Sponsor



Slider

বিশ্ব

জাতীয়

রাজনীতি


খেলাধুলা

বিনোদন

ফিচার


যাবতীয় খবর

জিওগ্রাফিক্যাল

ফেসবুকে মুজিবনগর খবর

» » » » শুকিয়ে যাচ্ছে চীনের সবচেয়ে বড় হ্রদ, রেড অ্যালার্ট জারি




টানা তীব্র দাবদাহ ও খরায় জিয়াংশি প্রদেশে চীনের সবচেয়ে বড় হ্রদ পয়াং লেক শুকিয়ে যাচ্ছে। এরই মধ্যে হ্রদের বেশির ভাগ পানি শুকিয়ে গেছে। চারপাশে জেগে উঠেছে চর। এমন পরিস্থিতিতে জিয়াংশি প্রদেশে পানি সরবরাহের ক্ষেত্রে প্রথমবারের মতো ‘রেড অ্যালার্ট’ জারি করা হয়েছে। শুক্রবার (২৩ সেপ্টেম্বর) প্রাদেশিক সরকারের পক্ষ থেকে এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, সুপেয় পানির হ্রদ পয়াং লেকের পানির স্তর গত তিন মাসে ১৯.৪৩ মিটার থেকে ৭.১ মিটারে নেমে এসেছে। জিয়াংশি ওয়াটার মনিটরিং সেন্টার সতর্ক করে বলেছে, এভাবে খরা অব্যাহত থাকলে সামনের দিনগুলোতে পানির স্তর আরও কমে যেতে পারে। সে ক্ষেত্রে হুমকির মুখে পড়তে পারে ওই অঞ্চলের প্রাণীবৈচিত্র্য। পয়াং লেক চীনের সুপেয় পানির সবচেয়ে বড় উৎস। চীনের দীর্ঘতম নদী ইয়াংসিকিয়াং নদীর অববাহিকায় অবস্থিত হ্রদটি। সবুজ প্রান্তর, নানা প্রজাতির পাখির কোলাহল আর অপার প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের জন্য লেকটির খ্যাতি রয়েছে। কিন্তু চলতি বছর সেই দৃশ্যপট একেবারেই বদলে গেছে। আরও পড়ুন: জলবায়ু সংকট মোকাবিলায় ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান গুতেরেসের পয়াং লেকে পানি নেই বললেই চলে। চারপাশে চর জেগেছে, মাটি ফেটে চৌচির। জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সুপেয় পানির এ হ্রদও বিপর্যয়ের মুখে পড়েছে বলে সতর্ক করেছেন বিজ্ঞানীরা। বিশেষজ্ঞরা জানান, গত জুলাই থেকে এখন পর্যন্ত যে বৃষ্টিপাত হয়েছে, তা গত বছরের একই সময়ের চেয়ে ৬০ শতাংশ কম। ফলে তার ওপর তীব্র দাবদাহের কারণে জুলাই থেকে আগস্ট মাত্র ৪০ দিনেই ৭০ শতাংশ পানি উধাও হয়েছে লেক থেকে। এ অবস্থা শুধু পয়াং লেকের ক্ষেত্রেই নয়, বিশ্বের সবচেয়ে বড় সুপেয় পানির আধার তিব্বত মালভূমিতেও ঘটতে যাচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্রের পেন স্টেট ও টেক্সাস ইউনিভার্সিটি এবং চীনের সিংহুয়া ইউনিভার্সিটির এক দল বিজ্ঞানীর গবেষণা বলছে, সাম্প্রতিক দশকগুলোতে তিব্বত মালভূমির কোনো কোনো স্থানে পানি কমার পরিমাণ ১৫.১৮ গিগাটনে পৌঁছেছে (১ গিগাটনে ১০০ কোটি মেট্রিক টন)। আরও পড়ুন: জলবায়ু পরিবর্তনে কি মানুষের বিলুপ্তি ঘটতে পারে? একই সঙ্গে মধ্য এশিয়া ও আফগানিস্তানে পানি সরবরাহ করা আমু দরিয়া অববাহিকার পানি সরবরাহের ক্ষমতা ১১৯ শতাংশ এবং ভারত-পাকিস্তানের সিন্ধু অববাহিকার পানি সরবরাহ ক্ষমতা কমেছে ৭৯ শতাংশ। গবেষকরা জানান, তীব্র দাবদাহ একই গতিতে অব্যাহত থাকলে এই শতাব্দীর মধ্যভাগে তিব্বত মালভূমির সঞ্চিত জল থেকে ২৩০ গিগাটন পানি হারিয়ে যেতে পারে। বিপর্যয় ঘটতে পারে পুরো অঞ্চলে। একমাত্র শক্তিশালী জলবায়ু নীতিই পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে পারে বলে মত গবেষকদের।






«
Next
Newer Post
»
Previous
Older Post

No comments:

Leave a Reply