Sponsor



Slider

বিশ্ব

জাতীয়

সাম্প্রতিক খবর


খেলাধুলা

বিনোদন

ফিচার

mujib

w

যাবতীয় খবর

জিওগ্রাফিক্যাল

ফেসবুকে মুজিবনগর খবর

» » » সঞ্জীব চৌধুরীকে নিয়ে বই ‘সঞ্জীবনামা’




বাংলা গানের বিস্ময়কর প্রতিভা সঞ্জীব চৌধুরী। জীবদ্দশায় উপহার দিয়েছেন অসংখ্য কালজয়ী গান, যা তরুণ প্রজন্মের কাছে এখনও অনুপ্রেরণার সিঁড়ি। নিজের কথা, সুর আর কণ্ঠের মায়াজালে সবাইকে মোহিত করে ২০০৭ সালে পৃথিবীর মায়া ত্যাগ করেন এই ক্ষণজন্মা শিল্পী। এছাড়া, সাংবাদিকতার জগতে ফিচার লেখনীতে ভিন্ন মাত্রা যোগ করেন তিনি। অমর একুশে বইমেলায় প্রকাশিত হয়েছে সঞ্জীব চৌধুরীর জীবনীভিত্তিক গ্রন্থ ‘সঞ্জীবনামা’। বইটির সংকলন ও সম্পাদনার দায়িত্ব পালন করেছেন সংগীতশিল্পী জয় শাহরিয়ার। বইটিতে স্মৃতিকথনে সঞ্জীব চৌধুরীর জীবন ও দর্শন তুলে ধরেছেন ইরাজ আহমেদ, আনিসুল হক, আবিদা নাসরীন কলি, টোকন ঠাকুর, বাপ্পা মজুমদার, শেখ রানা, মহাকাশ মিলন, শাহান কবন্ধ, আকলিমা নাসরীন লিপি, সাহস মোস্তাফিজ ও জয় শাহরিয়ার। বইটিতে সঞ্জীব চৌধুরীর প্রকাশিত সব গানের তথ্যভাণ্ডার লিপিবদ্ধ করা হয়েছে। গায়ক, গীতিকবি ও সুরকার হিসেবে তার প্রকাশিত কাজের ৩টি আলাদা ডিস্কোগ্রাফি তৈরি করেছেন জয় শাহরিয়ার। বইটিতে রয়েছে সঞ্জীবের দুর্লভ কিছু ছবি। প্রচ্ছদে ব্যবহৃত পোর্ট্রেইটটি এঁকেছেন সঞ্জীব চৌধুরীর কন্যা কিংবদন্তি চৌধুরী। ১২৮ পৃষ্ঠার বইটির মুদ্রিত মূল্য ৪০০ টাকা। ২৫% ছাড়ে ৩০০ টাকায় পাওয়া যাবে মেলায়, আজব প্রকাশের ৩৯২-৩৯৩ নম্বর স্টলে। এছাড়াও, দেশের সব অনলাইন বুকশপে পাওয়া যাচ্ছে ‘সঞ্জীবনামা’। বইটি প্রসঙ্গে জয় শাহরিয়ার বলেন, সঞ্জীব চৌধুরী আমার ভাবনার স্কুল। ১৭ বছর আগে পৃথিবীর মায়া ত্যাগ করেন তিনি। দাদার জীবন ও কর্মকে এক মলাটে সংরক্ষণের ক্ষুদ্র প্রয়াস এই ‘সঞ্জীবনামা’। সঞ্জীবদার সৃষ্টি, সব গানের তথ্যভাণ্ডার লিপিবদ্ধ করেছি এই বইতে, যা যুগ থেকে যুগান্তরে তার কাজ সম্পর্কে জানতে তথ্য সহায়িকা হিসেবে কাজ করবে। এ কাজটি করতে পেরে তৃপ্ত বলে জানান তিনি। এর আগে, জয় শাহরিয়ারের সংকলন ও সম্পাদনায় প্রকাশিত হয় আরও দুটি বই। ২০২২ সালে কুমার বিশ্বজিৎকে নিয়ে ‘এবং বিশ্বজিৎ’ এবং ২০২৩ সালে আইয়ুব বাচ্চুকে নিয়ে ‘রুপালি গিটার’ প্রকাশিত হয়। প্রসঙ্গত, জনপ্রিয় ব্যান্ড ‘দলছুট’-এর অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা সঞ্জীব চৌধুরী। ব্যান্ডটির ৪টি অ্যালবামে কাজ করার পাশাপাশি অনেক গান রচনা ও সুর করেছেন তিনি। তার মধ্যে ‘আমি তোমাকেই বলে দেবো’, ‘সমুদ্র সন্তান’, ‘জোছনা বিহার’, ‘গাছ’, ‘তোমার ভাঁজ খোলো’, ‘স্বপ্নবাজি’ প্রভৃতি উল্লেখযোগ্য। ১৯৬২ সালের ২৫ ডিসেম্বর হবিগঞ্জ জেলার বানিয়াচং উপজেলায় জন্ম সঞ্জীব চৌধুরীর। ২০০৭ সালের ১৯ নভেম্বর বাইল্যাটারাল সেরিব্রাল স্কিমিক স্ট্রোকে শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি।






«
Next
Newer Post
»
Previous
Older Post

No comments:

Leave a Reply