Sponsor



Slider

বিশ্ব

জাতীয়

সাম্প্রতিক খবর


খেলাধুলা

বিনোদন

ফিচার

mujib

w

যাবতীয় খবর

জিওগ্রাফিক্যাল

ফেসবুকে মুজিবনগর খবর

» » » » » পাঁচ বছর কোমায় থাকা নারী ‘হেসে উঠলেন’ মায়ের কৌতুকে!




পাঁচ বছর কোমায় থাকা নারী ‘হেসে উঠলেন’ মায়ের কৌতুকে! পাঁচ বছর কোমায় থাকার পর হঠাৎ চোখ খুলে তাকিয়েছেন। শুধু তাকিয়েছেন বললে ভুল হবে, রীতিমত হেসে উঠেছেন। তা-ও আবার তার পাশে বসে থাকা মায়ের কৌতুক শুনে। ‘অবিশ্বাস্য’ এমন ঘটনা ঘটেছে যুক্তরাষ্ট্রের মিশিগানে। মায়ের কৌতুক শুনে হেসে ওঠেন পাঁচ বছর কোমায় থাকা জেনিফার ফ্লিওলেন। ছবি: সংগৃহীত জেনিফার ফ্লিওলেন নামের ওই নারী ২০১৭ সালের সেপ্টেম্বরে গাড়ি দুর্ঘটনার শিকার হন। এরপর কোমায় চলে যান। পাঁচ বছর ঘুমিয়েছিলেন কোমায়। এরপর মাঝে-মধ্যে একটু সাড়া দিয়েছেন। অবশেষে ২০২২ সালের ২৫ আগস্ট তিনি তার মায়ের কৌতুক শুনে হেসে ওঠেন। আরও পড়ুন:পার্কে ঘুরতে গিয়ে পেলেন বড় হীরার খণ্ড যুক্তরাষ্ট্রের সাপ্তাহিক ম্যাগাজিন পিপলকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে ফ্লিওলেনের মা পেগি মিনস এ বিষয়ে তার অভিজ্ঞতা শেয়ার করেছেন। তিনি বলেন, যখন সে জেগে উঠল, আমি খুব ভয় পেয়ে গিয়েছিলাম। কারণ সে হাসছিল এবং এটা এর আগে সে কখনও করেনি। প্রতিটা স্বপ্ন সত্যি হয়েছে। আমি বলব আজ সেই দিন, যেদিন ওই বন্ধ দরজা যা আমাদের আলাদা করেছিল, সেই দরজা আজ খুলে গেছে। আমরা আবার ফিরেছি।

পাঁচ বছর কোমায় থাকার পর ফ্লিওলেন যখন সাড়া দিতে পারছিলেন, তখন কথা বলা ও হাত পা নড়াচড়া করার জন্য তিনি নিজে নিজে চেষ্টা করতেন। মিনস আরও বলেন, সে জেগে উঠল। কিন্তু তা পুরোপুরি নয়। সে তখনও কথা বলতে পারত না। কিন্তু মাথা নাড়াত। সে এখনও শুরুর দিকে যেমন ঘুমাত, তেমনই ঘুমায়। কিন্তু মাস পার হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে সে একটু একটু করে শক্তি পাওয়া শুরু করল ও আরও বেশি সাড়া দিত। ফ্লিওলেনের ফিজিশিয়ান মিশিগানের মেরি ফ্রি বেড রিহাবিলিটেশন হাসপাতালের ড. রাফ ওয়াং বলেন, এটা অত্যন্ত বিরল ঘটনা। কোমা থেকে জেগে ওঠাটা নয়, সে যে আস্তে আস্তে উন্নতির দিকে যাচ্ছে সেটা। এসব ক্ষেত্রে ১ থেকে ২ শতাংশ মানুষ কোমা থেকে ফিরে আসে এবং শরীরের উন্নতি হয়। অথচ ফ্লিওলেন তার ছেলের ফুটবল ম্যাচ পর্যন্ত দেখতে গিয়েছেন। জুলিয়ান বলেন, ‘সে আমার অনেক বড় সাপোর্টার ছিল। এখন যখন আবার তাকে আমার পাশে সমর্থক হিসেবে পেয়েছি, এটা এক অপার্থিব মুহূর্ত।’ আরও পড়ুন:সাগরে ভাসল বিশ্বের সর্ববৃহৎ প্রমোদতরী, চড়ার খরচ কত? ছেলের ফুটবল খেলা দেখতে যাওয়ার পর ফ্লিওলেনকে ‘মেরি ফ্রি বেড’ হাসপাতাল থেকে অতিরিক্ত থেরাপি নিতে হয়েছে। ফ্লিওলেনের হাসপাতালে থাকার সময়গুলোতে তার মা পেগি মিনস তার পাশে ছিলেন। সূত্র: এনডিটিভি






«
Next
Newer Post
»
Previous
Older Post

No comments:

Leave a Reply