Sponsor



Slider

বিশ্ব

জাতীয়

রাজনীতি


খেলাধুলা

বিনোদন

ফিচার


যাবতীয় খবর

জিওগ্রাফিক্যাল

ফেসবুকে মুজিবনগর খবর

» » » » » » বড়দিনের আগে বড় বিপদে যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডা




তুষারঝড়ে যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডার জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। ছবি : সংগৃহীত তুষারঝড়ে যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডার জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। তুষারঝড় সম্পর্কিত বিভিন্ন ঘটনায় যুক্তরাষ্ট্রে কমপক্ষে ১২ জনের মৃত্যু হয়েছে। দেশটির মন্টানা অঙ্গরাজ্যের অবস্থা এতটাই হিমশীতল যে, বাতাসে গরম পানি ছুড়লে মুহূর্তেই সেটা তুষারে পরিণত হয়ে যাচ্ছে। একটি টুইট ভিডিওতে দেখা যায়, এক ব্যক্তি বাতাসে গরম পানি ছুড়ছেন। আর মুহূর্তেই সেটা তুষারে পরিণত হচ্ছে। খবর রয়টার্স ও বিবিসির। উত্তর আমেরিকাজুড়ে তুষারঝড় পরিস্থিতির দ্রুত অবনতি হচ্ছে। এতে যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডার বিশাল অংশজুড়ে তাপমাত্রা মারাত্মকভাবে কমেছে। মন্টানা অঙ্গরাজ্যের এলক পার্কে তাপমাত্রা মাইনাস ৪৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে। মিশিগানের হেল শহর কয়েক ইঞ্চি তুষারে ঢাকা পড়েছে। গতকাল শুক্রবার রাতে সেখানে তাপমাত্রা ছিল মাইনাস ১৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এদিকে কনকনে ঠান্ডা আর তীব্র তুষারপাতে নাকাল যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডা এবার আরো বড় বিপদের মুখে পড়ছে। খ্রিষ্টীয় ধর্মোৎসব বড়দিনের (২৫ ডিসেম্বর) আগেই ভয়ংকর তুষারঝড় বোম্ব সাইক্লোনের মুখে পড়ছে শীতপ্রধান দেশ দুটি। বৃহস্পতিবার যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল ওয়েদার সার্ভিসের (এনডব্লিউএস) পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, স্থানীয় সময় শনিবার সকালের মধ্যেই বোম্ব সাইক্লোন আছড়ে পড়বে দেশে। এর দুদিন আগেই একই হুঁশিয়ারি দেন কানাডার আবহাওয়াবিদরাও। তাপমাত্রা খুব দ্রুত নামতে থাকায় যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডায় মাত্র পাঁচ থেকে ১০ মিনিটের মধ্যে অনাবৃত ত্বকে ফ্রস্টবাইট হতে পারে বলে সতর্ক করছেন বিশেষজ্ঞরা। সাধারণত রক্ত প্রবাহ কমে গেলে, প্রায়শই নাক, গাল বা হাত পায়ের আঙুলে ফ্রস্টবাইট হতে পারে। শরীরে উষ্ণ রক্ত প্রবাহের অভাবে ত্বকের টিস্যু জমে গিয়ে ফেটে যেতে পারে এবং কিছু ক্ষেত্রে অঙ্গহানি পর্যন্ত হতে পারে। প্রতি বছরই এই সময় যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডায় তাণ্ডব চালায় এই বরফের ঘূর্ণিঝড়। তছনছ করে দেয় বিস্তীর্ণ এলাকা। এখনই তাপমাত্রার পারদ নেমে গেছে হিমাঙ্কের ১৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস নিচে। কনকনে ঠান্ডায় তুমুল ঝড়ো হাওয়ায় বিধ্বস্ত স্বাভাবিক জীবনযাত্রা।






«
Next
Newer Post
»
Previous
Older Post

No comments:

Leave a Reply