Sponsor



Slider

দেশ

মেহেরপুর জেলা খবর

মেহেরপুর সদর উপজেলা


গাংনী উপজেলা

মুজিবনগর উপজেলা

ফিচার

খেলা

যাবতীয়

ছবি

ফেসবুকে মুজিবনগর খবর

মুজিবনগর উপজেলার পুরন্দরপুর গ্রামের ভাংড়ির দোকান পুড়ে ছাই হয়ে গেছে

মুজিবনগর উপজেলার পুরন্দরপুর গ্রামের ভাংড়ির দোকান পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। শুকবার দিবাগত মধ্যরাতে আকষ্মিক ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে দোকানের সব মালামাল পুড়ে যায়। এতে আলমগীর হোসেনের আনুমানিক পয়ত্রিশ লক্ষ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। বৈদ্যুতিক শক সার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত বলে ধারণা করছে ফায়ার সার্ভিস। ‌ জানা গেছে, পুরন্দরপুর গ্রামে এক বিঘা জমির উপর আলমগীর হোসেনের ভাংড়ির দোকান ছিল। গেল মধ্যরাতে আকষ্মিক তার দোকানে আগুন ধরে যায়। ‌ মুহূর্তেই তা পুরো দোকানে ছড়িয়ে পড়ে। ‌ খবর পেয়ে সেনাবাহিনী, ফায়ার সার্ভিস ও মুজিবনগর থানা পুলিশের একাধিক দল আগুন নেভানোর কাজে সহায়তা করেন। তবে মুহূর্তেই দোকানের সবকিছু পুড়ে ছাই হয়ে যায়। মুজিবনগর থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান জানান, শক সার্কিট থেকে আগুন ধরতে পারে বলে প্রাথমিকভাবে চিহ্নিত করেছে ফায়ার সার্ভিস। তবে এর পেছনে অন্য কোন রহস্য আছে কিনা তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।মুজিবনগর খবরে নিউজ এর জন্য যোগা জোগ করুন :: আসফারুল হাসান সুমন, উপদেষ্টা সম্পাদক ,মোবাইল:০১৭২২২২৬৬০৬, সাহেদুজ্জামান রিপন ,যুগ্মবার্তা সম্পাদক ,মোবাইল:০১৭২৩০০৪৩০০, মহসীন আলী আঙ্গুঁর ,সম্পাদক ও প্রকাশক, মুজিবনগর খবর ডট কম,মেহেরপুর।

গাংনী উপজেলা পরিষদ চত্বরে অবস্থিত শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ

মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে মেহেরপুরের গাংনী উপজেলা পরিষদ চত্বরে অবস্থিত শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়েছে। সােমবার প্রথম প্রহরে গাংনী উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে ৩১বার তােপধ্বনির মাধ্যমে দিবসের সূচনা হয়। পরে শহীদ মিনারে উপজেলা প্রশাসনসহ সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন দপ্তর ও সংগঠনের পক্ষ থেকে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়। উপজেলা প্রশাসনের পক্ষে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার প্রীতম সাহা। এসময় উপস্থিত ছিলেন সরকারের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তাবৃন্দ।

নারী নির্যাতন মামলার তদন্তকালে লাঞ্চিত হলেন গাংনী উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার

নারী নির্যাতন মামলার তদন্তকালে লাঞ্চিত হলেন গাংনী উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার আদালতের একটি নারী নির্যাতন মামলার তদন্ত চলাকালীন সময়ে লাঞ্ছিত হয়েছেন মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার হোসনে মোবারক। সোমবার (৪ নভেম্বর) দুপুরে এ ঘটনাটি ঘটে। ঘটনার নেপথ্য ও সিসিটিভির ফুটেজ দেখে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান গাংনী উপজেলা নির্বাহী অফিসার প্রীতম সাহা।
উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার হোসনে মোবারক জানান, মেহেরপুর মোকাম নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল পিটিশন মামলা নং ১০৮/২০২৪ তদন্তের জন্য তাকে দ্বায়িত্ব দেওয়া হয়। আজ দুপুরে মামলাটির শুনানীর জন্য বাদী বিবাদীকে হাজির হতে বলা হয়। মামলাটির তদন্ত চলাকালীন সময়ে শিক্ষা অফিসের বাইরে বাদী ও বিবাদী পক্ষের লোকজনের মধ্যে বাক বিতন্ডা হয়। এসময় তিনি উভয় পক্ষকে শান্ত থাকার আহবান জানান। এক পর্যায়ে কয়েকজন যুবক তার প্রতি রাগান্বিত হয়ে মোবাইল ফোনটি কেড়ে নেয় ও লাঞ্ছিত করে। এতে প্রতিবাদ করে অফিস সহকারী তোফাজ্জেল হোসেন। এসময় তোফাজ্জেন হোসেনকেও লাঞ্ছিত করে যুবকেরা। ঘটনাটি তাৎক্ষনিকভাবে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও মেহেরপুর সেনাবাহিনীকে অবহিত করেন শিক্ষা অফিসার হোসনে মোবারক। খবর পেয়ে সেনাবাহিনী, র‌্যাব ও পুলিশের একটি টিম ঘটনাস্থলে আসে। এর আগেই সটকে পড়ে ওই যুবকেরা। উপজেলা নির্বাহী অফিসার প্রীতম সাহা ঘটনাস্থলে আসেন ও বিস্তারিত শোনেন। গাংনী উপজেলা নির্বাহী অফিসার প্রীতম সাহা জানান, তিনি বিস্তারিত ঘটনাটি শুনেছেন। সিসিটিভি ফুটেজ দেখে ও ঘটনাটির তদন্ত শেষে পরবতীর্ আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

