Sponsor



Slider

বিশ্ব

জাতীয়

রাজনীতি


খেলাধুলা

বিনোদন

ফিচার


যাবতীয় খবর

জিওগ্রাফিক্যাল

ফেসবুকে মুজিবনগর খবর

» » » » তীব্র খরায় ইউরোপে দেখা মিলছে প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন




তীব্র খরার কবলে পড়েছে ইউরোপের বিভিন্ন দেশ। শুকিয়ে যাচ্ছে নদ-নদী, হ্রদ। আর পানির স্তর কমে যাওয়ায় দেখা মিলছে প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন এবং ঐতিহাসিক সম্পদের। সেই দৃশ্য দেখে স্থানীয়দের কেউ হচ্ছেন বিস্মিত আবার কেউ অতীতের ভয়াবহ খরার স্মৃতি মনে করে হচ্ছেন আতঙ্কিত। খবর আল জাজিরা। স্পেনে বিভিন্ন অংশে খরা প্রকট আকার ধারণ করেছে। ‘স্প্যানিশ স্টোনহেঞ্জ’ নামের একটি চক্রাকার পাথর পানির ওপর ভেসে উঠেছে। বছরের প্রায় পুরোটা সময় পানির নিচে থাকলেও কয়েক দশকের মধ্যে সবচেয়ে মারাত্মক খরায় ভোগা স্পেনের নদী শুকিয়ে যাওয়ায় এখন দেখা মিলেছে এই প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শনের। পানির নিচ থেকে ভেসে ওঠা পাথর চক্রটি স্পেনের মধ্যাঞ্চলীয় প্রদেশ কাসেরেসের ভালদেকানাস রিজার্ভার নামের পানি সংরক্ষণাগারের এক কোনায় এখন পুরোপুরি দৃশ্যমান। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলছেন, ওই সংরক্ষণাগারে পানির স্তর ধারণক্ষমতার চেয়ে ২৮ শতাংশ কমে গেছে। তবে স্প্যানিশ স্টোনহেঞ্জ ভেসে ওঠায় উচ্ছ্বসিত প্রত্নতাত্ত্বিকরা। আরও পড়ুন: আকস্মিক বৃষ্টি ও শক্তিশালী ঝড়ে লন্ডভন্ড ইউরোপের মধ্য ও দক্ষিণাঞ্চল জার্মানিতেও খরা দেখা যাচ্ছে। খরায় জার্মানির রাইন নদী শুকিয়ে যাওয়ায় দৃশ্যমান হয়েছে 'হাঙ্গার স্টোনস' নামের পাথর চক্র। পাথরগুলোতে থাকা তারিখ ও নাম অতীতের খরাগুলোতে মানুষের দুর্দশার কথা মনে করিয়ে দিচ্ছে। যার কারণে এটিকে সতর্কবার্তা হিসেবে দেখছেন স্থানীয় অনেকেই। খরার কারণে জার্মানির দানিয়ুব নদীর পানির স্তর শত বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন অবস্থায় পৌঁছে যাওয়ায় সার্বিয়ার বন্দর নগরী প্রাহোভোতে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়ে ব্যবহৃত অন্তত ২০টি জাহাজের ধ্বংসাবশেষ ভেসে উঠেছে। ১৯৪৪ সালে তৎকালীন সোভিয়েত বাহিনীর তাড়া খেয়ে জার্মানির নৌবহরের শতাধিক জাহাজ ডুবে যায় দানিয়ুব নদীতে। পানির স্তর কমে যাওয়ায় সেগুলোই এখন দৃশ্যমান হচ্ছে। আরও পড়ুন: একে একে ভেসে উঠল ২০ যুদ্ধজাহাজ! এদিকে ইতালিতে খরায় বিভিন্ন নদীর পানি শুকিয়ে গেছে। ইতালির পো নদীর পানির স্তর কমে যাওয়ায় ভেসে উঠেছে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় ব্যবহৃত বোমা। স্থানীয়দের নিরাপত্তা নিশ্চিতে নদীতীরবর্তী এলাকায় জরুরি অবস্থা জারি করেছে দেশটির সরকার।






«
Next
Newer Post
»
Previous
Older Post

No comments:

Leave a Reply