Sponsor



Slider

বিশ্ব

জাতীয়

রাজনীতি


খেলাধুলা

বিনোদন

ফিচার


যাবতীয় খবর

জিওগ্রাফিক্যাল

ফেসবুকে মুজিবনগর খবর

» » » » পুতিনের সাহায্য চাইলেন শ্রীলঙ্কার প্রেসিডেন্ট




পুতিনের সাহায্য চাইলেন শ্রীলঙ্কার প্রেসিডেন্ট জ্বালানি আমদানির ক্ষেত্রে সহায়তার জন্য রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সহায়তা চেয়েছেন শ্রীলঙ্কার প্রেসিডেন্ট গোটাবায়া রাজাপাকসে। দ্বীপ দেশটি সাত দশকের মধ্যে সবচেয়ে খারাপ অর্থন

ৈতিক সংকটের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে। এই পরিস্থিতি দেশটিতে সরকার বিরোধী বিক্ষোভের সূচনা করে। রাজাপাকসে হ্যাস ট্যাগ দিয়ে এক টুইটে বলেছেন, রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সাথে টেলিফোনালাপ খুবই ফলপ্রসূ হয়েছে। রাশিয়ার সরকার অতীতে শ্রীলঙ্কার প্রতি যে সমর্থন দিয়েছে, তার জন্য পুতিনকে ধন্যবাদও জানিয়েছেন রাজাপাকসে। শ্রীলঙ্কা প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র আমদানি করতে সংগ্রাম করে যাচ্ছে, যার ফলে কোভিড-১৯ মহামারির কারণে ওষুধ, খাদ্য এবং জ্বালানির ঘাটতি দেখা দিয়েছে। বার্তা সংস্থা রয়টার্স ডাক্তারদের উদ্ধৃত করে বলেছে, দেশটির পুরো স্বাস্থ্য ব্যবস্থা এখনই ভেঙে পড়তে পারে। যুক্তরাষ্ট্রসহ অনেক পশ্চিমা দেশ রাশিয়ার ইউক্রেনে অভিযানের প্রতিক্রিয়ায় সেখান থেকে জ্বালানি আমদানি বন্ধ করে দিয়েছে। শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রী রনিল বিক্রমাসিংহে এর আগে বলেছিলেন, তার দেশও এটি অনুসরণ করবে এবং প্রথমে অন্যান্য উৎস সন্ধান করবে, তবে শেষ পর্যন্ত এটি সফল হয়নি। শ্রীলঙ্কা ইতোমধ্যেই রাশিয়া থেকে তেল ক্রয় করেছে এবং ইঙ্গিত দিয়েছে যে তারা আরও করতে ইচ্ছুক। শ্রীলঙ্কা আরও রাজস্ব আয়ের পথ হিসেবে পর্যটনের দিকে ঝুঁকছে। আরও দর্শনার্থীকে আকর্ষণ করার এবং ভারত থেকে আরও বেশি বৈদেশিক মুদ্রা আনার আশায় ভারতের পাঁচটি শহরে তারা রোড শো করবে। আরও পড়ুন: অভাগার দেশে পরিণত শ্রীলঙ্কা, এবার নতুন সংকট পর্যটনমন্ত্রী হারিন ফার্নান্দো সাংবাদিকদের বলেছেন, এই সংকট থেকে বেরিয়ে আসতে হলে শ্রীলঙ্কার অবশ্যই পর্যটন খাত থেকে রাজস্ব আদায় করতে হবে। এটা অপরিহার্য। ফার্নান্দো বলেন, তিনি আশা করছেন বছরের শেষ নাগাদ প্রায় ১০ লাখ পর্যটক শ্রীলঙ্কায় যাবেন। গত সপ্তাহে, আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল- আইএমএফের একটি প্রতিনিধি দল শ্রীলঙ্কায় ১০ দিনের সফর শেষ করেছে। কিন্তু দুই পক্ষ একটি বেলআউট প্যাকেজ নিয়ে কোনো চুক্তিতে পৌঁছাতে পারেনি। সফরের পর আইএমএফের জারি করা এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, শ্রীলঙ্কা বর্তমানে গুরুতর অর্থনৈতিক সংকটের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। ক্রমবর্ধমান উচ্চ মুদ্রাস্ফীতির ফলে ২০২২ সালে দেশটির অর্থনীতি উল্লেখযোগ্যভাবে সংকুচিত হবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। বৈদেশিক মুদ্রার মজুত এতটাই কম যে তাতে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য আমদানি বিঘ্নিত হচ্ছে। বিবৃতিতে অবশ্য আরও বলা হয়েছে, আমরা আইএমএফের নীতির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে এই কঠিন সময়ে শ্রীলঙ্কাকে সমর্থন করার জন্য আমাদের প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করছি।






«
Next
Newer Post
»
Previous
Older Post

No comments:

Leave a Reply