Sponsor



Slider

বিশ্ব

জাতীয়

রাজনীতি


খেলাধুলা

বিনোদন

ফিচার


যাবতীয় খবর

জিওগ্রাফিক্যাল

ফেসবুকে মুজিবনগর খবর

» » » » » নিরাপত্তা প্রধানকে বরখাস্ত করলেন জেলেনস্কি




ইউক্রেনের নিরাপত্তা বাহিনীর প্রধান ও প্রধান কৌঁসুলিকে বরখাস্ত করেছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি। রোববার (১৭ জুলাই) একাধিক নির্বাহী আদেশ জারি করে শীর্ষ ওই দুই কর্মকর্তাকে চাকরিচ্যুত করেন তিনি। ইউক্রেনে রাশিয়ার সামরিক অভিযান শুরুর পর দ্বিতীয়বারের মতো তিনি এমন ব্যবস্থা নিলেন। আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে বলা হয়, প্রভাবশালী নিরাপত্তা বাহিনী স্লুজবা বেসপেকি ইউক্রেনির (এসবিইউ) প্রধান ইভান বাকানভ ও প্রসিকিউটার জেনারেল তথা প্রধান কৌঁসুলি ইরিনা ভেনেডিক্টোভাকে চাকরিচ্যুত করেন জেলেনস্কি। শীর্ষ দুই কর্মকর্তার বরখাস্তের কারণ হিসেবে জেলেনস্কি জানিয়েছেন, তাদের প্রতিষ্ঠানের বহু সদস্যের বিরুদ্ধে রাশিয়ার সঙ্গে গোপন যোগসাজশের ঘটনা সামনে এসেছে। আরও পড়ুন : ইউক্রেনে হামলা জোরদারের নির্দেশ রাশিয়ার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম টেলিগ্রামের এক পোস্টে জেলেনস্কি বলেন, বিচার ও আইন প্রয়োগকারী কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে অন্তত ৬৫১টি গোপন ষড়যন্ত্র ও যোগসাজশের মামলা রুজু হয়েছে। এছাড়া বাকানভ ও ভেনেডিক্টোভার প্রতিষ্ঠানের আরও ৬০ কর্মকর্তা রাশিয়া অধিকৃত ভূখণ্ডে ইউক্রেনের বিরুদ্ধে কাজ করছে। এর আগে গত মে মাসে খারকিভের নিরাপত্তা বাহিনীর প্রধানকে বরখাস্ত করেছিলেন জেলেনস্কি। ওই বরখাস্তের কারণ হিসেবে তিন বলেন, যুদ্ধের প্রথম দিন থেকেই তিনি শহর রক্ষার জন্য কোনো কাজ করেননি। শুধু নিজেকে নিয়েই ব্যস্ত ছিলেন। প্রেসিডেন্ট ওই কর্মকর্তার নাম উল্লেখ না করলেও ইউক্রেনের স্থানীয় গণমাধ্যম জানায়, তার নাম রোমান দুদিন। তিনি খারকিভ অঞ্চলের এসবিইউ নিরাপত্তা বিভাগের প্রধান হিসেবে দায়িত্বরত ছিলেন। আরও পড়ুন : পশ্চিমা আধিপত্য শেষ হয়ে আসছে: সাবেক ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী গত ২৪ ফেব্রুয়ারি ইউক্রেনে সামরিক আগ্রাসন শুরু করে রাশিয়া। প্রথমদিকে দেশটির রাজধানী কিয়েভসহ বিভিন্ন শহরে গোলা ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা শুরু করে রুশ বাহিনী।তবে মাস দুয়েক পর কিয়েভ থেকে সেনা প্রত্যাহার করে পূর্ব-ইউক্রেনের দোনবাস অঞ্চলের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে মনোযোগ দেয় রুশ বাহিনী। দোনবাস অঞ্চলের বেশিরভাগ এলাকা ইতোমধ্যে দখল নিশ্চিত হয়ে গেছে। এখন নতুন নতুন এলাকা দখলে হামলা জোরদার করেছে পুতিন বাহিনী। এদিকে জাতিসংঘের তথ্যমতে, যুদ্ধের ফলে ইতোমধ্যে ইউক্রেন ছেড়ে অন্য দেশে আশ্রয় নিয়েছেন ৬০ লাখেরও বেশি মানুষ। আর অভ্যন্তরীণভাবে বাস্তুচ্যুত হয়েছেন ৮০ লাখের বেশি মানুষ।






«
Next
Newer Post
»
Previous
Older Post

No comments:

Leave a Reply