Sponsor



Slider

বিশ্ব

জাতীয়

রাজনীতি


খেলাধুলা

বিনোদন

ফিচার


যাবতীয় খবর

জিওগ্রাফিক্যাল

ফেসবুকে মুজিবনগর খবর

» » » » » দুই লাখের নিচে বক্তৃতা দেন না বরিস




বক্তৃতা দিয়েই লাখ লাখ ডলার আয় করছেন যুক্তরাজ্যের সাবেক প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন। কোনো অনুষ্ঠানে দুই লাখ ডলারের নিচে কোনো বক্তৃতা দেন না তিনি। প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব ছাড়ার পর গত কয়েক মাসে চারটি বক্তব্য থেকেই ১০ লাখ পাউন্ডের বেশি আয় করেছেন এ রাজনীতিক। খবর দ্য গার্ডিয়ানের। চলতি বছরের জুলাই মাসে পদ হারালেও বরিস এখনও ব্রিটিশ পার্লামেন্টের একজন এমপি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। পাশাপাশি দেশে-বিদেশে বক্তৃতা করে বেড়াচ্ছেন। ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করায় বিশ্বের বিভিন্ন দেশে এখন বক্তব্য দেয়ার আমন্ত্রণ পাচ্ছেন তিনি। এএফপির এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রধানমন্ত্রিত্ব হারানোর পরের তিন মাসে বিভিন্ন অনুষ্ঠানে শুধুমাত্র বক্তব্য দিয়ে ১২ লাখ ডলার সম্মানি পেয়েছেন বরিস। বাংলাদেশি মুদ্রার তুলনায় যা ১২ কোটি টাকারও বেশি। যুক্তরাজ্যের সংসদের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত ‘সাংসদদের অর্থনৈতিক কার্যক্রমের বিবরণীর’ বরাতে এ তথ্য জানিয়েছে তারা। আরও পড়ুন: ইতিহাসের সবচেয়ে বড় ধর্মঘটে ব্রিটেনের নার্সরা প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, বক্তৃতায় পটু জনসন গত কয়েক মাসে নিউইয়র্কের ব্যাংকারদের উদ্দেশে, যুক্তরাষ্ট্রের ইনস্যুরেন্স কোম্পানির অনুষ্ঠানে, পর্তুগালে মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএনের আয়োজিত একটি কনফারেন্সে এবং ভারতে একটি অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিয়েছেন। সংসদের ওয়েবসাইটে দেয়া তথ্য অনুযায়ী, প্রতিবার বক্তব্য দেয়ার জন্য ২ লাখ ৬৭ হাজার ডলার থেকে ৩ লাখ ৪৪ হাজার ডলার পর্যন্ত সম্মানি পেয়েছেন তিনি। বরিসের এ আর্থিক বিবরণী হাউস অব কমন্সের সর্বশেষ ইন্টারেস্ট রেজিস্টারে প্রকাশ করা হয়েছে। বরিসের এ বক্তৃতাগুলোর মধ্যে রয়েছে নিউইয়র্কের সেন্টারভিউ বিনিয়োগ ব্যাংকারদের কাছ থেকে ২ লাখ ৭৭ হাজার ৭২৩ পাউন্ড, ভারতের দ্য হিন্দুস্তান টাইমস থেকে ২ লাখ ৬১ হাজার ৬৫২ পাউন্ড ও লিসবনের টেলিভিসাও ইন্ডিপেন্ডেন্ট থেকে ২ লাখ ১৫ হাজার ২৭৫ পাউন্ড। এছাড়া সেপ্টেম্বর মাসে মার্কিন ইন্স্যুরেন্স দালালদের কাছ থেকে ২ লাখ ৭৬ হাজার পাউন্ড গ্রহণ করেছেন তিনি। আরও পড়ুন: যুক্তরাজ্য উপকূলে নৌকা ডুবে ৪ জনের মৃত্যু ২০২০ সালে কঠোর করোনা লকডাউনের মধ্যে পার্টি করাসহ বিভিন্ন বিতর্কিত কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়েছিলেন ৫৮ বছর বয়সী বরিস জনসন। এসব বিষয় সামনে আসার পর নিজ দলের সদস্যরাই তার ওপর বিরক্ত হন। তারা তার পদত্যাগের দাবি জানাতে থাকেন। এক সময় তার মন্ত্রিসভার সদস্যসহ অন্যান্য কর্মকর্তারা গণহারে পদত্যাগ শুরু করেন। এর জেরে চলতি বছরের জুলাইয়ে প্রধানমন্ত্রিত্ব ছাড়তে বাধ্য হন তিনি। প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করলেও এখনো ক্ষমতাসীন কনজারভেটিভ পার্টির একজন সাধারণ সংসদ সদস্যের দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন বরিস






«
Next
Newer Post
»
Previous
Older Post

No comments:

Leave a Reply