Sponsor



Slider

বিশ্ব

জাতীয়

রাজনীতি


খেলাধুলা

বিনোদন

ফিচার


যাবতীয় খবর

জিওগ্রাফিক্যাল

ফেসবুকে মুজিবনগর খবর

» » » পশ্চিমাদের সঙ্গে সংঘাতের আশঙ্কা বেড়েছে: রাশিয়া




পশ্চিমাদের সঙ্গে সংঘাতের আশঙ্কা বেড়েছে: রাশিয়া পশ্চিমা দেশগুলোর সঙ্গে মস্কোর সংঘাতের আশঙ্কা বেড়ে গেছে বলে জানিয়েছেন রুশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইগোর কোনাশেঙ্কভ। তিনি মস্কোয় এক বিবৃতি প্রকাশ করে বলেন, পশ্চিমা দেশগুলোর সঙ্গে সংঘাত একটি বাস্তব সম্ভাবনায় পরিণত হওয়ার পর কালিনিনগ্রাদে মিগ-৩০ যুদ্ধবিমান ও শব্দের চেয়ে দ্রুতগতির ক্ষেপণাস্ত্র কিনজা মোতায়েন করা হয়েছে। রাশিয়ার এই মুখপাত্র বলেন, ইউক্রেন যুদ্ধ পাশ্চাত্যের সঙ্গে রাশিয়ার সংঘাতকে অনিবার্য করে তুলেছে। তবে আমেরিকা ও ন্যাটোর সঙ্গে সরাসরি যুদ্ধ রাশিয়ার স্বার্থ রক্ষা করবে না বলেও সতর্ক করে দেন তিনি। লিথুনিয়া ও পোল্যান্ড সীমান্তের নিকটবর্তী বাল্টিক সাগরের তীরে কালিনিনগ্রাদ অবস্থিত। মস্কো এ পর্যন্ত বহুবার হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছে, পূর্ব ইউরোপে মোতায়েন ন্যাটো জোটের ক্ষেপণাস্ত্রকে প্রতিহত করতে ওই শহরে ইস্কান্দার ক্ষেপণাস্ত্র মোতায়েন করা হবে। ইউক্রেনে রাশিয়ার সামরিক অভিযান অব্যাহত রয়েছে। চলতি বছরের ২৪ ফেব্রুয়ারি এ অভিযান শুরু করে রুশ বাহিনী। যুক্তরাষ্ট্রসহ পশ্চিমা বিশ্বের একের পর এক অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক নিষেধাজ্ঞার মুখেও যুদ্ধ থেকে পিছু হটছেন না রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। রাশিয়ার বিরুদ্ধে যুদ্ধে সরাসরি অংশ না নিলেও ইউক্রেনকে সব ধরনের সহযোগিতা দিয়ে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। তবে আগামীতে যে ওয়াশিংটন এই সংঘাতে সরাসরি যুক্ত হয়ে যেতে পারে, এমন শঙ্কাও উড়িয়ে দিচ্ছেন না বিশ্লেষকরা। চলতি সপ্তাহেই রাশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র ক

র্মকর্তা আলেকজান্ডার দারচিভ বলেন, ইউক্রেনের ওপর মার্কিন প্রভাব এমন মাত্রায় পৌঁছেছে যে সংঘাতে ক্রমবর্ধমানভাবে একটি সক্রিয় পক্ষ হয়ে উঠছে ওয়াশিংটন। ইউক্রেন সংকট নিয়ে এর আগে জর্জ ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটির আন্তর্জাতিক সম্পর্ক ও ইতিহাসের প্রফেসর জেমস হার্শবাগ বলেন, ‘এটা অনেকটা শীতলযুদ্ধের প্রতিধ্বনি। লড়াইটা বাহ্যিকভাবে রাশিয়া বনাম ইউক্রেন হলেও আদতে এটা যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে রাশিয়ার সেই পুরোনো আধিপত্যের লড়াইয়ের ধারাবাহিকতা।’ আরও পড়ুন: ইউরোপে ফের গ্যাস সরবরাহ বন্ধ করছে রাশিয়া এবার ইউক্রেন সংঘাত নিয়ে পশ্চিমকে আরও কঠোরভাবে সতর্ক করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রখ্যাত রাষ্ট্রবিজ্ঞানী ও শিকাগো বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক জন মেয়ারশাইমার। তিনি বলেছেন, ইউক্রেনে একটি ‘বিপর্যয়কর সংঘাতের’ ঝুঁকি অবমূল্যায়ন করা হয়েছে। তার মতে, যুক্তরাষ্ট্র সরাসরি এ সংঘাতে জড়িয়ে পড়তে পারে। যুক্তরাষ্ট্র কীভাবে ইউক্রেন যুদ্ধে জড়িয়ে পড়তে পারে? আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞ জন মেয়ারশাইমার তার ব্যাখ্যা দিয়েছেন গেল ১৭ আগস্ট ফরেন অ্যাফেয়ার্সে প্রকাশিত ‘প্লেইং উইথ ফায়ার ইন ইউক্রেন’ শিরোনামের এক নিবন্ধে। সেখানে তিনি লিখেছেন, ‘এ যুদ্ধে জয়ের জন্য যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়া দৃঢ়ভাবে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। সম্ভবত যেকোনো উপায়ে।’ জন মেয়ারশাইমারের যুক্তি, ‘যুক্তরাষ্ট্র যদি যুদ্ধজয়ে বেপরোয়া হয়ে ওঠে কিংবা পরাজয় থেকে ইউক্রেনকে রক্ষা করতে যায় তাহলে সরাসরি সংঘাতে জড়িয়ে পড়তে পারে।’ এছাড়া এ লড়াইয়ে পরমাণু অস্ত্র ব্যবহারের আশঙ্কাও দেখছেন জন মেয়ারশাইমার। তিনি সতর্ক করে বলেছেন, ‘রাশিয়া যদি দেখে এ যুদ্ধে তারা হেরে যাচ্ছে, তাহলে তারা পরমাণু অস্ত্র ব্যবহার করতে পারে। সেক্ষেত্রে মার্কিন বাহিনী যুদ্ধে জড়াতে বাধ্য হতে পারে।’






«
Next
Newer Post
»
Previous
Older Post

No comments:

Leave a Reply