Sponsor



Slider

দেশ

মেহেরপুর জেলা খবর

মেহেরপুর সদর উপজেলা


গাংনী উপজেলা

মুজিবনগর উপজেলা

ফিচার

খেলা

যাবতীয়

ছবি

ফেসবুকে মুজিবনগর খবর

» » » » » » বুকে নয় পায়ে ব্যথাও হতে পারে হৃদরোগের আগাম সংকেত! কীভাবে বুঝবেন কোন ব্যথা প্রাণঘাতী?




বুকে নয় পায়ে ব্যথাও হতে পারে হৃদরোগের আগাম সংকেত! কীভাবে বুঝবেন কোন ব্যথা প্রাণঘাতী? মহামারী বললেই মাথায় আসে ম্যালেরিয়া, কলেরা প্রভৃতি রোগের কথা। কিংবা সাম্প্রতিক কালের কোভিড। অথচ সকলের চোখের আড়ালেই ক্রমাগত প্রাণ নিয়ে চলেছে এমন একটি রোগ যার থাবায় পৃথিবীতে প্রতি বছর মারা যান লক্ষ লক্ষ মানুষ। কার্ডিও ভাসকুলার ডিজিজ বা সিভিডি। অর্থাৎ সংবহন তন্ত্রের অসুখ। হৃদরোগ এবং স্ট্রোকের মতো প্রাণঘাতী অসুখও এই রোগের আওতায় পড়ে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সমীক্ষা বলছে, শুধুমাত্র ২০১৬ সালে প্রায় ১ কোটি ৮০ লক্ষ মানুষ কার্ডিও ভাসকুলার রোগে মারা গিয়েছেন ভারতে। এই রোগে পৃথিবীতে মোট যত মানুষ মারা গিয়েছেন তার মধ্যে ৩১ শতাংশ রোগীই মারা গিয়েছেন ভারতে। এর মধ্যে কেবল হৃদরোগ এবং স্ট্রোকে মারা গিয়েছেন ৮৫ শতাংশ মানুষ। সমস্যার কথা হল অধিকাংশ মানুষই জানেন কোন কোন কারনে হৃদরোগ হতে পারে। উচ্চ রক্তচাপ, অতিরিক্ত কোলেস্টেরল, ডায়াবেটিস, ধূমপান এবং বংশগতির কারণে এই রোগ হয়। তবে বর্তমানে উচ্চ রক্তচাপ এবং কোলেস্টেরলকেই এই রোগের প্রধান কারণ হিসাবে গণ্য হচ্ছে। সাধারণভাবে দেহের কোলেস্টেরল মাপার জন্য চিকিৎসকরা লিপিড প্রোফাইল পরীক্ষা করতে দেন। এই পরীক্ষার মাধ্যমে লো ডেন্সিটি লাইফোপ্রোটিন এবং হাই ডেনসিটি লাইপো প্রোটিন অর্থাৎ এল-ডি-এল এবং এইচ-ডি-এল এর পরিমাণ জানা যায়। এর মধ্যে এলডিএলকে খারাপ এবং এইচডিএলকে ভাল কোলেস্টেরল বলে গণ্য করা হয়। সাধারণত দেহে কোলেস্টেরল বাড়লে বোঝা কঠিন। উচ্চ কোলেস্টেরল গুপ্ত ঘাতকের মতো আঘাত হানে। তাই সময় থাকতেই সতর্ক হওয়া প্রয়োজন। অনিয়ন্ত্রিত জীবনযাপন, অনিয়মিত খাওয়াদাওয়া, মদ্যপানের মতো বিভিন্ন কারণে রক্তে কোলেস্টেরলের মাত্রা বাড়ে। আর কোলেস্টেরল বাড়লে ঝুঁকি বাড়ে হৃদ্‌রোগেরও। ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি গবেষণা বলছে, কোলেস্টেরলের সমস্যার প্রাথমিক লক্ষণ হতে পারে নিতম্ব ও পায়ের বিভিন্ন অংশের ব্যথা। বিশেষ করে ঊরুর পেশিতে ব্যথা হলে তা মোটেই ভাল লক্ষণ নয়। গবেষকরা জানাচ্ছেন, দেহের বিভিন্ন অঙ্গে রক্ত সঞ্চালিত হয় ধমনীর মধ্য দিয়ে। কোলেস্টেরলের পরিমাণ বেড়ে গেলে সেই ধমনীগুলির ভিতর চর্বির আস্তরণ পড়ে। বিজ্ঞানের ভাষায় একে ‘অ্যাথেরোস্ক্লেরোসিস’ বলে। এই সমস্যা দেখা দিলে ধমনীতে রক্ত চলাচলের পথ রুদ্ধ হয়ে আসতে পারে। যখন দেহের প্রান্তিক অঙ্গগুলি অর্থাৎ হাত বা পায়ে এই সমস্যা দেখা দেয় তখন তাকে বলে ‘পেরিফেরাল আর্টারি ডিজিজ’ বা ‘পিএডি’। এই অসুখেই ব্যথা হয় পায়ে। গবেষণা বলছে, এই রোগে পায়ের একাধিক অংশে ব্যথা ও টান ধরার সমস্যা দেখা দিতে পারে। পায়ের পাতা, নিতম্ব ও ঊরুর পেশি সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত হয় এই রোগে। হাঁটতে গেলেও হতে পারে ব্যথা। তা ছাড়া পায়ের পাতা, পায়ের আঙুল নীলচে হয়ে আসা, ক্ষত শুকোতে দেরি হওয়া কিংবা এক পায়ের পাতার তাপমাত্রা অন্য পায়ের তুলনায় কম হওয়াও এই রোগের লক্ষণ। শুধু পা নয়, একই সমস্যা দেখা দিতে পারে হাতেও। কাজেই এমন সমস্যা দেখা দিলে অবিলম্বে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া বাঞ্ছনীয়। গ্রন্থনা:অধ্যক্ষ মহসীন আলী আঙ্গুঁর ,সম্পাদক ও প্রকাশক, মুজিবনগর খবর ডট কম,মেহেরপুর।






«
Next
Newer Post
»
Previous
Older Post

No comments:

Leave a Reply