Sponsor



Slider

বিশ্ব

জাতীয়

রাজনীতি


খেলাধুলা

বিনোদন

ফিচার


যাবতীয় খবর

জিওগ্রাফিক্যাল

ফেসবুকে মুজিবনগর খবর

» » » আইএসকে অর্থায়নের কথা স্বীকার সিমেন্ট কোম্পানি লাফার্জের




জঙ্গিগোষ্ঠী আইএসকে আর্থিক সহায়তার অভিযোগ স্বীকার করেছে ফরাসি সিমেন্ট কোম্পানি লাফার্জ। মঙ্গলবার (১৮ অক্টোবর) যুক্তরাষ্ট্রের একটি আদালতে অভিযোগ স্বীকার করে কোম্পানিটি বলেছে, আইএসসহ আরও বেশ কয়েকটি গোষ্ঠীকে অর্থায়ন করেছিল তারা। খবর রয়টার্সের। আইএসকে অর্থায়নের কথা স্বীকার সিমেন্ট কোম্পানি লাফার্জের জঙ্গি সংগঠন আল-কায়েদার পাশাপাশি ইসলামিক স্টেট (আইএস) বর্তমান বিশ্বের সবচেয়ে দুর্ধর্ষ জঙ্গি সংগঠন। শুরুতে এর নাম ছিল ইসলামিক স্টেট ইন ইরাক অ্যান্ড লেভান্ট (আইএসআইএল)। ২০১৩ সালের এপ্রিলে এর প্রতিষ্ঠা হয়। পরে এর নাম পরিবর্তন করে রাখা হয় আইএস। ২০১৪ সালের জুনে ইরাক ও সিরিয়ার বিশাল এলাকা দখলে নিয়ে কথিত খিলাফতের ঘোষণা দেয় আইএস। সিরিয়ার রাকাকে রাজধানী ঘোষণা করে। পাশের ইরাকের মসুল শহরকে ঘোষণা করে দ্বিতীয় রাজধানী। এরপর প্রায় তিন বছর ধরে পুরো অঞ্চলে হত্যা, নিপীড়ন ও ধ্বংসযজ্ঞ চালায় তারা। যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়াসহ ৭৯টি দেশের পাশাপাশি সিরিয়ার সরকারি ও বিদ্রোহীসহ অন্যান্য গোষ্ঠীর বহুমুখী আক্রমণে আইএস পর্যুদস্ত হয়। ২০১৭ সালে ইরাক ও সিরিয়ায় আইএসের স্বঘোষিত ‘খিলাফত’-এর পতন ঘটে। তবে গোষ্ঠীটি আজও বিশ্বের বিভিন্ন দেশে সক্রিয় রয়েছে। রয়টার্সের প্রতিবেদনমতে, যুক্তরাষ্ট্রের আদালতে প্রথম কোনো কোম্পানি হিসেবে আইএসকে আর্থিক সহায়তার অভিযোগ স্বীকার করল লাফার্জ। এ ছাড়া মানবতাবিরোধী অপরাধে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে কোম্পানিটির বিরুদ্ধে প্যারিসে মামলা চলছে। অভিযোগ, ২০১১ সালে সিরিয়ায় সংঘাত শুরু হওয়ার পরও দেশটিতে একটি কারখানা চালু রেখেছিল লাফার্জ। তবে মানবতাবিরোধী অভিযোগ অস্বীকার করেছে কোম্পানিটি। ২০১৭ সালে লাফার্জের বিরুদ্ধের বিরুদ্ধে অভিযোগ তোলে ফ্রান্সের একাধিক অধিকার গোষ্ঠী। তারা জানায়, ২০১১ থেকে ২০১৫ সালের মধ্যে জঙ্গিগোষ্ঠী আইএসসহ সিরিয়ার বিভিন্ন সশস্ত্র গোষ্ঠীকে প্রায় ১ কোটি ২৮ লাখ ডলার অর্থসহায়তা দেয় ফরাসি কোম্পানিটি। এরপর কোম্পানিটির বিরুদ্ধে মামলা ঠুকে দেয় যুক্তরাষ্ট্র সরকার। মঙ্গলবার (১৮ অক্টোবর) ব্রুকলিন ফেডারেল কোর্টের শুনানিতে অংশ নেন লাফার্জের চেয়ারম্যান মাগালি অ্যান্ডারসন। এ সময় আদালতে আইএসকে অর্থায়নের বিষয়টি স্বীকার করে তিনি বলেন, ২০১৩ সালের আগস্ট মাস থেকে ২০১৪ সালের নভেম্বর পর্যন্ত কোম্পানির সাবেক নির্বাহীরা ‘জেনেশুনে এবং স্বেচ্ছায় সিরিয়ার বিভিন্ন সশস্ত্র গোষ্ঠীকে অর্থায়নের পরিকল্পনায় অংশগ্রহণ করতে সম্মত হয়।’ কোম্পানির পক্ষ নিয়ে লাফার্জ চেয়ারম্যান আরও বলেন, ‘এমন কর্মকাণ্ডের জন্য যারা দায়ী ছিলেন তাদের ২০১৭ সালের পরই কোম্পানি থেকে বের করে দেয়া হয়।’ তবে লাফার্জের অংশীদার হোলসিম আইএস অর্থায়ন সংশ্লিষ্টতা নাকচ করেছে। এক বিবৃতিতে তারা বলেছে, আইএসকে অর্থায়নের বিষয়ে কোনোভাবে তাদের সংশ্লিষ্টতা নেই। বিবৃতিমতে, হোলসিম কখনো সিরিয়ায় উৎপাদন কর্মকাণ্ডে কিংবা লাফার্জের কোনো কর্মকাণ্ডে জড়ি ছিল না।’ ২০১৫ সালে হোলসিম ও লাফার্জ একীভূত হয়। হোলসিম আরও বলেছে, আইএসকে অর্থায়নের বিষয়টি হোলসিমের পাশাপাশি নিরীক্ষকদের কাছেও গোপন করেছিল লাফার্জ নির্বাহী কর্মকর্তারা।






«
Next
Newer Post
»
Previous
Older Post

No comments:

Leave a Reply