Sponsor



Slider

বিশ্ব

জাতীয়

রাজনীতি


খেলাধুলা

বিনোদন

ফিচার


যাবতীয় খবর

জিওগ্রাফিক্যাল

ফেসবুকে মুজিবনগর খবর

» » » ভারতীয় ফুটবলে ডামাডোল, আচমকা সুপ্রিম কোর্টে বাইচুং!




দেশের প্রাক্তন ফুটবল অধিনায়ক ও স্পোর্টিং আইকন বাইচুং ভুটিয়া (Bhaichung Bhutia) আচমকাই সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হলেন। তিনি একটি পিটিশন দাখিল করেছেন। দেশের সর্বোচ্চ আদালত নিযুক্ত প্রশাসক কমিটিকে সরিয়ে দেওয়ার আর্জি জানিয়েছে কেন্দ্র। সেই আর্জি মানলে কিংবদন্তি ফুটবলারের এআইএফএফ-এর নির্বাচনে সভাপতি পদে মনোনয়ন বাতিল হতে পারে! এই শঙ্কায় আগাম সুপ্রিম কোর্টে বাইচুং। তাঁর আবেদন প্রশাসক কমিটির গঠন করা খসড়া সংবিধানকেই মান্যতা দেওয়া হোক।বাইচুং তাঁর আইনজীবী পূর্ণিমা কৃষ্ণ মারফত পিটিশন দাখিল করেছেন। সেই পিটিশনে বলা হয়েছে, 'আবেদনকারী দাখিল করেছেন যে, ফিফার স্থগিতাদেশ বা অন্য কোনও হুমকি জনিত কারণে এআইএফএফ-এর আভ্যন্তরীণ তথা ভারতীয় ফুটবলের স্বার্থেই অত্যন্ত প্রয়োজনীয় সংস্কারগুলি থেমে থাকতে পারে না। এই অবস্থায় বর্তমান সিস্টেমে ফিরে গেলে এআইএফএফ-এর শ্বাসরোধ হবে৷ এর ফলে আগামী ৪ বছর খেলার অপূরণীয় ক্ষতি হয়ে যাবে।' এই প্রসঙ্গে বাইচুং বলেন, 'দেখুন, আমি সাত বছরে ১০০-র ওপর ম্যাচে ভারতীয় দলের অধিনায়কত্ব করেছি। ফিফা-র নিয়মে আমাদের মতো প্লেয়ারদের প্রশাসনের অংশ হওয়ার কোনও সুযোগই থাকবে না। আমি শুধু নিজে সভাপতি হতে চাই বলেই এই পিটিশন কিন্তু দাখিল করিনি। ফিফা মাথায় বন্দুক ঠেকিয়ে সব মেনে নিতে বলছে। ফিফা দেশের সর্বোচ্চ আদালতকে ন্যূনতম সম্মানটুকু জানাতে পারে। যা তারা করছে না।' গত ১৬ অগস্ট ভোর ২:০৮ মিনিট নাগাদ ই-মেইল মারফত সর্ব ভারতীয় ফুটবল ফেডারেশনকে নির্বাসনে পাঠিয়েছে বিশ্ব ফুটবলের সর্বোচ্চ নিয়ামক সংস্থা। ফলে ভারতের মাটিতে অনূর্ধ্ব-১৭ মহিলা বিশ্বকাপ আয়োজিত না হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এমনকী এটিকে মোহনবাগানের এএফসি কাপে জারি রয়েছে এই নিষেধাজ্ঞা। একইসঙ্গে বিদেশি ফুটবলারদেরও সই করানোর যাবে না এই নির্বাসন না ওঠা পর্যন্ত।

ফিফা-র নির্বাসনের প্রধান কারণই হচ্ছে তৃতীয় পক্ষের হস্তক্ষেপ। এই তৃতীয় পক্ষই হচ্ছে প্রশাসক কমিটি ও সুপ্রিম কোর্ট। ফলে কেন্দ্রের আবেদন মেনে প্রশাসক কমিটিকে যদি সরিয়ে দেওয়া হলে তাদের তৈরি করা খসড়া সংবিধানেরও বাস্তবে কোনও গুরুত্বই থাকবে না। ঘটনাচক্রে ভারতের প্রাক্তন ফুটবলার হিসাবে সর্বভারতীয় ফুটবল ফেডারেশনের সভাপতি পদে মনোনয়ন জমা দিয়েছেন 'পাহাড়ি বিছে'। ফেডারেশনের বর্তমান নিয়ম মেনে সভাপতি পদে মনোনয়ন জমা দিতে হলে বাইচুংকে কোনও রাজ্য সংস্থার প্রতিনিধি হিসাবেই দিতে হত। কোনও প্রাক্তন ফুটবলার হিসাবে মনোনয়ন জমা দেওয়ার জায়গা নেই। খসড়া সংবিধান গ্রাহ্য না হলে বাইচুংয়ের মনোনয়ন বাতিল হয়ে যেতে পারে। তাই অগ্রিম বাইচুং দেশের শীর্ষ আদালতে ছুটে গিয়েছিলেন সুপ্রিম কোর্টের রায়ের আগের দিনই!






«
Next
Newer Post
»
Previous
Older Post

No comments:

Leave a Reply