Sponsor



Slider

বিশ্ব

জাতীয়

সাম্প্রতিক খবর


খেলাধুলা

বিনোদন

ফিচার

mujib

w

যাবতীয় খবর

জিওগ্রাফিক্যাল

ফেসবুকে মুজিবনগর খবর

» » » » ডুমসডে ক্লক পৃথিবী ধ্বংসের আর ৯০ সেকেন্ড বাকি!




ডুমসডে ক্লক পৃথিবী ধ্বংসের আর ৯০ সেকেন্ড বাকি! ধ্বংসের দোরগোড়ায় পৌঁছে গেছে পৃথিবী! আর মাত্র ৯০ সেকেন্ড বাকি। ডুমসডে ক্লক এমনটাই বলছে। ঘড়িটির কাঁটা এখন ঠিক রাত ১১টা বেজে ৫৮ মিনিট ৩০ সেকেন্ডে স্থির রয়েছে। ১২টা বাজতে আর মাত্র ৯০ সেকেন্ড বাকি। রাত ১২টা বাজলেই পৃথিবীর ধ্বংস! ডুমস্ডে ক্লক-এ ঘড়ির কাঁটা এখন মধ্যরাত তথা রাত ১২টা থেকে আর মাত্র ৯০ সেকেন্ড দূরে রয়েছে। ছবি: সংগৃহীত ডুমসডে ক্লক মূলত একটি প্রতীকী ঘড়ি যা পৃথিবী কবে শেষ বা ধ্বংস হবে রূপকার্থে সেই মুহূর্তকে নির্দেশ করে। আমাদের গ্রহকে ঘিরে ঘটমান নানা সংকটের মাত্রা অনুযায়ী ওঠানামা করে এই ডুমস্‌ ডে ক্লকের কাঁটা। তবে সেটা আসল ঘড়ির মতো যান্ত্রিকভাবে নয়, ঘটে মানুষের হাতে।

