Sponsor



Slider

বিশ্ব

জাতীয়

রাজনীতি


খেলাধুলা

বিনোদন

ফিচার


যাবতীয় খবর

জিওগ্রাফিক্যাল

ফেসবুকে মুজিবনগর খবর

» » » » » সফল হতে যা করেছিলেন আইনস্টাইন




নোবেল পুরস্কার বিজয়ী পদার্থবিজ্ঞানী আলবার্ট আইনস্টাইন। তিনি এতটাই স্মার্ট ছিলেন আর তার ব্রেইন নিয়ে বিজ্ঞানীরা এতটাই বিস্মিত ছিলেন যে মৃত্যুর পর তার ব্রেইন ‍চুরি করা হয়। তার আপেক্ষিকতা তত্ত্ব এবং বিশ্বের সবচেয়ে বিখ্যাত সমীকরণ ‘E=MC square’র জন্য তিনি বিখ্যাত, যা প্রতি বছর লাখ লাখ শিক্ষার্থী শেখে। ‘থিওরি অব রিলেটিভিটি’ নিয়ে তিনি কাজ করেছেন বছরের পর বছর। তবে তিনি যে কেবল এই আপেক্ষিকতা তত্ত্ব এবং সূত্রের জন্যই পরিচিত এমনটা নয় বরং আইনস্টাইন শিখিয়েছেন কীভাবে কঠোর পরিশ্রম এবং দৃঢ় সংকল্প জীবনে অসম্ভবকে অর্জন করতে সাহায্য করে। তবে তার সফল হওয়ার পেছনেও বহু বাধা ছিল। এই বাধা ডিঙিয়ে তিনি সফল হয়েছেন। সফল হতে জীবনে বেশ কিছু নীতি অনুসরণ করেছেন তিনি। আইনস্টাইনের জন্ম এমন সময় যখন বৈদ্যুতিক বাল্ব আবিষ্কার করা হলো। ৪ বছর বয়স পর্যন্ত আইনস্টাইন কথা বলতে পারতেন না। ডাক্তার জানিয়ে দেন, তার মস্তিষ্ক স্বাভাবিক মস্তিষ্কের চেয়ে অনেক বড়। মা-বাবার ভয় ছিল ছেলে হয়তো জড়বুদ্ধিসম্পন্ন হবে। এ জন্য অবশ্য কটু কথাও শুনতে হয়েছিল তাকে। স্কুল জীবনে তার তেমন কোনো প্রতিভার প্রতিফলনও দেখা যায়নি। বাকি বিষয়গুলোতে কাঁচা শুধু গণিত এবং বিজ্ঞানেই তিনি শীর্ষ ছাত্র ছিলেন। স্কুলে পড়াকালীন তার বাবা একদিন তাকে একটি কম্পাস দিয়েছিলেন যেটি তার বিজ্ঞানের প্রতি আগ্রহের জন্ম দেয়। তার মনে কৌতূহল জন্মায় আসলে এই মহাবিশ্ব কীভাবে কাজ করে। তবে তার মেধা থাকা সত্ত্বেও তিনি স্নাতকের পরে একটি একাডেমিক চাকরি নিশ্চিত করতে পারেননি। আরও পড়ুন: তাক লাগানো সম্পত্তির মালিক ঝাং ইয়েমিং তিনি ১৯০৩ সালে জার্মানির বার্নে ফেডারেল অফিস ফর ইন্টেলেকচুয়াল প্রপার্টি পেটেন্ট অফিসে ক্লার্ক হিসেবে কাজ করেন। এর দুই বছর অনেক রিসার্চের পর আইনস্টাইন জার্নাল অ্যানালস অব ফিজিক্সে চারটি বৈজ্ঞানিক গবেষণাপত্র প্রকাশ করেন। আইনস্টাইনের আপেক্ষিকতার তত্ত্বগুলো সময়, স্থান, পদার্থ, শক্তি এবং মধ্যাকর্ষণকে নতুন ভাবে পরিচয় করিয়েছিল ‍পুরো বিশ্বের কাছে। তার কাজ পারমাণবিক শক্তি নিয়ন্ত্রণ, মহাকাশ অনুসন্ধান এবং আলোর প্রয়োগসহ গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতির দিকে নিয়ে গেছে। ১৯২১ সালে পদার্থবিজ্ঞানে অবদানের জন্য তাকে নোবেল পুরস্কার দেয়া হয়। জীবনের ২০ বছর বিজ্ঞান সাধনায় কাটিয়েছেন। তবে মানবতার কল্যাণে সংগ্রাম করেছেন ৪০ বছর। আরও পড়ুন: সিনেমাপ্রেমীদের মিলনমেলা হয়ে উঠেছে ফ্যাব ফেস্ট আইনস্টাইন তার জীবনের অর্জন থেকে শিখেছেন এবং সবাইকে শিখিয়েছেন। তিনি বলেছেন ‘যদি একটি ৬ বছরের শিশুকে বোঝাতে পারা যায় তাহলে সত্যিই আপনি একজন মাস্টার।’ সাফল্যের জন্য প্রয়োজন অনুশীলন এবং অনুসরণ। প্রতিটি বিষয় সম্পর্কে প্রশ্ন করতে এবং কারণ অনুসন্ধান করতে হবে। তিনি মনে করেন কৌতূহল কল্পনার দরজা খুলে দেয় এবং কল্পনা আবিষ্কারের দিকে নিয়ে যায়। আইনস্টাইন একবার বলেছিলেন, ‘এমনটা নয়, আমি সমস্যাগুলো নিয়ে বেশিক্ষণ থাকি। সবকিছু একইভাবে চিন্তা করাও যুক্তিযুক্ত নয়। সমস্যা সমাধানে আমি কঠিন সময়ের মধ্যে থাকতে পছন্দ করি। আমি সহজে ব্যর্থতার কাছে নতি স্বীকার করি না। তাই অধ্যবসায় দেখান এবং সাফল্য আপনাকে বেশি দিন এড়াতে পারবে না। কর্মের ফলাফল সম্পর্কে চিন্তা না করে সঠিক পথে চলতে থাকুন সাফল্য কাছে আসবেই।’ আরও পড়ুন: স্বর্ণের উৎপত্তি কোথায়? আইনস্টাইনের মতে, ভুল করাটা অন্যায় না। বরং ভুল থেকে শিক্ষা নিতে হবে, এগিয়ে যেতে হবে। আর একই কাজ বারবার পুনারবৃত্তি করলে জীবন কখনোই মূল্যবান হয়ে ওঠে না। বরং প্রতিটি কাজকেই উন্নত করার চেষ্টা করা উচিত। একই কাজ বারবার করে ভিন্ন ভিন্ন ফল আশা করাও মূল্যহীন বটে। বিশেষজ্ঞ হতে হলে সেই বিষয় সম্পর্কে সবকিছু জানতে হবে। আইনস্টাইন তার জীবনে যেই দিকগুলোকে অনুসরণ করেছেন সেগুলো কেবল বিজ্ঞানীদের জন্যই প্রযোজ্য নয়, বরং প্রজন্মের পর প্রজন্মের জন্যও শিক্ষণীয়। সূত্র: ব্রিটানিকা






«
Next
Newer Post
»
Previous
Older Post

No comments:

Leave a Reply