Sponsor



Slider

বিশ্ব

জাতীয়

রাজনীতি


খেলাধুলা

বিনোদন

ফিচার


যাবতীয় খবর

জিওগ্রাফিক্যাল

ফেসবুকে মুজিবনগর খবর

» » » » » যুক্তরাষ্ট্র-ইউরোপকে ৩০ মিনিটে ধ্বংসের ক্ষমতা রাখে রাশিয়া




’ পরমাণু অস্ত্র দিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপকে ৩০ মিনিটেরও কম সময়ের মধ্যে ধ্বংসের ক্ষমতা রাখে রাশিয়া। একইভাবে রাশিয়াকেও ধ্বংসের ক্ষমতা রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের। এমন হুঁশিয়ারি দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের বৈদ্যুতিক গাড়ি নির্মাতা প্রতিষ্ঠান টেসলার প্রধান ও বিশ্বের অন্যতম শীর্ষ ধনী ব্যক্তি ইলন মাস্ক। ইউক্রেন–রাশিয়া সংঘাত নিয়ে একের পর এক মন্তব্য করে প্রায় প্রতিদিনই শিরোনাম হচ্ছেন মার্কিন এ ধনকুবের। সংঘাতের অবসানে একটি ‘শান্তি প্রস্তাব’ দিয়ে বিতর্কের মুখে পড়েছিলেন তিনি। এরপর তাইওয়ান ও চীনের মধ্যকার চলমান উত্তেজনা প্রশমনের উপায় বলে প্রশংসা কুড়িয়েছেন। এবার ইলন পরমাণু অস্ত্র ব্যবহারের ঝুঁকি নিয়ে রীতিমতো বিস্ফোরক মন্তব্য করলেন। পরমাণু যুদ্ধের আশঙ্কা ক্রমেই বাড়ছে বলে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘এ মুহূর্তে আমরা গত ৬০ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ ঝুঁকির মধ্যে রয়েছি।’ গত শনিবার (১৫ অক্টোবর) এক টুইটার বার্তায় তিনি দাবি করেন, ক্ষেপণাস্ত্রের মাধ্যমে পরমাণু বোমা হামলা চালিয়ে ৩০ মিনিটেই যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপকে ধ্বংস করার সক্ষমতা রয়েছে রাশিয়ার। আরও পড়ুন: রুশ হামলার আশঙ্কায় ন্যাটোর সামরিক মহড়া মূলত ওইদিন ইলন মাস্কের একজন অনুসারী তার অ্যাকাউন্টে রয়টার্সের একটি প্রতিবেদন উল্লেখ করেন। রয়টার্সের ওই প্রতিবেদনে সোমবার (১৭ অক্টোবর) থেকে বি–৫২ বোমারু বিমান নিয়ে ন্যাটোর পরমাণু অস্ত্রের মহড়া শুরুর কথা জানানো হয়। টুইটটি রিটুইট করে ইলন মাস্ক রাশিয়ার পরমাণু সক্ষমতা নিয়ে এ মন্তব্য করেন। টুইটারে ইলন বলেন, ‘রাশিয়া ৩০ মিনিটেরও কম সময়ে পারমাণবিক ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপকে সম্পূর্ণ ধ্বংস করে দেয়ার ক্ষমতা রাখে। ঠিক একইভাবে এই সক্ষমতা যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপেরও আছে। অবাক করার মতো বিষয় হচ্ছে, বেশির ভাগ মানুষই এটা জানেন না। অবশ্যই এসব অস্ত্রের ব্যবহার করাটা হবে পাগলামি।’ রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে পরোক্ষভাবে জড়িয়ে পড়েছে পশ্চিমা দেশগুলোও। কেন না ইউক্রেনকে সামরিক থেকে শুরু করে সব ধরনের সহায়তা দিয়ে আসছে যুক্তরাষ্ট্র ও মিত্র দেশগুলো। আরও পড়ুন: গ্রিসে বিবস্ত্র অবস্থায় উদ্ধার ৯২ অভিবাসনপ্রত্যাশী, ক্ষোভ জাতিসংঘের পশ্চিমা দেশগুলোর এ সহায়তার কারণে বাড়ছে সামরিক উত্তেজনা। পশ্চিমা দেশগুলোর আশঙ্কা, যে কোনো মুহূর্তে পরমাণু অস্ত্র ব্যবহার করতে পারেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। সেই অস্ত্র ইউক্রেনে নয়, লক্ষ্যবস্তু হতে পারে ইউরোপের কোনো দেশ। এমন আশঙ্কায় ইউরোপের উত্তর সাগরে ব্যাপক আকারে মহড়া শুরু করেছে পশ্চিমা সামরিক জোট ন্যাটো। 'স্টেডফাস্ট নুন' নামে এ অনুশীলনে পারমাণবিক হামলা ঠেকাতে সক্ষম এমন ৬০টি অত্যাধুনিক যুদ্ধবিমান অংশ নিয়েছে। যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের বোমারু বিমান বি-ফিফটি, ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রবিধ্বংসী জার্মানির যুদ্ধবিমান টর্নেডো পিএ-টু হান্ড্রেড ব্যবহার করা হয়েছে। নিরাপত্তা বিশ্লেষকরা বলছেন, পশ্চিমা জোটের এ মহড়া উত্তেজনা আরও বাড়াবে; যা তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধেও রূপ নিতে পারে। তবে ন্যাটো বলছে, রাশিয়ার হামলা ঠেকানোর আগাম প্রস্তুতি বরং নিয়মিত মহড়ার অংশ হিসেবে এ অনুশীলন






«
Next
Newer Post
»
Previous
Older Post

No comments:

Leave a Reply