Sponsor



Slider

দেশ

মেহেরপুর জেলা খবর

মেহেরপুর সদর উপজেলা


গাংনী উপজেলা

মুজিবনগর উপজেলা

ফিচার

খেলা

যাবতীয়

ছবি

ফেসবুকে মুজিবনগর খবর

» » » » » কবুতরও বাচ্চাদের ‘দুধ’ দেয় কিন্তু কীভাবে




কবুতরও বাচ্চাদের ‘দুধ’ দেয় কিন্তু কীভাবে

স্তন্যপায়ী না হয়েও দুধ দেয় কবুতর। বিষয়টি জেনে হয়তো অনেকেই হতবাক হবেন। কেননা- স্তন্যপায়ী প্রাণীরাই সাধারণত দুধ দেয়। যেমন- গরু, ছাগল, উট, ঘোড়া ইত্যাদি। স্তন্যপায়ী প্রাণী নয় অথচ পাখি হয়েও ডিম পাড়ার পাশাপাশি দুধও দেয় কবুতর। ডিম থেকে জন্ম নেওয়া বাচ্চাদের নিজের দুধ খাওয়ায় এরা। তবে কবুতরের স্তনবৃন্ত নেই। ত্বক থেকে নিঃসৃত হওয়া মা কবুতরের দুধ খায় শাবকরা। কবুতরের বাচ্চাদের খাওয়ানোর জন্য এ দুধ মায়ের স্তন গ্রন্থি থেকে আসে না। দুধ তৈরি হওয়া এই এলাকাকে ক্রপ (crop) বলে। এ দুধ কবুতরের খাদ্যনালির নিচের অংশে থাকা এক বিশেষ গ্রন্থি থেকে আসে। এ গ্রন্থিকে অ্যান্টিরিত্তর পিটুইটারি গ্রন্থি বলে। আর গ্রন্থির প্রোল্যাকটিন (Prolactin) হরমোনের প্রভাবে এ দুধ উৎপন্ন হয়। ডিমে তা দিতে বসার প্রায় অষ্টম দিন থেকে এ দুধ উৎপাদনের প্রস্তুতি শুরু হয়। মা কবুতররা খাদ্য থলি থেকে এ খাবার মুখে তুলে এনে বাচ্চাদের খাওয়ায়। আর এ প্রক্রিয়া চলে ডিম ফোটার পর প্রথম ১০ দিন পর্যন্ত। এ দুধ সাধারণ দুধের মতো সাদা বা তরল নয়, বরং কিছুটা পুরু আর হলদেটে হয়। তবু, এতে দুধের মতোই পুষ্টি আর রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা থাকে। এ বিষয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ফিরোজ জামান বলেন, এ দুধকে পিজিয়ন মিল্ক বলে। কবুতররা যে শস্য দানা খায়, সেই খাবার থেকে তাদের বাচ্চাদের খাওয়ানোর জন্য খাদ্য থলিতে রাখে। সেখানে তাদের গ্রন্থি থেকে এক ধরনের সাদা তরল নিঃসরিত হয়, যা ওই খাবারকে ভিজিয়ে তরল মণ্ডের মতো বানায়। বাচ্চাদের খাওয়ানোর সময় কবুতর সেই তরল খাদ্য তাদের খাদ্য থলি থেকে মুখের দিকে বের করে নিয়ে আসে। এটি তারা করে যেন সহজেই তাদের বাচ্চারা এ খাবার গিলতে পারে বা খেতে পারে। গ্রন্থি থেকে নিঃসরিত সাদা এ তরল পদার্থকেই বলা হয় পিজিয়িন মিল্ক বা ক্রপ মিল্ক। কবুতর ছাড়াও আরও কিছু পাখি আছে যারা এমন ক্রপ মিল্ক (crop milk) তৈরি করে বাচ্চাদের খাওয়ায়। যেমন- পেঙ্গুইন ও ফ্ল্যামিঙ্গো। কবুতরের ক্ষেত্রে- পুরুষ ও মহিলা উভয় পাখিই এ দুধ তৈরি করে তাদের ছানাদের খাওয়ায়। পেঙ্গুইনের ক্ষেত্রে- কেবল পুরুষরাই এ দুধ তৈরি করে। ফ্লেমিংগোর ক্ষেত্রেও পুরুষ ও মহিলা উভয় পাখিই এ দুধ তৈরি করে। কবুতর ছাড়া হাঁসসহ অন্য কিছু পাখিও ফসলের দুধ তৈরি করতে পারে, যা তাদের ছানাদের খাওয়ানোর জন্য ব্যবহার করে। এ দুধ স্তন্যপায়ী প্রাণীদের মতো স্তন গ্রন্থি থেকে আসে না বরং পাখির খাদ্যনালিতে তৈরি হয়। ফসলের দুধ পাখির ছানাদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ পুষ্টিকর খাবার, যা তাদের বৃদ্ধি ও বিকাশে সহায়তা করে। গ্রন্থনা:অধ্যক্ষ মহসীন আলী আঙ্গুঁর ,সম্পাদক ও প্রকাশক, মুজিবনগর খবর ডট কম,মেহেরপুর।






«
Next
Newer Post
»
Previous
Older Post

No comments:

Leave a Reply