Sponsor



Slider

বিশ্ব

জাতীয়

সাম্প্রতিক খবর


খেলাধুলা

বিনোদন

ফিচার

mujib

w

যাবতীয় খবর

জিওগ্রাফিক্যাল

ফেসবুকে মুজিবনগর খবর

» » » গাংনীর ডি ক্যাটাগরীর বীর মুক্তিযোদ্ধাগন পূনরায় যাচাই—বাছাই এর আওতামুক্ত রাখার জন্য আবেদন




মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্ট কর্তৃক ইতিপূর্বে দুইবার যাচাই—বাছাই সম্পন্ন হওয়া এবং যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা হিসাবে সর্বোচ্চ আদালতের রায়প্রাপ্ত গাংনী উপজেলার মুক্তিযোদ্ধাদেরকে পূনরায় যাচাই—বাছাই এর আওতামুক্ত রাখার জন্য সু—দৃষ্টি প্রার্থনা সহ সদয় বিবেচনার জন্য আবেদন করেছেন গাংনীর ডি ক্যাটাগরীর বীর মুক্তিযোদ্ধাগন। আবেদেন পত্রটি মাননীয় ব্যবস্থাপনা পরিচালক (অতিরিক্ত সচিব) বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্ট ঢাকা ‡gv. gvneyeyi ingvb বরাবর প্রেরণ করা হয়েছে। আবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, গত ইংরেজি ২৭/১১/৯৮ তারিখে মাননীয় প্রধান মন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্ট—এর ট্রাস্টি বোর্ডের ৬০তম সভার সিদ্ধান্ত এবং নিদের্শ ক্রমে প্রত্যেক জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারের মাধ্যমে ও তদন্ত ও যাচাই—বাছাই সাপেক্ষে মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্টের যুদ্ধাহত ভাতা প্রদানের সিদ্ধান্ত হয় পি—ও ৯৪/১৯৭২—এর নীতিমালার আলোকে। সে প্রেক্ষিতে তারা যথাযথ নিয়মে ও প্রক্রিয়ায় ভাতাভুক্তি বা ভাতা প্রাপ্তির তালিকাভূক্ত হন। ভাতা প্রদানের প্রক্রিয়া চলাকালীন সময়ের মাঝামাঝি রাষ্ট্রীয় সরকার পরিবর্তন হয়। ফলে সরকারী বিধি মোতাবেক ভাতা প্রাপ্তির তালিকাভূক্ত হয়ে অপেক্ষমান থাকেন। ২০০১ সালের শেষ দিকে নতুন সরকার ২০০২ সালে নতুন নীতিমালায় ভাতা প্রদানে মহামান্য রাষ্ট্রপতির আদেশে গঠিত উচ্চতর যাচাই—বাছাই কমিটি কর্তৃক ঢাকা সি এম এইচ এ যাচাই—বাছাই ও দেহিক পরীক্ষা—নিরীক্ষা সম্পন্ন করেন।

