Sponsor



Slider

বিশ্ব

জাতীয়

রাজনীতি


খেলাধুলা

বিনোদন

ফিচার


যাবতীয় খবর

জিওগ্রাফিক্যাল

ফেসবুকে মুজিবনগর খবর

» » » » শ্রীলঙ্কাকে চ্যালেঞ্জিং টার্গেট বাংলাদেশের




শ্রীলঙ্কাকে চ্যালেঞ্জিং টার্গেট বাংলাদেশের বাংলাদেশের ইনিংসে সুর বেঁধে দিয়ে গিয়েছিলেন মেহেদী হাসান মিরাজ। সেই সুরে তাল মেলালেন আফিফ-মাহমুদউল্লাহ রিয়াদরা। এশিয়া কাপে বাঁচা-মরার ম্যাচে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে টস হেরে ব্যাট করতে নেমে বড় টার্গেটই দাঁড় করাল বাংলাদেশ। নির্ধারিত ২০ ওভারে ৭ উইকেটে টিম টাইগার্সের সংগ্রহ ১৮৩। জিততে হলে লঙ্কানদের করতে হবে ১৮৪ রান।

বৃহস্পতিবার (১ সেপ্টেম্বর) দুবাই আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে বাংলাদেশের ইনিংসের শুরুটাই হয় ৪ দিয়ে। মদুশাঙ্কার করা ওভারের প্রথম বলে ব্যাট ছোঁয়াতে না পারলেও সেটি মেহেদী হাসান মিরাজের পায়ে লেগে সীমানা দড়ি অতিক্রম করে। পরের দুটি বলেও কোনো রান তুলতে পারেননি মিরাজ। ষষ্ঠ বলে স্ট্রাইক পেয়েই ফাইন লেগে ৪ হাঁকান দীর্ঘদিন পর জাতীয় দলে সুযোগ পাওয়া সাব্বির রহমান। মহেশ থিকশানার পরের ওভারে টাইগাররা সংগ্রহ করে মাত্র ৩ রান। আরও পড়ুন: এক ম্যাচেই দুই মাইলফলক ছুঁলেন সাকিব দীর্ঘদিন পর জাতীয় দলে সুযোগ পেয়েছিলেন সাব্বির রহমান রুম্মন। তবে সুযোগটা প্রথম ম্যাচে কাজে লাগাতে পারলেন না তিনি। আসিথা ফার্নান্দোর বলে ৫ রান করে আউট হয়েছেন সাব্বির। আসিথার করা বলে ব্যাট ছুঁয়ে উইকেটরক্ষক কুশাল মেন্ডিসের হাতে ধরা পড়েন তিনি। মেহেদী হাসান মিরাজ আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে প্রথমবারের মতো ওপেন করতে নামেন। যদিও তাকে দেখে এমন কিছুই মনে হয়নি। ইনিংস শুরুর কয়েকটা বল বাদ দিলে যথেষ্ট আগ্রাসী ঢংয়েই ব্যাট করেছেন মিরাজ। মহেশ থিকশানার করা দ্বিতীয় ওভারের তৃতীয় বলে ছক্কা হাঁকান তিনি। ওই ওভারে সিঙ্গেলসহ বাংলাদেশ তুলে ১০ রান। ইনিংসের পঞ্চম ওভারে মেহেদী দুটি চারের পাশাপাশি একটি ছক্কাও হাঁকান, তাতে এক ওভারেই উঠে ১৮ রান। পাওয়ারপ্লে শেষে টাইগারদের সংগ্রহ দাঁড়ায় এক উইকেটে ৫৫ রান। টি-টোয়েন্টিতে প্রথমবারের মতো ইনিংস ওপেন করতে নেমে দারুণ প্রদর্শনী দেখান মেহেদী হাসান মিরাজ। ১৪৬.১৫ স্ট্রাইকরেটে তিনি খেলেন ৩৮ রানের এক ঝড়ো ইনিংস। এরপর ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গার বলে প্যাভিলিয়নে ফেরেন তিনি। ২৬ বলে মিরাজের ইনিংসটিতে ছিল সমান ২টি করে চার ও ছয়ের মার। আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে এটি তার সর্বোচ্চ রানের ইনিংস। মিরাজের পর ব্যক্তিগত ৪ রান করে আউট হন মুশফিকুর রহিম। ৩ উইকেট হারিয়ে অনেকটা মন্থর হয়ে পড়ে বাংলাদেশের ইনিংসের দৌড়। প্রথম ৬ ওভারে ৯.১৭ রেটে ৫৫ রান তুললেও পরের ৪ ওভারে মাত্র ৫ রেটে আসে ২০ রান। এর মধ্যে আবার সাকিব আল হাসানের উইকেটও হারায় বাংলাদেশ। ২২ বলে ২৪ রান করে সাকিব বিদায় নেন থিকশানার বলে বোল্ড হয়ে। আরও পড়ুন: বাংলাদেশ না শ্রীলঙ্কা, কোন দলের ওয়ার্ল্ড ক্লাস বোলার আছে? এক প্রান্তে আফিফ হোসেন রানের চাকা সচল রাখলেও মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ খেলছিলেন সেই পুরনো ঢংয়েই। তার একের পর এক ডট বলে ক্ষীণ হয়ে আসছিল বাংলাদেশের ইনিংস বড় হওয়ার সম্ভাবনা। কিন্তু দলীয় ১৫তম ওভারে হাত খুলে খেলেন রিয়াদ। ওই ওভারে একাই তোলেন ১৪ রান। আফিফ আউট হন ব্যক্তিগত ৩৯ রানে। ফেরার আগে রিয়াদের সঙ্গে তিনি গড়েন ৫৭ রানের জুটি। ২২ বলে ইনিংসে আছে ৪টি চার ও ২টি ছয়ের মার। আফিফের বিদায়ের পরপরই ফিরে যান রিয়াদ। এক সময় সাইলেন্ট কিলার হিসেবে ২২ বলে করেন ২৭ রান। মেহেদী হাসান ১ রান করেই সাজঘরে ফেরেন করুনারত্নের বলে। বাকিদের মধ্যে মোসাদ্দেক হোসেন ৯ বলে ২৪ ও তাসকিন আহমেদ ১১ রান করেন। শ্রীলঙ্কার হয়ে দুটি করে উইকেট পান ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গা ও চামিকা করুনারত্নে। একটি করে উইকেট পান দিলশান মদুশাঙ্কা, মহেশ থিকশানা ও আসিথা ফার্নান্দো।






«
Next
Newer Post
»
Previous
Older Post

No comments:

Leave a Reply