Sponsor



Slider

বিশ্ব

জাতীয়

সাম্প্রতিক খবর


খেলাধুলা

বিনোদন

ফিচার

mujib

w

যাবতীয় খবর

জিওগ্রাফিক্যাল

ফেসবুকে মুজিবনগর খবর

» » প্রথম ইউরোপ ভ্রমণ এন্টওয়ার্প সিটি অফ ডায়মন্ড মেহেরপুরে কৃতিস্তান -ক্যাপ্টেন শুভ




প্রথম ইউরোপ ভ্রমণ। এন্টওয়ার্প সিটি অফ ডায়মন্ড। -ক্যাপ্টেন আবু মোহাম্মদ সালেহ শুভ

মাস্টার মেরিনার, এক্স ক্যাডেট, বাংলাদেশ মেরিন একাডেমি চট্টগ্রাম। ++++++++++++++ আমি ২০০৭ সালের মে মাসে একটি ইটালিয়ান কোম্পানি এমএসসির একটি জাহাজে যোগদানের জন্য বিমানে বেলজিয়ামের ব্রাসেলস ইন্টারন্যাশনাল এয়ারপোর্ট এ পৌঁছাই। এটাই ছিল আমার ক্যারিয়ারের প্রথম ইউরোপ ভ্রমণ। ওখান থেকে কোম্পানির গাড়িতে এন্টওয়ার্প শহরে যাই।ব্রাসেলস এয়ারপোর্ট থেকে এন্টওয়ার্প শহরের দূরত্ব প্রায় ৫০ কিলোমিটার। আমি সেই সময় থার্ড অফিসার হিসেবে জাহাজে যোগদান করি। বন্দরে জাহাজ আসতে দেরি হওয়ায় দুই দিন এন্টওয়ার্প শহরে হোটেলে ছিলাম। সেই সুযোগে শহরটা ঘুরে দেখার সময় পাওয়া গিয়েছিল। আমি সেখানে একাই ছিলাম। সাথে আর কোন মেরিনার থাকলে আরেকটু ভালো মতো বেড়ানো যেত। একা একা একটু ভয়ও লাগছিল। এন্টওয়ার্প শহরটাকে সিটি অফ ডায়মন্ড বলা হয়। বিশ্বের বিভিন্ন জায়গা থেকে ডায়মন্ড এখানে আসে। সুযোগ হয়েছিল ডায়মন্ডের দোকানগুলোতে ঘুরে দেখার। অনেক দামী দামী ডাইমন্ড এখানে বিক্রি হয়। সেই সাথে বিক্রি হয় গোল্ড এবং হোয়াইট গোল্ড। এন্টওয়ার্প শহরে প্রচুর চকলেট এর দোকান রয়েছে। শহরটি চকলেট এর শহর নামেও পরিচিত। এই শহরে প্রাচীন এবং ঐতিহ্যবাহী অনেক স্থাপনা রয়েছে। তার মধ্যে রয়েছে সেন্ট্রাল রেলস্টেশন। এটি অনেক সুন্দর একটি জায়গা। ইউরোপের প্রায় সব জায়গা থেকেই এখানে ট্রেন আসে। এখানে অনেক দর্শনার্থীও দেখলাম পৃথিবীর বিভিন্ন প্রান্ত থেকে এসেছে। আমার কাছেও রেল স্টেশনটি চমৎকার লেগেছে। আশেপাশে অনেক ইন্ডিয়ান দোকানও দেখা যায়। আরেকটি দর্শনীয় জায়গা হল এন্টওয়ার্প সিটি হল। এটি ১৫৬১ সাল থেকে ১৫৬৫ সালে নির্মিত হয়েছিল। এটি একটি ইউনেস্কো বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান। সারা বিশ্ব থেকে বহু পর্যটক এখানে আসে। এই সিটি হলের সামনে হর্স রাইডিং এর ব্যবস্থা রয়েছে। অনেকেই ঘোড়ায় চড়ে শহর ঘুরে বেড়ান। আমি মেট্রোরেলে শহরের কিছু জায়গায় ঘুরে বেড়িয়েছি। কিছু কিছু জায়গায় ইন্ডিয়ান রেস্টুরেন্ট রয়েছে সেখানে খাবার খেয়েছি। শহরের পরিবেশ খুবই সুন্দর,সেখানে হাটতেও অনেক ভালো লাগে। এখনো শহরের স্মৃতিগুলো মনের মধ্যে গা্ঁথা রয়েছে।






«
Next
Newer Post
»
Previous
Older Post

No comments:

Leave a Reply