মুক্তিযোদ্ধাদেরকে ১—১৯% পঙ্গুত্ব বা “এফ” ক্যাটাগরী (বর্তমানে— ডি) বা ৫% যুদ্ধাহত হিসাবে চিহ্নিত করিয়া বৈষম্যের বেড়াজালে আটকে দেওয়া হয়। পূর্ববর্তী নীতিমালার আলোকে সমযোগ্যতা নিয়ে একই তালিকাভুক্ত থাকা সহযোদ্ধারাও ৫% “এফ” হিসাবে চিহ্নিত হয়েছিল, কিন্তু আদালতের রায়ের প্রেক্ষিতে তাদের ক্যাটাগরী পরিবর্তন বন্ধ হয়েছে। কিন্তু যুদ্ধাহত কিছু মুক্তিযোদ্ধা শুরু থেকে অদ্যাবধি পর্যন্ত “এফ” বা ডি শ্রেণীভূত থেকে প্রকৃত সুযোগ—সুবিধাদি থেতে বঞ্চিত হন। ২০০৩ সাল থেকেই তারা বহুবার বহুভাবে এই বৈষম্য নিরসন প্রার্থনা করে যথাযথ সম্মানিত কর্তৃপক্ষ মহোদয়গনের নিকট সবিনয় আবেদন নিবেদন জানিয়ে আসছেন। কিন্তু কোনভাবেই সদাশয় কর্তৃপক্ষের কোন সাড়া মেলেনি। শেষ অবদি হতাশা নিয়ে একান্ত নিরুপায় হয়ে ২০০৯/২০০০৯ সালে মাননীয় আদালতের স্বরনাপন্ন হন। মাননীয় আদালত বিষয়গুলো অনুধাবন করেছেন এবং দীর্ঘ শুনানী শেষে রিট পিটিশন নং—২৭১৬/২০০৯ এর উপর ০১/১২/২০১২ তারিখে মুক্তিযোদ্ধাদের পক্ষে রায় দেন। রায় ঘোষনার পরে দীর্ঘদিন ক্যার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ না করায় ১৮/১১/২০১৪ তারিখে কনটেম্পট অব কোর্টে মামলা করে। মামলা শুনানী চলাকালীন সময়ে কল্যাণ ট্রাস্টের সম্মানিত ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও পরিচালক মহোদয় আদালতে উপস্থিত থেকে আগামী ০১(এক) মাসের মধ্যে রায় বাস্তবায়নের অঙ্গীকার ঘোষনা করেন। কিন্তু ১ মাস পূর্ণ হওয়ার পূর্বেই আইনী কৌশলে মামলাটি অপর একটি সিভিল আপীল মামলা নং ৫৬/২০১৩ এর সাথে যুক্ত করে দিয়ে বিষয়টি আরো জটিল ও বিলম্বিত করার ব্যবস্থা নেওয়া হয় বলে দাবী করছেন তারা। তবে ৫৬/২০১৩ মামলাটিতে মাননীয় সুপ্রীম কোর্ট ও মুক্তিযোদ্ধাদের পক্ষেই রায় দেন ইং ১৮/০৭/২০১৩ তারিখে। জয়লাভ করার পরে মাননীয় সুপ্রীম কোর্ট থেকে পূনরায় মামলাটিকে পূনঃ পর্যালোচনা পূর্বক বা সংশোধন মূলক রায় প্রদানের জন্যে হাইকোর্ট বিভাগে প্রেরীত হয়। ইংরেজি ০২/০৮/১৮ তারিখে হাইকোর্ট বিভাগ থেকে পূণরায় তাদের পক্ষেই রায় ঘোষনা করেন। অন্যদিকে তাদের বিপক্ষে সুপ্রীম কোর্টে দায়েরকৃত আপীল মামলা নং ৩১০১/২০১৪ যা ২১/০৫/২০১৫ তারিখে খারিজ হয়ে যায়। মুক্তিযোদ্ধাদের পক্ষে হওয়া রায়ের বিরুদ্ধে সিভিল পিটিশন ফর লিভটু আপীল নং ৩৭/২০১৯ যা প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বে ৫জন বিচারপতি গত ২২ নভেম্বর ২০২১ তারিখে রায় ঘোষনা করেন। ইতিপূর্বে ঘোষিত সকল রায় ন্যায্য ও সঠিক থাকায় কল্যাণ ট্রাস্টর আনীত আপীল আবেদন খারিজ করে দেন। এরপর আবারো রায় সমূহের বিপক্ষে/বিরুদ্ধে সিভিল রিভিউ পিটিশন করা হয়, যাহার নং ১৪০/২০২২। প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বে ৫জন বিচারপতি ৪/০১/২৪ তারিখে এই রিভিউ মামলাটি খারিজ করে দিয়েছেন। এমতাবস্থায়, রাষ্ট্র পক্ষের আপীল এবং সর্বশেষ রিভিউ কার্যক্রম শেষে বা রায়ে যুদ্ধাহত ক্যটাগরী উন্নত ধাপে পরিবর্তন, যুদ্ধাহত গেজেটে নাম প্রকাশ, ভাতা সহ অন্যান্য সুবিধাদি প্রদানের রায় বাস্তবায়নসহ নতুন করে যাচাই—বাছাই এর হয়রানী, অপমান,অপদস্থ হওয়া থেকে রেহাই প্রদানের আবেদন জানিয়েছেন তারা।






«
Next
Newer Post
»
Previous
Older Post

No comments:

Leave a Reply