Sponsor



Slider

বিশ্ব

জাতীয়

রাজনীতি


খেলাধুলা

বিনোদন

ফিচার


যাবতীয় খবর

জিওগ্রাফিক্যাল

ফেসবুকে মুজিবনগর খবর

» » » » মার্কিন অর্থায়নে করোনাভাইরাস তৈরি করে চীন!




প্রাণঘাতী করোনা ‘মানুষের তৈরি ভাইরাস’ বলে জানিয়েছেন চীনের উহানের ল্যাবরেটরিতে কাজ করা যুক্তরাষ্ট্রের একজন বিজ্ঞানী। একই সঙ্গে তিনি দাবি করেন, এ ভাইরাস তৈরিতে চীনকে অর্থসহায়তা দিয়েছে মার্কিন সরকার। যুক্তরাজ্যভিত্তিক ট্যাবলয়েড ‘দ্য সানে’ মার্কিন গবেষক অ্যান্ড্রু হাফের বিবৃতি উদ্ধৃত করে ‘নিউইয়র্ক পোস্ট’ জানিয়েছে, দু’বছর আগে চীন সরকার পরিচালিত উহানের ইনস্টিটিউট অব ভাইরোলজি (ডব্লিউআইভি) থেকেই কোভিড ভাইরাসের উৎপত্তি হয়েছিল। ‘দ্য ট্রুথ অ্যাবাউট উহান’ বইয়ে অ্যান্ড্রু হাফ দাবি করেন, মার্কিন সরকার করোনাভাইরাস তৈরি করতে চীনকে আর্থিক অনুদানও দিয়েছিল। হাফের বইয়ের কিছু অংশ দ্য সানে প্রকাশিত হয়েছে। নিউইয়র্ক পোস্টের প্রতিবেদনে বলা হয়, সংক্রামক ব্যাধি নিয়ে কাজ করছে ইকো হেলথ অ্য়ালায়েন্স নামে একটি নন-প্রফিট অর্গানাইজেশন। তারই ভাইস প্রেসিডেন্ট অ্যান্ড্রু হাফ। আরও পড়ুন: করোনা আক্রান্ত অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী হাফের দাবি, উহানের ওই গবেষণাগারে উপযুক্ত সুরক্ষা ছিল না। তার জেরেই ভাইরাসটি ছড়িয়ে পড়ে। বায়োসেফটি, বায়ো সিকিউরিটি, রিস্ক ম্যানেজমেন্ট নিয়ে বিদেশের ওই গবেষণাগারে পর্যাপ্ত নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা ছিল না। উহান ল্যাব থেকে কোভিডের উৎপত্তি নিয়ে এখনও বিতর্ক রয়েছে। চীনা সরকারি কর্মকর্তা এবং ল্যাব কর্মীরা ভাইরাসটি উহানে উৎপত্তি নিয়ে বরাবরই অস্বীকার করে আসছেন। দ্য সান পত্রিকায় হাফ বলেন, চীন প্রথম থেকেই জানত এটা জেনেটিক্যালি ইঞ্জিনিয়ার্ড এজেন্ট। ভয়াবহ বায়োটেকনোলজিকে চীনে ট্রান্সফার করার জন্য মার্কিন সরকারকেও দায়ী করতে হয়। অ্যান্ড্রু হাফ তার বইয়ে বলেন, বায়োসেফটি, বায়ো সিকিউরিটি, রিস্ক ম্যানেজমেন্ট নিয়ে বিদেশের ওই গবেষণাগারে পর্যাপ্ত নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা ছিল না। যার ফলে শেষ পর্যন্ত ভাইরাসটি লিক হয়েছে। আরও পড়ুন: চীনে বিভিন্ন স্থানে বন্ধ করোনা পরীক্ষাকেন্দ্র, বিপাকে জনগণ হাফ তাঁর বইয়ে আরও দাবি করেন, মরণব্যাধি ভাইরাস তৈরিতে ১০ বছরের বেশি সময় ধরে উহান গবেষণাগারে গবেষণা চালিয়েছিল মার্কিন সংস্থা ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব হেলথ (এনআইএইচ)। এর আগে চীনের উহান গবেষণাগার থেকেই করোনার জীবাণু ছড়ানো হয়েছিল কি-না, তা নিয়ে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছিল বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)। এর জন্য গভীরে গিয়ে তদন্তের প্রয়োজন বলে গত জুন মাসে একটি প্রতিবেদনে জানিয়েছিল সংস্থাটি। তদন্তে চীন সাহায্য করছে না বলেও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার পক্ষে দাবি করা হয়েছিল।






«
Next
Newer Post
»
Previous
Older Post

No comments:

Leave a Reply