Sponsor



Slider

বিশ্ব

জাতীয়

রাজনীতি


খেলাধুলা

বিনোদন

ফিচার


যাবতীয় খবর

জিওগ্রাফিক্যাল

ফেসবুকে মুজিবনগর খবর

» » » জন্মদিন পালনের কথা বলে নারী চিকিৎসককে হোটেলে নেয় রেজাউল: র‍্যাব




রাজধানীর পান্থপথে আবাসিক হোটেলে নারী চিকিৎসক জান্নাতুল নাইম সিদ্দিকীকে গলা কেটে হত্যার ঘটনায় তার সঙ্গী রেজাউল করিম ওরফে রেজাকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব। বৃহস্পতিবার রাতে র‍্যাব- ২ এবং র‍্যাব-৭ এর যৌথ অভিযানে চট্টগ্রামের মুরাদপুর এলাকার একটি মেস থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। এসময় তার কাছ থেকে হত্যাকাণ্ডের সময় পরিহিত রক্তমাখা গেঞ্জি, মোবাইল, ব্যবহৃত ব্যাগ ও জান্নাতুলের ব্যবহৃত মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়। রেজাউল কক্সবাজারের মৃত নবী হোসাইনের ছেলে। রেজাউল ঢাকার একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বিবিএ ও এমবিএ সম্পন্ন করে। এমবিএ চলাকালে সে একই বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রশাসনিক কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করে। এরপর সে একটি বেসরকারি ব্যাংকেও কর্মরত ছিল। ২০২২ সালে জুনে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে সিনিয়র এক্সিকিউটিভ হিসেবে যোগদান করে রেজাউল। এ বিষয়ে বিস্তারিত জানাতে শুক্রবার রাজধানী ঢাকার কারওয়ান বাজারে র‍্যাবের মিডিয়া সেন্টারে সংবাদ সম্মেলনে আয়োজন করা হয়। সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, জান্নাতুল ও রেজার মধ্যে দীর্ঘদিনের প্রেমের সম্পর্ক ছিল। ২০২০ সালের অক্টোবরে পরিবারকে না জানিয়ে পালিয়ে কাজী অফিসে বিয়ে করেন তারা। পরবর্তীতে বিভিন্ন নারীর সাথে রেজার সম্পর্ক থাকার বিষয়টি জান্নাতুল জানতে পারেন। এ নিয়ে প্রায়ই তাদের মধ্যে বাগ-বিতণ্ডা হতো। এরই মধ্যে জন্মদিন পালন করার কথা বলে জান্নাতুলকে পান্থপথের ওই আবাসিক হোটেলে নিয়ে যান রেজা। সেখানে নিয়ে পূর্বপরিকল্পনা অনুযায়ী তাকে হত্যা করা হয় বলে জানিয়েছে র‍্যাব। রেজাউল করিম রেজা র‍্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক কমান্ডার খন্দকার আল মঈন বলেন, ঘটনার পর কলাবাগান থানায় নিহতের বাবা বাদী হয়ে একটি মামলা দায়ের করেন। র‍্যাব এ ঘটনার পর থেকে ছায়াতদন্ত শুরু করে এবং অপরাধীকে শনাক্ত করে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়েছে। হত্যাকাণ্ড ঘটিয়ে জান্নাতুলের মোবাইল ফোনটি নিয়ে যায় রেজাউল। সেই মোবাইল ফোনটিও উদ্ধার করা হয়েছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জান্নাতুলকে হত্যার কথা স্বীকার করেছে রেজাউল। রেজাউলের বরাত দিয়ে র‍্যাব জানায়, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ২০১৯ সালে তাদের সাথে পরিচয় হয়। পরিচয়ের সূত্র ধরে ২০২০ সালের অক্টোবরে তারা পালিয়ে কাজী অফিসে বিয়ে করে। পরিবারের অমতে তার সাথে ভালোবেসে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন। তবে বিভিন্ন নারীর সাথে রেজাউলের সম্পর্কের বিষয়ে জান্নাতুল জানতে পারেন। এ নিয়ে তার সাথে প্রতিনিয়ত কথা বাগ-বিতণ্ডা হতো। তারপরও তার সাথে সম্পর্ক রেখে গিয়েছিল জান্নাতুল।






«
Next
Newer Post
»
Previous
Older Post

No comments:

Leave a Reply