Sponsor



Slider

বিশ্ব

জাতীয়

সাম্প্রতিক খবর


খেলাধুলা

বিনোদন

ফিচার

mujib

w

যাবতীয় খবর

জিওগ্রাফিক্যাল

ফেসবুকে মুজিবনগর খবর

» » » » বাংলাদেশের রূপান্তরে সজীব ওয়াজেদের যাত্রা




১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় তার জন্ম। তিনি যখন জন্ম নেন তখন বাংলাদেশে চলছিল জাতীয় অস্থিরতা। বলা হচ্ছে, পরমাণু বিজ্ঞানী ড. এম.এ ওয়াজেদ মিয়া ও শেখ হাসিনার পুত্র সজীব ওয়াজেদের কথা। নানা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান নাতির নাম রাখেন জয়, যার মানে বিজয়ের প্রতীক। ২০১০ সালে সজীব ওয়াজেদ তার পৈতৃক জেলা রংপুরে আওয়ামী লীগের সদস্য হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে রাজনীতিতে প্রবেশ করেন। পাশাপাশি তিনি প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তিবিষয়ক (আইসিটি) উপদেষ্টা হিসেবে ‘অবৈতনিকভাবে’ কাজ শুরু করেন। ফাইল ছবি ২০১০ সালে সজীব ওয়াজেদ তার পৈতৃক জেলা রংপুরে আওয়ামী লীগের সদস্য হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে রাজনীতিতে প্রবেশ করেন। পাশাপাশি তিনি প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও যোগাযোগ বাংলাদেশে ১৯৭৫ সালে সামরিক অভ্যুত্থানে নানা-নানি ও মামাদের শৈশবেই হারান জয়। এটি তার জীবনের জন্য ছিল অপূরণীয় ক্ষতি। এই ট্র্যাজেডির কারণে তার মা এবং খালাকে পরবর্তীতে নির্বাসিত হতে হয়। তৎকালীন ক্ষমতাসীন সামরিক শাসন ১৯৮১ সাল পর্যন্ত তাদের দেশে আসা নিষিদ্ধ করে রেখেছিল। সজীব ওয়াজেদ জয় শিক্ষাগত কারণে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে আসেন। সেখানে তিনি আরলিংটনের টেক্সাস বিশ্ববিদ্যালয় থেকে কম্পিউটার প্রকৌশলে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন, এরপর হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের মর্যাদাপূর্ণ জন এফ কেনেডি স্কুল অব গভর্নমেন্ট থেকে পাবলিক অ্যাডমিনিস্ট্রেশনে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। এই সময়ে জয় শুধু অ্যাকাডেমিক শিক্ষাই অর্জন করেননি। সেই সঙ্গে তিনি তার দেশ গঠনের পরিকল্পনা করতে থাকেন। মূলত দেশে তার মায়ের পরিবারের সঙ্গে যেই ঘটনা ঘটে যায় ১৯৭৫ সালে এবং তারপর বাংলাদেশকে যেই অবস্থায় তিনি দেখতে পান, তার প্রভাব ছিল সব সময়। তীব্র রাজনৈতিক অস্থিরতা এবং ক্রমবর্ধমান জঙ্গিবাদের সময়কালে সজীব ওয়াজেদ দেশ ও দেশবাসীর জন্য কাজ শুরু করেছিলেন। কারণ তিনি তার মা, তৎকালীন বিরোধী দলীয় নেত্রী শেখ হাসিনার মুখোমুখি চ্যালেঞ্জগুলো সামনে থেকেই দেখেছিলেন। এ সময় হওয়া অসংখ্য রাজনৈতিক অস্থিরতা ও সহিংসতার মধ্যে সবচাইতে বেশি যে বিষয়টি সজীব ওয়াজেদের ওপর প্রভাব ফেলেছিল, তা হলো ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট হওয়া গ্রেনেড হামলা। মূলত এ সময় বাংলাদেশের রাজনীতি ও শাসন ব্যবস্থার বিষয়ে পরিকল্পনা ও কাজ করার সংকল্প গ্রহণ করেন তিনি। আরও পড়ুন: সজীব ওয়াজেদ জয়কে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা নিয়োগ ২০০৭ এবং ২০০৮ সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অস্থিরতার সময়ে সজীব ওয়াজেদের রাজনৈতিক সক্রিয়তা সামনে আসে। তার মাকে অন্যায়ভাবে আটকে রাখা এবং বাংলাদেশে গণতান্ত্রিক পুনঃপ্রতিষ্ঠার প্রয়োজনীয়তার প্রতি আন্তর্জাতিক দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য সেই সময় তিনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং ইউরোপ জুড়ে প্রচারণা শুরু করেছিলেন। তার এই প্রচেষ্টা শুধু পরিবারের জন্য ছিল না। এটি ছিল তার দেশে ন্যায়বিচার ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের জন্য বৃহত্তর সংগ্রামের প্রতীক। ২০১০ সালে সজীব