Sponsor



Slider

দেশ

মেহেরপুর জেলা খবর

মেহেরপুর সদর উপজেলা


গাংনী উপজেলা

মুজিবনগর উপজেলা

ফিচার

খেলা

যাবতীয়

ছবি

ফেসবুকে মুজিবনগর খবর

» » » দুশ্চিন্তায় অল্প বয়সেই চুলে পাক, কারণ ব্যাখ্যা করলেন বিজ্ঞানীরা




দুশ্চিন্তায় অল্প বয়সেই চুলে পাক, কারণ ব্যাখ্যা করলেন বিজ্ঞানীরা চুল পাকার সঙ্গে ম্যালানোসাইট স্টেম সেলের সম্পর্ক রয়েছে। এ স্টেম সেল থেকে উৎপাদিত হয় চুল ও ত্বকের রঙ নির্ধারণকারী রঞ্জক ম্যালানিন। ইঁদুরের ওপর পরীক্ষার ফলাফলে দেখে তারা প্রথমে স্তম্ভিত হয়ে যান। তারা দেখেন, মানসিক চাপের সময় অতিমাত্রায় হরমোন নিঃসরণই অল্প বয়সে চুল পাকার কারণ। বয়স বাড়ার অন্যতম লক্ষণ হলো পাকা চুল। তবে অনেকের অল্প বয়সেই চুল পাকতে শুরু করে। এমন ঘটনাকে প্রকাশ করা হয় ‘কুড়িতেই বুড়ি’ এমন শব্দবন্ধের মাধ্যমে। বিজ্ঞানীরা মনে করছেন, শুধু বাড়লেই যে কালো চুল ধূসর বা ধবধবে সাদা হয়ে যাবে এমনটা নয়, মানসিক চাপের কারণেও রাতারাতি মাথাভর্তি কালো সাদা হয়ে যেতে পারে। সাম্প্রতিক এক গবেষণায় মানসিক চাপের ফলে চুল পেকে যাওয়ার প্রাণ-রাসায়নিক কারণ খুঁজে পাওয়া গেছে।

সাও পাওলো এবং হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল গবেষক চুল পাকার রহস্য উদ্ধারে ইঁদুরের ওপর পরীক্ষা চালায়। মানুষের সাধারণ ত্রিশের পর প্রাকৃতিকভাবেই চুলে হালকা পাতলা সাদা রঙ ধরে। কিন্তু অল্প বয়সে চুল পাকার ক্ষেত্রে উদ্বেগ উৎকণ্টা বা মানসিক চাপের প্রভাব কেমন সেটি পরিষ্কার ছিল না। ইঁদুরের ওপর গবেষণায় দেখা যায়, ইঁদুরকে ব্যথা দিলে ত্বক ও চুলের রঙ নিয়ন্ত্রণকারী স্টেমসেল নষ্ট হয়ে যায়। শরীর থেকে প্রচুর পরিমাণ অ্যাড্রেনালিন এবং কর্টিসল হরমোন নিঃসৃত হতে থাকে। হৃদস্পন্দন ও রক্তচাপ বেড়ে যায়, স্নায়ুতন্ত্রকে প্রভাবিত করে এবং তীব্র মানসিক চাপ সৃষ্টি করে। এতে চুল বা লোমের রঞ্জক গুটিকায় থাকা স্টেম সেলগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এসব স্টেম সেল ম্যালানিন তৈরি করে। ফলে কুচকুচে কালো ইঁদুরগুলো কয়েক সপ্তাহের মধ্যে পুরোপুরি সাদা হয়ে যায়। গবেষকদের বিশ্বাস, চুল পাকার সঙ্গে ম্যালানোসাইট স্টেম সেলের সম্পর্ক রয়েছে। এ স্টেম সেল থেকে উৎপাদিত হয় চুল ও ত্বকের রঙ নির্ধারণকারী রঞ্জক ম্যালানিন। ইঁদুরের ওপর পরীক্ষার ফলাফলে দেখে তারা প্রথমে স্তম্ভিত হয়ে যান। তারা দেখেন, মানসিক চাপের সময় অতিমাত্রায় হরমোন নিঃসরণই অল্প বয়সে চুল পাকার কারণ। হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক প্রফেসর ইয়া চিয়ে সু বলেন, আমরা এখন নিশ্চিতভাবে জানি ত্বক এবং চুলের এই নির্দিষ্ট পরিবর্তনের জন্য মানসিক চাপ দায়ী । এটিও জানি কীভাবে তা কাজ করে। তিনি আরো বলেন, মানসিক চাপ শুধু শরীরের জন্য খারাপ তা নয়। এই চাপে রঞ্জক পুনরুৎপাদনকারী স্টেম সেল পুরোপুরি নষ্ট হয়ে যায়। সুতরাং চুল একবার পাকলে যতই চেষ্টা করা হোক চুল পাকা আর বন্ধ হবে না। একই গবেষণার অন্য পরীক্ষণে ব্যথা দেয়ার সময় ইঁদুরগলোকে অ্যান্টি হাইপারটেনসিভ ওষুদ দেয়া হয়। এ ধরনের ওষুদ উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে ব্যবহার করা হয়। দেখা যায় একই ধরনের চাপে থাকা এসব ইঁদুরের লোম সাদা হচ্ছে না। তবে ড. সু বলেন, ইঁদুরের ওপর করা পরীক্ষালব্ধ আবিষ্কার এখনই মানুষের ওপর প্রয়োগ করা সম্ভব নয়। মানুষের চুল পাকা রোধে ব্যবস্থা নিতে তাদের আরো বিস্তারিত ও গভীর গবেষণার দরকার আছে।






«
Next
Newer Post
»
Previous
Older Post

No comments:

Leave a Reply