১৬ জন নোবেলজয়ীসহ বিশিষ্ট বিজ্ঞানী এবং বিজ্ঞজনদের নিয়ে গঠিত একটি প্যানেল প্রতিবছর নির্ধারণ করেন, ডুমস‌ডে ক্লকের কাঁটা ঠিক কোথায় থাকবে। সেই অনুযায়ী প্রতিবছর ২৩ জানুয়ারি ঘড়ির কাঁটা ওঠানো কিংবা নামানো হয়। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ভয়াবহতা ও উত্তাল সময়ের পর দ্য বুলেটিন অব দ্য অ্যাটোমিক সায়েন্টিস্টস নামে ম্যাগাজিন ১৯৪৭ সালে ঘড়িটির প্রবর্তন করে। ১৯৫৩ সালে এই ঘড়ির কাঁটা মধ্যরাতের সবচেয়ে কাছাকাছি অর্থাৎ ১১টা ৫৮ মিনিটে পৌঁছে গিয়েছিল। অর্থাৎ মধ্যরাত হতে আরও ৭ মিনিট বাকি ছিল। তারপর থেকে মোট ২৫ বার ঘড়িটির সময় পরিবর্তিত হয়েছে। আরও পড়ুন: যুক্তরাষ্ট্রের উসকানিতে অস্থিতিশীল কোরীয় উপদ্বীপ, পরমাণু যুদ্ধের শঙ্কা আন্তর্জাতিক পরিস্থিতি বদলাতে থাকায় সেই কাঁটাও আবার পেছাতে থাকে। এরপর ১৯৯১ সালে পারমাণবিক অস্ত্র কমিয়ে আনার লক্ষ্যে যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়ার মধ্যে স্ট্রাটেজিক আর্মস লিমিটেশন ট্রিটি (সল্ট) স্বাক্ষরিত হওয়ার পর এ ঘড়ির কাঁটা ১১টা ৪৩ মিনিটে নেমে আসে। এর অর্থ বিপদ অনেকটা কেটে গেছে। কিন্তু বিশ্ব রাজনীতি, পারমাণবিক যুদ্ধের ঝুঁকি, জৈব সন্ত্রাস (বায়োটেরোরিজম), সাইবার নিরাপত্তা, বিজ্ঞানীদের কথা আমলে না নেয়া ও জলবায়ু পরিবর্তনের মতো নানান বৈশ্বিক সংকট ঘনিভূত হওয়ায় ঘড়ির কাঁটা আবারও ওপরে উঠতে থাকে। এরপর সাম্প্রতিক বছরগুলোতে ক্রমশই ঘড়ির কাঁটা ওপরের দিকে উঠেছে। ২০১৬ সালে ডুমস্‌ডে ক্লকের কাঁটা নিয়ে যাওয়া হয় রাত ১১টা ৫৭ মিনিটে। সে সময় দ্য বুলেটিন অব অ্যাটমিক সায়েন্সেস-এর পক্ষ থেকে এর ব্যাখ্যা দিয়ে বলা হয়, আমেরিকা ও রাশিয়ার মধ্যে সম্পর্কের অবনতি, ভারত-পাকিস্তানের মধ্যে উত্তেজনা বৃদ্ধি, উত্তর কোরিয়ার পরমাণু অস্ত্রের হুঙ্কার ও বিশ্ব উষ্ণায়নের মতো সংকটের কথা মাথায় রেখে কাঁটা ওপরে উঠানো হয়েছে। আরও পড়ুন: হঠাৎ কেন পরমাণু অস্ত্র পরীক্ষা করছে চীন? ২০১৯ সাল পর্যন্ত ১১টা ৫৭ মিনিটেই স্থির ছিল কাঁটা। কিন্ত এর পরের বছর অর্থাৎ ২০২০ সালের ২৩ জানুয়ারি আগের বছরের চেয়ে কাঁটা ২০ সেকেন্ড এগিয়ে নেয়া হয়। অর্থাৎ ঘড়ির কাঁটা দাঁড়ায় ১১টা ৫৭ মিনিট ২০ সেকেন্ডে। অর্থাৎ রাত ১২টা থেকে মাত্র ১০০ সেকেন্ড দূরত্বে। ম্যাগাজিনটির প্রেসিডেন্ট র‍্যাচেল ব্রনসন জানান, মানুষকে ভয়াবহতার মাত্রার স্পষ্ট ধারণা দিতে বর্তমানে মিনিটের বদলে সেকেন্ডে বাকি থাকা সময় জানানো হচ্ছে। পারমাণবিক যুদ্ধের ঝুঁকি বৃদ্ধি, জলবায়ু পরিবর্তনের বিরুদ্ধে যথেষ্ট উদ্যোগের অভাব ও সাইবার অপরাধ বৃদ্ধি পাওয়ায় কাঁটা আরও একধাপ এগোনোর সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে বলে জানান তিনি। এর পরের দুই বছর অর্থাৎ ২০২১ ও ২০২২ সালে ঘড়ির কাঁটা একটুও নড়েনি। কিন্তু গত বছর কাঁটা আরও ১০ সেকেন্ড সামনে এগোয়। ২০২৩ সালের ২৩ জানুয়ারি বুলেটিন অব অ্যাটমিক সায়েন্টিস্টস জানায়, ডুমস্ ডে ক্লকের কাঁটা এখন রাত ১১টা বেজে ৫৮ মিনিট ৩০ সেকেন্ডে। আরও পড়ুন: পরমাণু অস্ত্র পরীক্ষায় ব্যস্ত চীন, প্রকাশ্যে উপগ্রহ চিত্র এবারও ঘড়ির কাঁটা অপরিবর্তিতই রাখা হয়েছে। এর মানে বর্তমানে ঠিক ১২টার দিকে ঝুঁকে আছে ঘড়ি কাঁটা। মধ্যরাত তথা রাত ১২টা বাজতে আর মাত্র ৯০ সেকেন্ড বাকি। ১২টা বাজলেই সব খতম। তবে বিশ্লেষকরা বলছেন, ভয় সৃষ্টি করতে নয়, বরং পৃথিবীর মানুষ সতর্ক করতেই এই ডুমসডে ক্লকের সৃষ্টি। সূত্র: স্কাই নিউজ ও বিবিসি।






«
Next
Newer Post
»
Previous
Older Post

No comments:

Leave a Reply