Sponsor



Slider

বিশ্ব

জাতীয়

রাজনীতি


খেলাধুলা

বিনোদন

ফিচার


যাবতীয় খবর

জিওগ্রাফিক্যাল

ফেসবুকে মুজিবনগর খবর

» » » » অভিবাসী ইস্যুতে ইতালীয়দের যে নসিহত দিলেন পোপ




অভিবাসী ইস্যুতে ইতালীয়দের গুরুত্বপূর্ণ নসিহত দিলেন ক্যাথলিক খ্রিস্টানদের ধর্মীয় নেতা পোপ ফ্রান্সিস। তিনি বলেছেন, ইতালিতে অভিবাসীদের অবশ্যই স্বাগত জানাতে হবে। রোববার (২৫ সেপ্টেম্বর) ইতালিতে জাতীয় নির্বাচনের প্রাক্কালে অভিবাসনবিরোধী দলগুলোকে ভোট দেয়ার ব্যাপারে সতর্ক করে এ কথা বলেন তিনি। এদিন ইতালীয় গির্জার কংগ্রেসের সমাপ্তি ঘোষণা করতে দক্ষিণ ইতালি সফর করেন পোপ ফ্রান্সিস। সেখানে তিনি অভিবাসনসহ রাজনৈতিক দলগুলোর বিভিন্ন প্রচারণার মূল বিষয়গুলো উল্লেখ করে ভোটারদের প্রতি গুরুত্বপূর্ণ বার্তা দেন। পোপ ফ্রান্সিস বা আয়োজকদের কেউই জনসমাবেশের সামনে বক্তব্য রাখার সময় ভোটের কথা উল্লেখ করেননি। তবে এর আগে ইতালির বিশপেরা বিচার-বিবেচনা করে নির্বাচনে ভোট দেয়ার জন্য ইতালী নাগরিকদের প্রতি আহ্বান জানান। এ নির্বাচনের মাধ্যমে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর প্রথমবারের মতো ইতালিতে ডানপন্থী সরকার ক্ষমতায় আসতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। সমাবেশ শেষে ইতালীয়দের আরও সন্তান নেয়ার আহ্বান জানান পোপ ফ্রান্সিস। তিনি বলেন, ‘আমি ইতালির কাছে আরও সন্তান জন্ম দেয়ার আহ্বান জানাই।’ আরও পড়ুন: রাশিয়াকে ড্রোন দেয়ায় কিয়েভ থেকে ইরানি রাষ্ট্রদূত বহিষ্কার বিশ্বে সর্বনিম্ন জন্মহারের দেশগুলোর অন্যতম ইতালি। ফলে দেশটির জনসংখ্যা দ্রুতই কমে যাচ্ছে। দেশটিতে বর্তমান জনসংখ্যা ৬ কোটির মতো। এ নিয়ে প্রায় আক্ষেপ করেন পোপ ফ্রান্সিস। একই সঙ্গে বেশি বেশি সন্তান জন্ম দেয়ার আহ্বান জানিয়ে আসছেন তিনি। এবারের নির্বাচনে জনসংখ্যা বৃদ্ধির পক্ষে ‘ঈশ্বর, পরিবার ও স্বদেশ’ স্লোগান নিয়ে প্রচারণা চালিয়েছেন ডানপন্থী নেত্রী সাবেক প্রধানমন্ত্রী সিলভিও বারলুসকোনির ঘনিষ্ঠ নারী রাজনীতিক জর্জিয়া মেলোনি। তিনি দম্পতিদের সন্তান ধারণের জন্য বড় আকারের আর্থিক প্রণোদনার প্রস্তাব দিয়ে ইতালিতে জনসংখ্যা বৃদ্ধির আহ্বান জানিয়েছেন। অনেকটা মেলোনির সঙ্গে সুর মিলিয়ে পোপ ফ্রান্সিস এদিন এমন একটি ভবিষ্যতের আহ্বান জানান যেখানে ‘ঈশ্বরের পরিকল্পনা’ বাস্তবায়িত হবে, যেখানে অভিবাসী ও মানব পাচারের শিকার ব্যক্তিরা শান্তি ও মর্যাদার সাথে বসবাস করবে। আরও পড়ুন: ঘরে-বাইরে চাপের মুখে পুতিন, পাশে নেই মিত্ররাও! একই সঙ্গে ‘অন্তর্ভূক্তিমূলক ও ভ্রাতৃত্বপূর্ণ ভবিষ্যতের’ আশাবাদও প্রকাশ করেন তিনি। তিনি বলেন, ‘সেই লক্ষ্য অর্জনে অভিবাসীদের অবশ্যই স্বাগত জানাতে হবে, সঙ্গ দিতে হবে, সমর্থন করতে হবে ও সম্পৃক্ত করতে হবে।






«
Next
Newer Post
»
Previous
Older Post

No comments:

Leave a Reply