Sponsor



Slider

বিশ্ব

জাতীয়

রাজনীতি


খেলাধুলা

বিনোদন

ফিচার


যাবতীয় খবর

জিওগ্রাফিক্যাল

ফেসবুকে মুজিবনগর খবর

» » » » টাইগারদের সম্ভাব্য একাদশ দেওয়াটাই এখন মুশকিল




টাইগারদের সম্ভাব্য একাদশ দেওয়াটাই এখন মুশকিল

ছবি- সংগৃহীত বাংলাদেশের ক্রিকেট যেন সময়ের সঙ্গে সিনেমার স্ক্রিপ্ট হয়ে যাচ্ছে। পরতে পরতে টুইস্ট। এই যেমন এশিয়া কাপে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে বাংলাদেশের সম্ভাব্য একাদশ বলাটাই এখন সবচেয়ে বেশি মুশকিল হয়ে দাঁড়িয়েছে। অস্ট্রেলিয়ার মতো দেশ যেখানে ম্যাচ শুরুর ২৪ ঘণ্টা আগে একাদশ দেওয়ার রীতি চালু করেছে। সেখানে বাংলাদেশের সম্ভাব্য একাদশ ম্যাচ শুরুর আগে ছাড়া ধারণা করা সম্ভব নয়। বিষয়টি এমন নয় ইনজুরি বা অফফর্মের কারণে কে বা কারা সরবে আর কে-ইবা দলে ঢুকবে সে বিষয়ে কোনো ধারণা করা যায় না। বরং বাংলাদেশের বড় সমস্যা, ফরম্যাটটা যখন টি-টোয়েন্টি; ব্যাটসম্যান কিংবা বোলার সবাই তখন অফফর্মে ঢুকে যান। এরমধ্যে কে অফফর্মের জন্য বাদ যাবেন আর কে অফফর্ম থাকা সত্ত্বেও টিকে যাবেন, সে বিষয়ে ধারণা পাওয়াটা কঠিন। যদিও অফফর্ম থাকা সত্ত্বেও অভিজ্ঞতার মূল্য দেওয়ার রীতি বাংলাদেশেই সবচেয়ে বেশি দেখা যাবে। সে হিসেব টেনে আনলে এশিয়া কাপের মহাগুরুত্বপূর্ণ ম্যাচেও অভিজ্ঞতার ছড়াছড়ি দেখা যেতে পারে। এছাড়াও প্রতিভাবান এবং অটো চয়েজ ক্যাটাগরিতেও কিছু ক্রিকেটার নিজেদের জায়গা ধরে রাখতে সক্ষম হচ্ছেন। এছাড়া বাকি যাদের নেওয়া হয়, পরিকল্পনার চেয়েও মাঝে মাঝে মনে হয় পাড়ার ক্রিকেটের মতো একাদশ মেলাতে হবে বলেই তাদের সুযোগ মেলে। কিংবা আগের ম্যাচে একাদশে সুযোগ পাওয়া ক্রিকেটার বেঞ্চে থাকা ক্রিকেটারের চেয়েও খারাপ খেলে ফেলেছেন। সংগ্রাম করে, ভালো পারফরম্যান্স করে দলে আসার সুযোগ বাংলাদেশের ক্রিকেটাররা পাচ্ছেনই না। একই পজিশনের অন্য ক্রিকেটারের পারফরম্যান্স আর নেওয়া যায় না বলেই একাদশে অনেক সময় সুযোগ মিলে যায়। সবচেয়ে বড় বিষয়, এই সুযোগটা দেন কে? এই উত্তরে স্বাভাবিকভাবে প্রক্রিয়া মানলে কোচ, অধিনায়ক কিংবা টিম ম্যানেজারের নাম চলে আসা উচিত। কিন্তু বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে এই উত্তরটা কী, সেটা অনেকটা ওপেন সিক্রেট। যখন এশিয়া কাপে বাংলাদেশ দলের প্রধান কোচ কে? এমন প্রশ্নের উত্তরে বোর্ড সভাপতি থেকে জবাব মেলে, ‘আমাদের টিম ডিরেক্টর আছে। জালাল ভাই থাকছে। আমি থাকছি। আর কি?’ তখন আসলে অন্য গুরুতর সমস্যায় প্রশ্নের উত্তর খোঁজাটাই বোকামি। তবুও আরটিভি অনলাইনের পাঠকদের জন্য শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে বাংলাদেশের সম্ভাব্য একাদশ দেওয়ার চেষ্টা করাই যাক। বাংলাদেশের ওপেনিংয়ের দশা এতটাই ভয়ানক যে, তামিম ইকবাল সরে যাওয়ার পর ১১টি ভিন্ন জুটি খেলিয়েও থিতু করা যায়নি একটিও। আজ সেখানে ডজন পূর্ণ করার সম্ভাবনা শতভাগ। সেক্ষেত্রে নতুন জুটির প্রথম নাম মেহেদী হাসান মিরাজ কিংবা সাব্বির রহমান হওয়ার সম্ভাবনা বেশি। অন্য নামটি হয়ত নাঈম শেখই হতে পারে। ওই যে অভিজ্ঞতার একটা মূল্য আছে না! তিনে যথারীতি অধিনায়ক সাকিব আল হাসান। অন্ততপক্ষে এই নাম নিয়ে আপত্তির সুযোগ থাকবে না কারো। চারে? প্রতিপক্ষ যখন শ্রীলঙ্কা তখন মুশফিকুর রহিম চলেই আসেন। এই দলটির বিপক্ষে টি-টোয়েন্টিতে ৪২ গড়ে এবং ১৩০ এর বেশি স্ট্রাইক রেটে রান করেছেন মুশফিক। অবশ্য কীপার পজিশনেও মুশফিকের জায়গা নিয়ে প্রশ্ন তোলা যাচ্ছে না। পাঁচে অধারাবাহিক আফিফ হোসেন। ছয়ে আবারও মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের নাম চলে আসে। তবে সাব্বির যদি ওপেনিংয়ে জায়গা না পান তবে মাহমুদউল্লাহকে সরিয়ে সাব্বিরকেও আনতে পারে টিম ম্যানেজমেন্ট। সাতে মোসাদ্দেক হোসেন অন্ততপক্ষে আফগানিস্তান ম্যাচের পরে অটোচয়েজ। বোলারদের মধ্যে শেখ মাহেদী হোসেনের জায়গা নিশ্চিত। বাকি তিন পেসারের মধ্যে পরিবর্তন আসতে পারে কমপক্ষে দুটি। সেক্ষেত্রে সাইফউদ্দীনের বাদ পড়ার পাশাপাশি অটোচয়েজ মুস্তাফিজের ভাগ্যও প্রতারণা করতে পারে তাদের সঙ্গে। পেসার হিসেবে এবাদত হোসেন আসতে পারেন দলে। তাসকিন আহমেদও হয়তো টিকে যেতে পারেন কোনোরকমে। অন্য পজিশনে দেখা যেতে পারে বাঁহাতি স্পিনার নাসুম আহমেদকে। অবশ্য লঙ্কানদের বাঁহাতি ব্যাটসম্যান বিবেচনায় নিলে আগের ম্যাচে টাইগারদের দুই ওপেনারের বদলে সাব্বির এবং মিরাজ দুইজনেই ফিরতে পারেন একাদশে। শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে বাংলাদেশের সম্ভাব্য একাদশ: সাকিব আল হাসান (অধিনায়ক), মুশফিকুর রহিম (উইকেটরক্ষক), আফিফ হোসেন, মোসাদ্দেক হোসেন, শেখ মাহেদী হাসান, সাব্বির রহমান, এবাদত হোসেন, তাসকিন আহমেদ, মেহেদী হাসান মিরাজ, নাসুম আহমেদ, নাঈম শেখ।






«
Next
Newer Post
»
Previous
Older Post

No comments:

Leave a Reply