার কাজে শাহবাজ উদ্দিন আহমেদ (নিজ্জু)সহ অন্যরা বিশেষ ভূমিকা রাখেন। কুষ্টিয়া প্রতিরোধ যুদ্ধে শাহবাজ উদ্দিন আহমেদ (নিজ্জু) গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। এই প্রতিরোধ যুদ্ধে মেহেরপুর অংশের প্রতিষ্ঠানিক কাঠামোটি ছিল মহকুমা শাসক তৌফিক-ই-ইলাহী চৌধুরীর নিয়ন্ত্রণে, তাকে সহায়তা করেন আওয়ামী লীগ নেতা সহিউদ্দিন, জালাল উদ্দিন, গোলাম রহমান, নুরুল হক, ইদ্রিস আলী; ছাত্র নেতা শাহবাজ উদ্দিন আহমেদ (নিজ্জু), সহিদুল ইসলাম, আব্দুর রশীদ, চাঁদ আলী, মহিউদ্দিন প্রমুখ। ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল মেহেরপুরের বৈদ্যনাথ তলার শপথ অনুষ্ঠানে শাহবাজ উদ্দিন আহমেদ (নিজ্জু) অতিথিদের আপ্যায়নের দায়িত্বে ছিলেন। তিনি ভারত থেকে পিকাপে ড্রাম ভর্তি করে মিষ্টি আনার দায়িত্বে ছিলেন। উপস্থিত ব্যক্তিদেরকে এই মিষ্টি খাওয়ানো হয়েছিল। যুদ্ধকালীন সময়ে তিনি ভারতের বেতাই লালবাজার ক্যাম্পে ব্যারিস্টার আমীর-উল ইসলাম ও জননেতা মোহাম্মদ ছহিউদ্দিনের নেতৃত্বে মুক্তিযোদ্ধা নিয়োগ কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টের পরে শেখ মনির বেঁচে যাওয়া দুই ছেলে বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ এর চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামস পরশ ও ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের মেয়র শেখ ফজলে নূর তাপস তৎকালীন সরকারি বাহিনীর হাত থেকে বাঁচার জন্য পালিয়ে বেড়াচ্ছিলেন। অবশেষে মেহেরপুরের সাবেক এমপি সহিউদ্দিন সাহেবের বাসায় তারা আশ্রয় নেন। তাদের ভারতে পালিয়ে যাওয়ার কাজে অগ্রণী ভূমিকা রাখেন শাহবাজ উদ্দিন আহমেদ (নিজ্জু),সিরাজুল ইসলাম পটল,শাজাহান খান বিশু,মামুন মাস্টার, মাহবুব সহ অন্যরা। তারা সাহসের সাথে গরুর গাড়িতে করে শেখ ফজলে শামস পরশ ও শেখ ফজলে নূর তাপসদের ভারতে পৌঁছে দেন। পরে বিষয়টা জানাজানি হলে শাহবাজ উদ্দিন আহমেদ (নিজ্জু)সহ অন্যদের থানায় নিয়ে শারীরিকভাবে নির্যাতন করা হয়। শাহবাজ উদ্দিন আহমেদ (নিজ্জু) ব্যক্তিগত জীবনে রাজনীতির পাশাপাশি ঠিকাদারি ব্যবসার সাথে জড়িত ছিলেন। দেশ স্বাধীনের পর তিনি ১৯৭২-৭৪ সালে মেহেরপুর মহকুমা আওয়ামীলীগের প্রচার সম্পাদক ছিলেন এবং ১৯৭৫ সালে আওয়ামীলীগের দুঃসময়ে তিনি মেহেরপুর মহকুমা আওয়ামীলীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। তিনি মেহেরপুর চেম্বার অফ কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রি –এর প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। ১৯৭৮ সালে তিনি মেহেরপুর রিক্সা মালিক সমিতির সভাপতি ছিলেন। তিনি মেহেরপুর বড় বাজার ব্যবসায়ী সমিতির অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন। তিনি মেহেরপুর মহিলা কলেজ ও মেহেরপুর পৌর কলেজ প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে ভূমিকা রাখেন। তিনি মেহেরপুরের আর্থসামাজিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। তার দুই ছেলে ও এক মেয়ে। মেয়ে সাবরিনা আহমেদ নিলা বর্তমানে স্বামীর সাথে লন্ডনে বসবাস করেন। তার স্বামী মন্জুরুল শহীদ সেখানকার ন্যাশনাল ব্যাংকের ম্যানেজার। বড় ছেলে রাশেদিন আহমেদ রাশেদ চাকরিজীবি। ছোট ছেলে সাফুয়ান আহমেদ রুপক মেহেরপুর জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি ও পরিবহন ব্যবসার সাথে জড়িত আছেন। তার সন্তানরা এখন কাঁসারিপাড়ায় বসবাস করছেন। আবদুল্লাহ আল আমিন তার এক লেখায় উল্লেখ করেছেন, আওয়ামী লীগ নেতা আ কা ম ইদ্রিস আলী, আব্দুল মান্নান মাস্টার, ইসমাইল হোসেন, শাহবাজ উদ্দিন আহমেদ (নিজ্জু),ডা. আবু আব্দুল্লাহ, ডা. মহিউদ্দিন আহমেদ, মফিজুর রহমান, প্রসেনজিৎ বোস বাবুয়া, আব্দুর রব, আতাউল হাকিম লালমিয়া মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক হিসেবে অনন্য ভূমিকা পালন করেন। ২০০৬ সালের ২৪ মার্চ শাহবাজ উদ্দিন আহমেদ (নিজ্জু) মেহেরপুর সদর হাসপাতালে ইন্তেকাল করেন। মেহেরপুর তথা দেশের মানুষ এই দেশদরদী এই নেতাকে চিরকাল স্মরণ করবে। আমরা দেশ ও সমাজ উন্নয়নে তার ভূমিকার কথা শ্রদ্ধার সাথে করি এবং তার আত্মার শান্তির জন্য মাগফেরাত কামনা করছি। তথ্য সূত্র ১.রফিকুর রশীদ-বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে মুজিবনগর ২.তোজাম্মেল আযম-মেহেরপুর জেলার ইতিহাস-ঐতিহ্য ৩.আলকামা সিদ্দিকী- মেহেরপুরের ইতিহাস ধষশধসধ.ড়ৎম ৪. শাহবাজ উদ্দিন আহমেদ (নিজ্জু)র ছেলে সাফুয়ান আহমেদ রুপকের সাক্ষাৎকার ৫. তারিক-উল ইসলাম-স্মরণে নাসিরউদ্দিন: একটি লাল গোলাপের গল্প মোহাম্মদ নাসিরউদ্দিন মীরু স্মারক গ্রন্থ ৬.মুহম্মদ রবীউল আলম সম্পাদিত সাপ্তাহিক পলাশী-২ সেপ্টেম্বর-২০০৫ ৭.আবদুল্লাহ আল আমিন - বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের এনসাইক্লোপিডিয়া: মেহেরপুর সদর উপজেলা






«
Next
Newer Post
»
Previous
Older Post

No comments:

Leave a Reply