Sponsor



Slider

বিশ্ব

জাতীয়

রাজনীতি


খেলাধুলা

বিনোদন

ফিচার


যাবতীয় খবর

জিওগ্রাফিক্যাল

ফেসবুকে মুজিবনগর খবর

» » » » যুক্তরাষ্ট্রে তৃতীয় দিনের মতো চলছে নার্সদের ধর্মঘট




বেতন-ভাতা, জনবল বাড়ানো ও স্বাস্থ্যসেবার মান উন্নয়নের দাবিতে তৃতীয় দিনের মতো ধর্মঘট করছেন যুক্তরাষ্ট্রের দুটি হাসপাতালের নার্সরা। বুধবার (১১ জানুয়ারি) আন্দোলনে একাত্মতা প্রকাশ করেন নিউইয়র্ক স্টেট অ্যাসেম্বলি- উইমেন এবং সিটির কেন্দ্রীয় লেবার কাউন্সিলের প্রেসিডন্ট। আন্দোলনকারীরা জানিয়েছেন, ধর্মঘট চললেও হাসপাতালে জরুরি স্বাস্থ্যসেবা দেয়া অব্যাহত আছে। নিউইয়র্কের ব্রঙ্কসের মন্টেফিওর মেডিকেল সেন্টারের মোজে ক্যাম্পাসে আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছেন নার্সরা। বেতন ও জনবল বাড়ানো এবং স্বাস্থ্যসেবার মান উন্নয়নের দাবিতে তিন দিন ধরে নজিরবিহীন এ ধর্মঘট চলছে। ম্যানহাটানের মাউন্ট সিনাই হাসপাতালের নার্সরাও আন্দোলন করছেন। দুটি হাসপাতালের সাত হাজারের বেশি নার্স সোমবার (০৯ জানুয়ারি) থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য ধর্মঘট শুরু করেন। এতে হাসপাতালগুলোর স্বাভাবিক কার্মক্রম ব্যাহত হচ্ছে। বুধবার (১১ জানুয়ারি) সমাবেশে যোগ দিয়ে তাদের দাবি শোনেন নিউইয়র্কের স্টেট অ্যাসেম্বলিওমেন আমান্ডা সেপটিমো এবং নিউইয়র্ক সিটি কেন্দ্রীয় লেবার কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট ভিনসেন্ট আলভারেজ। তারা নার্সদের দাবির সঙ্গে একাত্মতা ঘোষণা করেন। আরও পড়ুন: যুক্তরাষ্ট্রে নার্সদের নজিরবিহীন ধর্মঘট করোনা মহামারি পরবর্তী সময়ে যুক্তরাষ্ট্রে হঠাৎ করেই বেড়ে গেছে রোগবালাই। হাসপাতালগুলোতে রোগী ভর্তি হচ্ছে আগের চেয়ে অনেক বেশি। বেড়েছে নার্সদের কাজের চাপও। অন্যদিকে করোনা এবং রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে বেড়েছে জীবনযাত্রার ব্যয়ও। এমন পরিস্থিতিতে বেতন-ভাতা বাড়ানো এবং অন্যান্য সুযোগ-সুবিধার দাবিতে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা শুরু করেন নার্সরা। আলোচনা ফলপ্রসূ না হওয়ায় তারা বাধ্য হয়ে ধর্মঘটের সিদ্ধান্ত নেন। এদিকে নিউইয়র্ক সিটি মেয়র এরিক অ্যাডামস বলেছেন, গোটা পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। চলমান এ ধর্মঘটের কারণে যাতে স্বাস্থ্যসেবা ব্যাহত না হয়, সেদিকে খেয়াল রাখছে স্থানীয় প্রশাসন। আরও পড়ুন: যুক্তরাষ্ট্রে ফ্লাইট বিপর্যয়, তদন্তের নির্দেশ বাইডেনের এ ছাড়া নার্সদের আংশিক দাবি মেনে নিতে আলোচনায় সম্মত হয়েছে মন্টেফিওর হাসপাতাল। তারা ১৯ শতাংশ বেতন বাড়ানোর প্রস্তাব দিয়েছে নার্সদের। নেয়া হয়েছে নতুন নার্স নিয়োগের সিদ্ধান্তও।






«
Next
Newer Post
»
Previous
Older Post

No comments:

Leave a Reply