Sponsor



Slider

বিশ্ব

জাতীয়

রাজনীতি


খেলাধুলা

বিনোদন

ফিচার


যাবতীয় খবর

জিওগ্রাফিক্যাল

ফেসবুকে মুজিবনগর খবর

» » » » » ৮ ঘণ্টার ম্যাচ শেষ ৫ ঘণ্টায়! শামি, হার্দিকদের দাপটে নিউ জ়িল্যান্ড সিরিজ় ভারতের




শুরু থেকে উইকেট নিয়ে নিউ জ়িল্যান্ডকে চাপে ফেলে দিয়েছিলেন শামিরা। মাত্র ১০৮ রানে শেষ হয়ে গিয়েছিল কিউইদের ইনিংস। ম্যাচ জিততে কোনও অসুবিধাই হল না ভারতের। উইকেট নেওয়ার পর শামি এবং রোহিতের উচ্ছ্বাস। দ্বিতীয় এক দিনের ম্যাচ: নিউ জ়িল্যান্ড ১০৮/১০ (মহম্মদ শামি ৩ উইকেট)/ ভারত ১১১/২ (রোহিত শর্মা ৫১ রান) | ভারত জয়ী ৮ উইকেটে Advertisement রায়পুরে প্রথম এক দিনের ম্যাচ তারিয়ে তারিয়ে উপভোগ করল মাঠ ভর্তি দর্শক। কিন্তু একটা আফসোস তাদের থাকতেই পারে। এক দিনের ক্রিকেট প্রথম বার হচ্ছে রায়পুরে। সেই ম্যাচ দেখতে উৎসাহ ছিল। ভারত বনাম নিউ জ়িল্যান্ড ম্যাচটি যদিও এক পেশে ভাবেই শেষ হল। প্রথমে বল হাতে মহম্মদ শামিরা কিউই ব্যাটারদের উপর রোলার চালিয়ে দেন। মাত্র ১০৮ রানে শেষ হয়ে যায় নিউ জ়িল্যান্ডের ইনিংস। ২০.১ ওভারে জয়ের রান তুলে নেন রোহিত শর্মারা। এক দিনের সিরিজ় জিতে নিল ভারত। রায়পুরে প্রথম এক দিনের ম্যাচ নিয়ে উৎসাহ এতটাই ছিল যে টিকিট ব্ল্যাক করছিলেন অনেকে। এমন ন’জনকে গ্রেফতার করে পুলিশ। রায়পুরের শহিদ বীর নারায়ণ সিংহ স্টেডিয়াম দেশের ৫০তম স্টেডিয়াম, যেখানে আয়োজিত হল এক দিনের আন্তর্জাতিক ম্যাচ। রায়পুরের সবুজ পিচে শুরু থেকেই সুইংয়ের দাপট দেখান পেসাররা। নতুন সাদা বলের সুইং যদিও খুব বেশি ওভার থাকে না। ভারতীয় বোলাররা সেই সময়টাই দেননি নিউ জ়িল্যান্ডের ব্যাটারদের। ১৫ রানের মধ্যে ৫ উইকেট হারান ফিন অ্যালেনরা। নিউ জ়িল্যান্ডের প্রথম পাঁচ ব্যাটারের কেউ ১০ রানের গণ্ডি পার করতে পারেননি। হার্দিক নিজের বলে নিজেই একটি দুরন্ত ক্যাচ নেন, তাতেই সাজঘরে ডেভন কনওয়ে। ১৫ রানে ৫ উইকেট চলে যাওয়ার পর কিছুটা ধরে খেলার চেষ্টা করেন গত ম্যাচে শতরান করা মাইকেল ব্রেসওয়েল এবং গ্লেন ফিলিপ্স। কিন্তু মাত্র ২২ রান করেই এই ম্যাচে থামতে হয় ব্রেসওয়েলকে। শামির বলে উইকেটরক্ষক ঈশান কিশনের হাতে ক্যাচ দেন তিনি। ফিলিপ্স করেন ৩৬ রান। Advertisement মিচেল স্যান্টনার করেন ২৭ রান। তাঁকে ফেরান হার্দিক। ভারতীয় অলরাউন্ডার এখন নিয়মিত বল করছেন। ইনিংসের মাঝে হার্দিক বলেন, “এক দিনের ক্রিকেটে নিয়মিত বল করছি। যত বেশি ম্যাচ খেলছি, শরীর তত ফিট হচ্ছে। ঠিক সময়ে এটা হচ্ছে। আমরা এই ম্যাচে বল করার সময় একাধিক কিছু চেষ্টা করিনি। জায়গায় বল করছিলাম। এটা এমন একটা দিন যখন ফিল্ডাররা সব কিছু ধরছিল। বল ফিল্ডারদের হাতে যাচ্ছিল। এটা মাত্র ১০৮ রান করার উইকেট নয়। কিন্তু সব বল ফিল্ডারদের হাতে জমা পড়ছিল।”






«
Next
Newer Post
»
Previous
Older Post

No comments:

Leave a Reply