Sponsor



Slider

বিশ্ব

জাতীয়

রাজনীতি


খেলাধুলা

বিনোদন

ফিচার


যাবতীয় খবর

জিওগ্রাফিক্যাল

ফেসবুকে মুজিবনগর খবর

» » » » দিন দিন দুর্বলই হচ্ছে পাকিস্তান: ইউকেপিএনপি




শিশুসুলভ কাজ করায় দিন দিন পাকিস্তান কেবলই দুর্বল হয়ে যাচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন ইউনাইটেড কাশ্মীর পিপলস ন্যাশনাল পার্টির (ইউকেপিএনপি) মুখপাত্র সরদার নাসির আজিজ খান। দিন দিন দুর্বলই হচ্ছে পাকিস্তান: ইউকেপিএনপি তিনি বলেন, পাকিস্তানের উচিত সন্ত্রাসবাদী ও তাদের প্রভুদের বিরুদ্ধে লড়াই করে তাদেরকে পরাজিত করা। ইউকেপিএনপির মুখপাত্র বর্তমানে কানাডায় দুই সপ্তাহের সফরে রয়েছেন। কানাডার ক্যালগারিতে আয়োজিত এক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে তিনি এ মন্তব্য করেন। ইউকেপিএনপির অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে শেয়ার করা একটি ভিডিওতে আজিজ খানকে ব্রিফ করতে দেখা যায়। তিনি বলেন, ‘যে ক্রমবর্ধমান চরমপন্থা শুধু জম্মু ও কাশ্মীরে নয়, কানাডাতেও একটি বিপদ। আমাদের অবশ্যই সন্ত্রাসী ও তাদের প্রভুদের বিরুদ্ধে লড়াই করে তাদের পরাজিত করতে হবে।’ আরও পড়ুন : অস্তিত্ব সংকটে পাকিস্তান আজিজ খান বলেন, ‘পাকিস্তান দিন দিন দুর্বল হয়ে যাচ্ছে, কারণ সে শিশুসুলভ কাজ করছে। পাকিস্তানকে আরও পরিণতির মুখোমুখি হবে। আমাদের অবশ্যই এই অসুস্থ ও উচ্ছৃঙ্খলদের বিরুদ্ধে লড়াই করতে হবে।’ প্রসঙ্গত, গত বছরের ডিসেম্বরে মানবাধিকারকর্মী এবং ইউকেপিএনপির চেয়ারম্যান শওকত আলী কাশ্মীরি গিলগিট-বালতিস্তানে জনগণের মৌলিক অধিকার বঞ্চিত হওয়ার বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছিলেন। সে সময় পাকিস্তানকে খোঁচা দিয়ে তিনি বলেন, গিলগিট-বালতিস্তান হলো সাবেক বিশেষ মর্যাদার রাজ্য জম্মু ও কাশ্মীরের অংশ এবং পাকিস্তানের নীতির উদ্দেশ্য হলো জনগণকে তাদের মৌলিক অধিকার থেকে বঞ্চিত করা এবং ভারতীয় সম্পৃক্ততার বিরুদ্ধে প্রচার করা। শওকত আলী কাশ্মীরি টুইটারে লিখেছিলেন, ‘গিলগিট বাল্টিস্তান জম্মু ও কাশ্মীরের অংশ এবং মানুষ মৌলিক অধিকার থেকে বঞ্চিত। এটা পাকিস্তানি নীতি; মানুষকে বঞ্চিত করার জন্য এবং ভারতীয় সম্পৃক্ততার বিরুদ্ধে প্রচার চালানোর জন্য তৈরি করা হয়েছে। পাকিস্তান এমন একটি দেশ যেটি সর্বদা ধর্মীয় অনুভূতি ব্যবহার করে।’ আরও পড়ুন : পাকিস্তানের পতন আসন্ন: বিশেষজ্ঞ দলটি ২২ অক্টোবরকে ‘কালো দিবস’ হিসেবে চিহ্নিত করার পক্ষে পিওকে (পাকিস্তান-অধিকৃত কাশ্মীর) এবং বিশ্বের অন্যান্য অংশে গত বছরের অক্টোবরে একটি বিক্ষোভের আয়োজন করেছিল। দিনটি ১৯৪৭ সালে জম্মু ও কাশ্মীরে উপজাতিদের বিরুদ্ধে পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর আগ্রাসনকে স্মরণ করিয়ে দেয়। পাকিস্তান-অধিকৃত কাশ্মীরের সাংবিধানিক মর্যাদা পরিবর্তন করার বিরোধিতা করেছে ইউকেপিএনপি। তারা বলছে, পরিচয়ের নামে শাসকগোষ্ঠীর স্বার্থের লড়াইয়ের পরিবর্তে একটি শোষণমুক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠার দিকে নজর দেওয়া উচিত। সূত্র : এএনআই।






«
Next
Newer Post
»
Previous
Older Post

No comments:

Leave a Reply