Sponsor



Slider

বিশ্ব

জাতীয়

রাজনীতি


খেলাধুলা

বিনোদন

ফিচার


যাবতীয় খবর

জিওগ্রাফিক্যাল

ফেসবুকে মুজিবনগর খবর

» » » » » উন্মুক্ত স্থান থেকে ফিলিস্তিনের পতাকা অপসারণের নির্দেশ ইসরাইলের




জনবহুল এবং সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত এমন স্থান থেকে ফিলিস্তিনের পতাকা অপসারণের নির্দেশ দিয়েছেন ইসরাইলের নতুন উগ্র ডানপন্থি জাতীয় নিরাপত্তা মন্ত্রী ইতামার বেন-গ্যভির। খবর আল জাজিরার। ইসরাইলের নতুন উগ্র ডানপন্থি জাতীয় নিরাপত্তা মন্ত্রী ইতামার বেন-গ্যভির প্রতিবেদনে বলা হয়, রোববার (৮ জানুয়ারি) ইসরাইলের জাতীয় নিরাপত্তা মন্ত্রী ইতামার বেন-গ্যভির বলেছেন, তিনি ইতোমধ্যে পুলিশকে জনবহুল স্থান থেকে ফিলিস্তিনি পতাকা অপসারণের নির্দেশ দিয়েছেন। ইসরাইলের আইনে ফিলিস্তিনি পতাকা বেআইনি বা অবৈধ নয়। তবে জনশৃঙ্খলার জন্য হুমকি রয়েছে মনে করলে তা সরিয়ে ফেলার অধিকার রয়েছে পুলিশ এবং সেনাদের। এক বিবৃতিতে বেন-গ্যভির বলেন, ফিলিস্তিনের পতাকা উড়ানো সন্ত্রাসী কার্যক্রমে সমর্থনের বলে গণ্য হবে। এটা হতে পারে না, আইন ভঙ্গকারীরা সন্ত্রাসবাদী পতাকা নেড়ে সন্ত্রাসবাদকে উসকে দেয় এবং উৎসাহিত করে। এ অবস্থায় সন্ত্রাসবাদকে সমর্থনকারী পতাকাগুলো অপসারণ এবং ইসরাইলের বিরুদ্ধে উসকানি বন্ধের নির্দেশ দিয়েছি। আরও পড়ুন: নেতানিয়াহু সরকারের বিরুদ্ধে হাজার হাজার ইসরাইলির বিক্ষোভ এদিকে বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু নেতৃত্বাধীন নতুন সরকারের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ করেছেন হাজার হাজার ইসরাইলি নাগরিক। ইসরাইলি পার্লামেন্ট নেসেটের বামপন্থি ও ফিলিস্তিনি সদস্যরা এ বিক্ষোভে নেতৃত্ব দিচ্ছেন। শনিবার (৭ জানুয়ারি) তেল আবিব শহরে হাজার হাজার সাধারণ নাগরিক প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সদ্যগঠিত সরকারের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ করেন। এ সময় তারা এ সরকারকে স্বাধীনতা ও গণতন্ত্রের জন্য হুমকি বলে আখ্যা দেন। বিক্ষোভকারীরা নেতানিয়াহু সরকারকে গণতন্ত্রের জন্য বিপজ্জনক, ফ্যাসিবাদ ও বর্ণবাদী বলেও স্লোগান দেন। অনেকে রংধনু পতাকা হাতে নিয়ে বিক্ষোভে অংশ নেন। আরও পড়ুন: ইসরাইলের কারাগারে ৪০ বছর, অতঃপর মুক্তি গত ২৯ ডিসেম্বর শপথ নেয়া নেতানিয়াহুর নেতৃত্বাধীন জোটকে ইসরাইলের এ যাবৎকালের সবচেয়ে কট্টর ডানপন্থি সরকার হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। গোলান মালভূমি, পশ্চিম তীর ও পূর্ব জেরুজালেমের বিতর্কিত অঞ্চলে স্থাপনা গড়ে তোলার কাজ সম্প্রসারিত করা হবে বলে জানিয়েছে তারা৷ ইসরাইলের অধিকৃত পশ্চিম তীরে স্থাপনা গড়ে তোলাকে আন্তর্জাতিক আইন অনুসারে বেআইনি হিসেবে দেখে থাকে আন্তর্জাতিক বিচার আদালত ও জাতিসংঘ৷ ইউরোপীয় ইউনিয়নের এক তথ্য বলছে, ২০২০ সালের শেষের দিকে পশ্চিম তীরে মোট জনসংখ্যার ১৪ শতাংশ ছিল ইসরাইলি বসতি স্থাপনকারীরা। ২০২১ সালের পর যা আরও বেড়েছে।






«
Next
Newer Post
»
Previous
Older Post

No comments:

Leave a Reply