বিশ্বের সবচেয়ে ভয়ংকর পাখি বললে প্রথমেই যার নাম আসে, সেটি হলো সাউদার্ন ক্যাসোয়ারি (Southern Cassowary)।
এই পাখিটি শুধু আকারেই নয়, তার আক্রমণক্ষমতার কারণেও ভয়ঙ্কর। শক্তিশালী দুই পা আর তীক্ষ্ণ নখ দিয়ে এমন জোরে লাথি মারতে পারে যে মানুষ মারাত্মকভাবে আহত— এমনকি মৃত্যুবরণও করতে পারে! এদের বাস অস্ট্রেলিয়া ও নিউ গিনির ঘন জঙ্গলে। মাথার উপরে হেলমেটের মতো শক্ত অংশ আর গলায় ঝুলে থাকা উজ্জ্বল নীল-লাল রঙের ত্বক দেখে একে অনেকটা প্রাগৈতিহাসিক প্রাণী বা ছোট ডাইনোসরের মতো মনে হয়।আশ্চর্যজনক হলেও সত্যি, এরা প্রকৃতির ভারসাম্য রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। বিশেষ করে বিভিন্ন ফল খেয়ে তার বীজ ছড়িয়ে দিয়ে বনের নতুন গাছ জন্মাতে সাহায্য করে।
অতএব, ক্যাসোয়ারি যেমন বিপজ্জনক, তেমনি বন ও পরিবেশের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণও বটে।।গ্রন্থনা:অধ্যক্ষ মহসীন আলী আঙ্গুঁর ,সম্পাদক ও প্রকাশক, মুজিবনগর খবর ডট কম,মেহেরপুর।বিশ্বের সবচেয়ে ভয়ংকর পাখি বললে প্রথমেই যার নাম আসে, সেটি হলো সাউদার্ন ক্যাসোয়ারি
বিশ্বের সবচেয়ে ভয়ংকর পাখি বললে প্রথমেই যার নাম আসে, সেটি হলো সাউদার্ন ক্যাসোয়ারি (Southern Cassowary)।
এই পাখিটি শুধু আকারেই নয়, তার আক্রমণক্ষমতার কারণেও ভয়ঙ্কর। শক্তিশালী দুই পা আর তীক্ষ্ণ নখ দিয়ে এমন জোরে লাথি মারতে পারে যে মানুষ মারাত্মকভাবে আহত— এমনকি মৃত্যুবরণও করতে পারে! এদের বাস অস্ট্রেলিয়া ও নিউ গিনির ঘন জঙ্গলে। মাথার উপরে হেলমেটের মতো শক্ত অংশ আর গলায় ঝুলে থাকা উজ্জ্বল নীল-লাল রঙের ত্বক দেখে একে অনেকটা প্রাগৈতিহাসিক প্রাণী বা ছোট ডাইনোসরের মতো মনে হয়।আশ্চর্যজনক হলেও সত্যি, এরা প্রকৃতির ভারসাম্য রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। বিশেষ করে বিভিন্ন ফল খেয়ে তার বীজ ছড়িয়ে দিয়ে বনের নতুন গাছ জন্মাতে সাহায্য করে।
অতএব, ক্যাসোয়ারি যেমন বিপজ্জনক, তেমনি বন ও পরিবেশের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণও বটে।।গ্রন্থনা:অধ্যক্ষ মহসীন আলী আঙ্গুঁর ,সম্পাদক ও প্রকাশক, মুজিবনগর খবর ডট কম,মেহেরপুর।
No comments: