Sponsor



Slider

বিশ্ব

জাতীয়

রাজনীতি


খেলাধুলা

বিনোদন

ফিচার


যাবতীয় খবর

জিওগ্রাফিক্যাল

ফেসবুকে মুজিবনগর খবর

» » » » » চীনের কাছে কেমন আছে হংকং




চীনের কাছে কেমন আছে হংকং হংকং ব্যাপক স্বায়ত্তশাসন, ব্যক্তি অধিকার ও বিচারিক স্বাধীনতা ভোগ করবে। ২৫ বছর আগে ১৯৯৭ সালে হংকংকে এ প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল চীন। সে বছর যুক্তরাজ্যের কাছ থেকে ৫০ বছরের জন্য (২০৪৭ সাল পর্যন্ত) হংকংয়ের নিয়ন্ত্রণ পায় চীন। যুক্তরাজ্যের সঙ্গে চুক্তি অনুযায়ী, হংকংয়ে ‘এক দেশ, দুই নীতি’ বাস্তবায়ন করা হয়েছিল। ২৫ বছর পর চীনের দেয়া সেই প্রতিশ্রুতি কতটা উপভোগ ক

রতে পারল হংকং? বাকি ২৫ বছর চীন তার অঙ্গীকার কতটা বাস্তবায়ন করতে পারবে? এ নিয়ে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমগুলোতে আলোচনা-বিশ্লেষণ চলছে। চীনের হাতে পড়ার পর বড় রাজনৈতিক পরীক্ষায় পড়ে হংকং। অনেকের উদ্বেগ ছিল, কমিউনিস্ট চীনা শাসনের অধীনে পুঁজিবাদি ও ব্রিটিশ উপনিবেশ থেকে আলাদা হওয়া হংকং কীভাবে মানিয়ে চলবে। আবার কেউ কেউ আশা করেছিল, হংকংয়ের গণতন্ত্র রক্ষায় চীন অনেক বেশি উদার থাকবে। নিয়ন্ত্রণের ২৫ বছর পর এখন সমালোচকরা বলছেন, বেইজিং তার প্রতিশ্রুতি থেকে সরে এসেছে। এর কারণ হিসেবে হংকংয়ে নিরাপত্তা আইন চালু ও নির্বাচনী সংস্কারকে দায়ী করেছেন তারা। ২০১৪ সালে সর্বজনীন ভোটাধিকারের দাবিতে বিক্ষোভে ফেটে পড়ে হংকং। ‘আমব্রেলা মুভমেন্ট’ নামে ওই বিক্ষোভ টানা ৭৯ দিন চলে। তারপর থেকে মূলত বেইজিং হংকংয়ের ওপর অতিরিক্ত নিয়ন্ত্রণ আরোপের চেষ্টা করেছে। বেইজিংয়ের এই দৃঢ়তা হংকংয়ের তরুণ প্রজন্মের মধ্যে অসন্তোষ বাড়ে। ২০১৯ সালে হংকংয়ে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার জন্য ব্যাপক বিক্ষোভ শুরু হয়। ২০২০ সালে বিক্ষোভ দমাতে নিরাপত্তা আইন প্রণয়ন করে চীন। এ আইন কার্যকর হওয়ার পর হংকং অনেকটা শান্ত হয়ে যায়। হংকং থেকে পালিয়ে যান গণতন্ত্রপন্থী নেতা টেড হুই। তার অভিযোগ, হংকংয়ের বেশিরভাগ মানুষ মনে করেন, এক দেশ দুই নীতি বিলীন হয়ে গেছে। বিবিসির প্রতিবেদন অনুযায়ী, নিরাপত্তা আইনের কারণে হংকংয়ে অনেক রাজনৈতিক সংগঠন ভেঙে গেছে। শহরটির গণতন্ত্রপন্থি কর্মী ও রাজনীতিকদের জেলে বা নির্বাসনে পাঠানো হয়েছে। হাজার হাজার হংকংয়ের বাসিন্দা যুক্তরাজ্য, কানাডা ও অস্ট্রেলিয়ার মতো দেশে পাড়ি জমাচ্ছেন। ২০২১ সালের জানুয়ারি থেকে ২০২২ সালের মার্চ পর্যন্ত ব্রিটিশ নাগরিকত্বের জন্য প্রায় দেড় লাখ আবেদন জমা পড়েছে। আরও পড়ুন: চীনকে হাতে রাখলে যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষতি কী হংকংয়ের বেশ কয়েকটি সংবাদপত্র যেমন ‘অ্যাপল ডেইলি’ ও স্ট্যান্ড নিউজ বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। এশিয়ায় গণমাধ্যমের স্বাধীনতায় হংকংয়ের অবস্থান এ বছর ৭০ ধাপ পিছিয়ে ১৪৮তম অবস্থানে দাঁড়িয়েছে। গত ১ জুলাই চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং হংকং সফর করেন। এ বছর তার সফরকে ঘিরে হংকংয়ে কোনো বিক্ষোভ হয়নি। অথচ এ দিনে গত পাঁচ বছর আগে (২০১৭ সাল) তার হংকং সফরের সময় হাজার হাজার মানুষ বিক্ষোভ করেছিল।






«
Next
Newer Post
»
Previous
Older Post

No comments:

Leave a Reply