Sponsor



Slider

বিশ্ব

জাতীয়

সাম্প্রতিক খবর


খেলাধুলা

বিনোদন

ফিচার

mujib

w

যাবতীয় খবর

জিওগ্রাফিক্যাল

ফেসবুকে মুজিবনগর খবর

» » » » » কারাগারে বসে বই লিখে ‘আরব বুকার’ পুরস্কারের জন্য মনোনীত ফিলিস্তিনি লেখক




ইসরাইলি কারাগারে বসেই একটি বই লিখেছেন ফিলিস্তিনি বন্দি বাসিম খানদাকজি। শুধু তাই নয়, বইটির জন্য গত মাসে আরবের বুকার-খ্যাত ইন্টারন্যাশনাল প্রাইজ ফর অ্যারাবিক ফিকশন (আইপিএএফ) পুরস্কারের মনোনয়নও পেয়েছেন তিনি। ফিলিস্তিনি বন্দি বাসিম খানদাকজি ও তার লেখা বই। ছবি: সংগৃহীত ফিলিস্তিনি বন্দি বাসিম খানদাকজি ও তার লেখা বই। ছবি: সংগৃহীত বাসিমের লেখা বইটির নাম ‘এ মাস্ক, দ্য কালার অব দ্য স্কাই’। মঙ্গলবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) পৃথক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম বিএনএন ও হারেৎজ। প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০০৪ সালে সন্ত্রাসী কার্যক্রমের অভিযোগে বাসিমকে গ্রেফতার করে ইসরাইল কর্তৃপক্ষ। সেসময় তার বয়স ছিল ২১ বছর। তেল আবিবের কারমেল মার্কেটে আত্মঘাতী বোমা হামলার পরিকল্পনায় যুক্ত থাকার অভিযোগে তাকে একসঙ্গে তিনবার যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন ইসরাইলি আদালত। তখন থেকেই কারাবন্দি রয়েছেন বাসিম, জেলে থেকেই শেষ করেছেন রাষ্ট্রবিজ্ঞানের পড়াশোনা। বইয়ের বিষয়বস্তু কী? ইসরাইল বর্ণবাদী রাষ্ট্র হওয়ায়– সেখানে ফিলিস্তিনি ও ইসরাইলিদের পরিচয় শনাক্ত করতে ভিন্ন ধরনের কার্ড জারি করা হয়। রামাল্লা শরণার্থী শিবিরের ‘নূর’ নামের এক তরুণ ফিলিস্তিনি প্রত্নতাত্ত্বিক কীভাবে ইসরাইলি শনাক্তকরণ কার্ড নিয়ে পশ্চিম তীরের একটি প্রত্নতাত্ত্বিক অভিযানে যোগ দেন তারই বর্ণনা রয়েছে ‘এ মাস্ক, দ্য কালার অব দ্য স্কাই’ বইতে। আরও পড়ুন: ‘প্রফেট সং’ লিখে বুকার জিতলেন আয়ারল্যান্ডের পল লিঞ্চ মনোনয়ন ঘিরে বিতর্ক সাহিত্য সম্প্রদায়ের স্বীকৃতি সত্ত্বেও বাসিমের মনোনয়নকে ঘিরে বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। ইসরাইলি কারাগার কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, তাদের নিয়ম-নীতি অনুসারে বাসিমের পক্ষে প্রাইজ মানি গ্রহণ করা অসম্ভব। অন্যদিকে, তার পরিবারও কয়েক মাস ধরে তার সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারছে না। এমন পরিস্থিতিতে কারাগার অ্যাসোসিয়েশন প্রশ্ন তুলেছে, কীভাবে ফিলিস্তিনিদের দমিয়ে রাখা হয়, বিশেষ করে যারা কারগারে বন্দি তাদেরকে। এছাড়াও স্বাধীন মতপ্রকাশে ফিলিস্তিনিদের সংগ্রাম নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন তারা। আরবি ফিকশন গ্রন্থের এই আন্তর্জাতিক পুরস্কারের শুরু যেভাবে ২০০৭ সাল থেকে আবুধাবির সংস্কৃতি ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের অর্থায়নে আইপিএএফ পুরস্কার দেয়া হয়। এর তদারকিতে আছে লন্ডনের বুকার প্রাইজ ফাউন্ডেশন। আইপিএএফ তাই আরবি বুকার পুরস্কার হিসেবেও পরিচিতি লাভ করেছে। আরব বিশ্বে এটিই সাহিত্যের সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ পুরস্কার। আরবি ভাষায় অসামান্য সাবলীলভাবে মূল কাহিনীর বিষয়বস্তুকে তুলে ধরা এবং উচ্চ মানের সাহিত্যকে উৎসাহিত করে- এমন বইকে এই পুরস্কারের জন্য মনোনীত করা হয়। পুরস্কারপ্রাপ্ত ও মনোনয়নের সংক্ষিপ্ত তালিকায় স্থান পাওয়া বইগুলো প্রধান প্রধান অন্যান্য ভাষায় অনুবাদ ও প্রকাশের কাজও করে আইপিএএফ। আরও পড়ুন: পুরস্কারপ্রাপ্ত উপন্যাস লেখা হয়েছে চ্যাটজিপিটির সহায়তায়! সংযুক্ত আরব আমিরাত ইসরাইলের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক স্থাপন করার প্রতিবাদে– ২০২০ সালে একদল আরব লেখক আবুধাবির অর্থায়নপুষ্ট আইপিএএফ বয়কটের ডাক দেন। এ ধরনের প্রতিবাদ গ্রাহ্য না করে আরব আমিরাত ইসরাইলের সঙ্গে সাংস্কৃতিক ও অন্যান্য সম্পর্ক অব্যাহত রাখে। এমনকি ইসরাইলের চলচ্চিত্র তহবিলের সঙ্গে একটি সহযোগিতা চুক্তি সই করে। আবুধাবি ও ইসরাইলের মধ্যে ভ্রমণ ভিসার বাধ্যবাধকতাও বাতিল করা হয়।






«
Next
Newer Post
»
Previous
Older Post

No comments:

Leave a Reply