Sponsor



Slider

বিশ্ব

জাতীয়

রাজনীতি


খেলাধুলা

বিনোদন

ফিচার


যাবতীয় খবর

জিওগ্রাফিক্যাল

ফেসবুকে মুজিবনগর খবর

» » » » মধ্যবর্তী নির্বাচনের ফল যুক্তরাষ্ট্রে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে মুসলিম ভোট




মধ্যবর্তী নির্বাচনের ফল

যুক্তরাষ্ট্রে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে মুসলিম ভোট মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সদ্য সমাপ্ত মধ্যবর্তী নির্বাচনে সিনেটে প্রথমবারের মতো নির্বাচন করে জয়ী হয়েছেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত নাবিলা ইসলাম। জর্জিয়া অঙ্গরাজ্যের সিনেটে নির্বাচিত তিনিই প্রথম মুসলিম নারী এবং দ্বিতীয় বাংলাদেশি সিনেটর। এই নির্বাচনের মাধ্যমে আমেরিকার মুসলিম সম্প্রদায় ঐতিহাসিক বিজয় অর্জন করেছে। ২৫টি রাজ্যের স্থানীয়, রাজ্য, ফেডারেল এবং বিচার বিভাগীয় পর্যায়ে অন্তত ৮৩ জন মুসলিম প্রার্থী জয়ী হয়েছেন। ২০২০ সালে মধ্যবর্তী নির্বাচনে ৭১ জন মুসলিম নির্বাচিত হয়েছিলেন। সেন্টার অন আমেরিকান-ইসলামিক রিলেশন্স (সিএআইআর) এবং জেটপ্যাক রির্সোস সেন্টার এ তথ্য জানিয়েছে। নির্বাচনে জয়ের পর এক প্রতিক্রিয়ায় নাবিলা বলেন, ‘নামের শেষে ইসলাম যুক্ত একজন নারীকে আমেরিকার লোকজন ভোট দেবে এটা অনেকের কাছে অকল্পনীয় ছিল। তবে ভোটাররা আমাকে ভোট দিয়ে বিজয়ী করেছে, এ জন্য আমি খুব খুশি।’ তিনি বলেন, ক্ষমতার কেন্দ্রে আমাদের প্রতিনিধিত্ব আছে এটা নিশ্চিত করতেই আমি প্রার্থী হয়েছিলাম। টেক্সাস, ইলিনয়, ক্যালিফোর্নিয়া, মিনেসোটা, মেইন, ওহাইও এবং পেনসিলভানিয়াতেও মুসলিম প্রার্থীরা জয়ী হয়েছেন। নবনির্বাচিত এই বিজয়ীরা সোমালিয়া, পাকিস্তান, আফগানিস্তান, ভারত, বাংলাদেশ এবং ফিলিস্তিনসহ বিভিন্ন দেশের বংশোদ্ভূত। ক্যালিফোর্নিয়া রাজ্যে সিনেটে নির্বাচিত প্রথম আফগান আমেরিকান আয়শা ওয়াহাব তার জয় পরবর্তী প্রজন্মের জন্য উৎসর্গ করেছেন। তিনি বলেন, আমাদের সম্প্রদায় বা যে দেশে বাস করি তার জন্য আমরা আর কী করতে পারি সেগুলো আমাদের দেখতে হবে।’ ওয়াহাব এর আগে সান ফ্রান্সিসকো বে এলাকায় হেওয়ার্ডের সিটি কাউন্সিলের দায়িত্ব পালন করেছেন। নির্বাচনী প্রচারের সময় বিভিন্ন সম্প্রদায়ের লোকদের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়নে কাজ করতে হয়েছে জানিয়ে তিনি আরও বলেন, ‘লোকজন আমার জীবন গল্পে নিজেদের মধ্যে দেখতে পায়। সেই কারণেই আমি মনে করি অনেক লোক আমাকে ভোট দিয়ে জয়ী করেছেন।’ সংখ্যায় খুব বেশি না হলেও যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচনে ফল নির্ধারণে বড় ভূমিকা পালন করে মুসলিম ভোট। দেশটিতে বর্তমান জনসংখ্যার মাত্র ১ দশমিক ৩ শতাংশ মুসলিম। তবে মিশিগান, ফ্লোরিডা, উইসকনসিন ও পেনসিলভানিয়ার মতো সুইং স্টেটে তাদের জনঘনত্ব একটি বড় বিষয় হয়ে দাঁড়ায়। এসব অঙ্গরাজ্যে মুসলিমদের ভোট একটি বড় প্রভাবক হয়ে ওঠে। উদাহরণস্বরূপ মুসলমান আমেরিকান সংগঠন এমগেজের সাংগঠনিক পরিচালক মোহাম্মদ গুলা বলেন, সদ্য মধ্যবর্তী নির্বাচনে পেনসিলভানিয়ায় ডেমোক্র্যাট নেতা জন ফেটারম্যানকে পরাজিত করেছেন রিপাবলিকান প্রার্থী তুরস্ক বংশোদ্ভূত মেহমেত ওজ। এই অঙ্গরাজ্যের আফ্রিকান আমেরিকান মুসলমান ওজের জয়ে ভূমিকা রেখেছেন। তিনি বলেন, যেখানে মুসলিম সম্প্রদায়ের একটি বিশাল অংশ বসবাস করছে, সেখানে ভোটের লড়াইয়ে জয়-পরাজয়ে একটা ভূমিকা থাকে। গুলা বলেন, ফেডারেল ট্রেড কমিশনের চেয়ার লিনা খানসহ বাইডেন প্রশাসনে ৭০ জনেরও বেশি মুসলমান কাজ করছেন। তাদের মধ্যে জাতীয় অর্থনৈতিক কাউন্সিলের উপপরিচালক সমীরা ফজিলি, হোয়াইট হাউসের আইন বিষয়ক অফিসের উপপরিচালক রীমা ডোডিন এবং যুক্তরাষ্ট্রের আন্তর্জাতিক ধর্মীয় স্বাধীনতা দূত রাশাদ হুসেন। তিনি বলেন, ভবিষ্যতে মুসলমানদের রাজনৈতিক কার্যক্রম আরও বাড়বে। মুসলমানরা আমেরিকান সামাজিক কাঠামোর অংশ হয়ে দেশটির ভবিষ্যত গড়ার অংশীদার হতে চায়।






«
Next
Newer Post
»
Previous
Older Post

No comments:

Leave a Reply