ওয়াজেদ তার পৈতৃক জেলা রংপুরে আওয়ামী লীগের সদস্য হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে রাজনীতিতে প্রবেশ করেন। পাশাপাশি তিনি প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তিবিষয়ক (আইসিটি) উপদেষ্টা হিসেবে ‘অবৈতনিকভাবে’ কাজ শুরু করেন। তার পরিকল্পনা ছিল স্পষ্ট। তিনি প্রযুক্তির ব্যবহারের মাধ্যমে জাতীয় উন্নয়নকে ত্বরান্বিত করতে চেয়েছেন। সেইসঙ্গে প্রযুক্তিগত অগ্রগতির সুফল বাংলাদেশের প্রতিটি জায়গায় যাতে পৌঁছে যায় তার জন্য কাজ করতে চেয়েছেন। তার কৌশলের মূলভিত্তি ছিল রাজনৈতিক প্রক্রিয়া এবং জাতীয় উন্নয়নে তরুণদের সম্পৃক্ত করা। সজীব ওয়াজেদ বিশ্বাস করেন যে, রাজনীতি করতে হবে এবং জাতীয় উন্নতির বাহন হতে হবে, কিন্তু তা ব্যক্তিগত লাভের জন্য নয়। তরুণ নাগরিকদের সঙ্গে সরাসরি আলাপচারিতার মাধ্যমে বিভিন্ন সময় সজীব ওয়াজেদ তাদের আকাঙ্ক্ষা এবং ধারণা শুনেছেন। তাদের দেশের ভবিষ্যৎ গঠনে সক্রিয় ভূমিকা নিতে উৎসাহিত করেছেন সজীব ওয়াজেদ। এই সরাসরি সংলাপ বাংলাদেশে নজিরবিহীন ছিল, যা জাতীয় সিদ্ধান্ত গ্রহণে তরুণদের সম্পৃক্ততার নতুন পথ খুলে দিয়েছে। গবেষণামূলক প্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর রিসার্চ অ্যান্ড ইনফরমেশনের (সিআরআই) মাধ্যমে সজীব ওয়াজেদ তরুণ নাগরিক এবং নীতিনির্ধারকদের মধ্যে ব্যবধান কমিয়ে এনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। ‘লেটস টক’-এর মতো অনুষ্ঠানের মাধ্যমে তরুণরা নীতিনির্ধারকদের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে মতপ্রকাশের সুযোগ পাচ্ছে। এ ছাড়া তার ‘ইয়াং বাংলা’ প্ল্যাটফর্ম বাংলাদেশে তরুণ প্রতিভা এবং স্বপ্নদর্শীদের স্বীকৃতি ও উন্নতির জন্য 'গেম-চেঞ্জার' হিসেবে কাজ করছে। এই প্ল্যাটফর্ম মূলত পরবর্তী প্রজন্মের নেতৃত্বকে তৈরি করেছে। আইটি নীতি বিশ্লেষক হিসেবে সজীব ওয়াজেদের অবদান ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ' তৈরির ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ছিল। ২০০৮ সালে নির্বাচনের আগে আওয়ামী লীগ ডিজিটাল বাংলাদেশ নামে একটি উচ্চাভিলাষী পরিকল্পনা জাতির সামনে তুলে ধরে। শুধু একটি শক্তিশালী আইসিটি অবকাঠামো গড়ে তোলা নয়, বরং বৃহত্তর উন্নয়ন লক্ষ্য অর্জনের জন্য প্রযুক্তিকে একটি হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা ছিল এই উদ্যোগের লক্ষ্য। এই প্রচেষ্টা সজীব ওয়াজেদ আন্তর্জাতিক প্রশংসাও অর্জন করেন। তিনি ২০০৭ সালে বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামের শীর্ষ ২৫০ তরুণ বিশ্ব নেতাদের একজন হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছিলেন। আওয়ামী লীগের নির্বাচনী ইশতেহারে প্রযুক্তিগত ধারণা অন্তর্ভুক্ত করে সজীব ওয়াজেদ ডিজিটাল বাংলাদেশের মূল স্থপতি হিসেবে তার অবস্থানকে আরও দৃঢ় করেছেন। ‘স্মার্ট বাংলাদেশ’ নির্মাণের জন্য প্রধানমন্ত্রীর আইসিটি উপদেষ্টা হিসেবে তার পুনঃনিযুক্তি তার সেই অব্যাহত প্রচেষ্টারই সাক্ষ্য দেয়। গত নভেম্বরে লেটস টক অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে সজীব ওয়াজেদ প্রযুক্তিগত অগ্রগতির ওপর জোর দেন। তখন তিনি দেশীয় মাইক্রোপ্রসেসর উৎপাদন এবং বৈশ্বিক ইলেকট্রনিক্স বাজারে বাংলাদেশকে ভোক্তা থেকে উৎপাদক হিসেবে রূপান্তরিত করার পরিকল্পনা তুলে ধরেন। ওই অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, ‘আমরা এমন এক যুগে পা রাখছি যেখানে বাংলাদেশ কেবল ইলেকট্রনিক উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণ হবে না, বরং বৈশ্বিক বাজারে একটি গুরুত্বপূর্ণ উৎপাদনকারী দেশও হবে।’ সাম্প্রতিক সময়






«
Next
Newer Post
»
Previous
Older Post

No comments:

Leave a Reply