গাংনীর বামন্দীতে দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ বিশেষ টাস্কফোর্সের ৩ হাজার টাকা জরিমানা করেছে

গাংনীর বামন্দীতে দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ বিশেষ টাস্কফোর্সের অভিযান গাংনীর বামন্দী বাজারের বাদল ট্রেডার্সকে ৩ হাজার টাকা জরিমানা করেছে মেহেরপুরের দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ বিশেষ টাস্কফোর্স। আজ সোমবার বিকেলে এ অভিযান চালানো হয়। সেই সাথে বিভিন্ন ব্যবসা প্রতিষ্ঠানকে সর্তক করা হয়। দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ বিশেষ টাস্কফোর্স সুত্রে জানা গেছে, মেহেরপুর জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের এনডিসি ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সাজেদুল ইসলামের নেতৃত্বে বিশেষ টাস্কফোর্স টিম বামন্দী বাজারের বাদল ট্রেডার্সে অভিযান চালায়। এসময় মূল্য তালিকা না থাকায় অত্যাবশকীয় পণ্য নিয়ন্ত্রণ আইন ১৯৫৬এর ৬/১ধারায় ৩ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। একই সময়ে কয়েকটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানকে মূল্য তালিকা না থাকায় তাদেরকে সতর্ক করা হয়। অভিযানে উপস্থিত ছিলেন, মেহেরপুর জেলা ক্যাবের সাধারণ সম্পাদক মাজেদুল হক মানিক, বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতা মুজাহিদুল ইসলাম। অভিযানে সহায়তা করেন বাংলাদেশ সেনা বাহিনীর একটি টিম

বিদ্রোহী ওয়াগনার নেতাদের ‘বিচারের আওতায় আনা’ হবে: পুতিন

রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ওয়াগনারের বিদ্রোহের পর এই গোষ্ঠীর নেতাদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগে বলেছেন যে, তারা “রাশিয়াকে রক্তক্ষয়ী সহিংসতার মাধ্যমে একটি শ্বাসরুদ্ধকর অবস্থায় দেখতে চেয়েছিলেন"। কঠোর সমালোচনায় পূর্ণ ছোট একটি ভিডিও বার্তায়, মি. পুতিন বিদ্রোহের সংগঠকদের ‘বিচারের আওতায়’ আনার শপথের কথা জানিয়েছেন। তবে তিনি সাধারণ ওয়াগনার যোদ্ধাদের “দেশপ্রেমিক” হিসেবে আখ্যায়িত করে বলেছেন, তারা চাইলে সেনাবাহিনীতে যোগ দিতে পারে, বেলারুশ যেতে পারে কিংবা ঘরে ফিরে আসতে পারে।KSRM তিনি সরাসরি ওয়াগনার গ্রুপের প্রধান ইয়েভগেনি প্রিগোজিন এর নাম উল্লেখ করেননি। মি. প্রিগোজিন এর আগে পুতিনকে ক্ষমতাচ্যুত করার প্রচেষ্টার কথা অস্বীকার করেছেন। ওয়াগনার হচ্ছে ভাড়াটে সেনাদের একটি বাহিনী যারা ইউক্রেন যুদ্ধে রুশ সামরিক বাহিনীর পাশাপাশি লড়াই করছিলো। ক্ষণস্থায়ী এক বিদ্রোহে ওয়াগনার যোদ্ধারা একটি গুরুত্বপূর্ণ রুশ শহরের দখল নেয়।। এরপর তারা সারিবদ্ধ সামরিক গাড়িবহর নিয়ে মস্কোর দিকে রওনা হয়। সোমবার টেলিগ্রামে প্রকাশিত ১১ মিনিটের এক অডিও বার্তায় প্রিগোজিন দাবি করেছেন যে, ওয়াগনার গোষ্ঠীর উপর সরকারের সরাসরি নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনার বিরুদ্ধে প্রতিক্রিয়া ছিল এটি। জুনে রাশিয়া বলে, “স্বেচ্ছাসেবী গোষ্ঠীটিকে” প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীনে একটি চুক্তি সই করতে বলা হবে, যাকে ওয়াগনারের উপর প্রিগোজিনের নিয়ন্ত্রণের প্রতি হুমকি হিসেবে দেখা হয়েছে। ওয়াগনারের প্রধান বলেন, এটি ছিল ইউক্রেনের সাথে যুদ্ধের সময় প্রতিরক্ষা কর্মকর্তাদের ভুল পদক্ষেপের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ। তবে তিনি জোর দিয়ে বলেন যে, ওয়াগনার সবসময়ই রাশিয়ার স্বার্থের পক্ষেই কাজ করেছে। বিদ্রোহ স্থগিত করার বিষয়ে একটি চুক্তিতে রাজি হওয়ার পর প্রিগোজিনের এটাই জনসমক্ষে প্রথম বক্তব্য। এই চুক্তির আওতায় তার বিরুদ্ধে সব ধরণের অপরাধের অভিযোগ প্রত্যাখ্যানের পর তার বেলারুশে চলে যাওয়ার বিষয়টিও নিশ্চিত করা হয়েছে। তবে রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় সংবাদ মাধ্যম অবশ্য বলেছে যে, তার বিরুদ্ধে তদন্ত চলমান থাকবে। তিনি বলেন যে, ‘রুশ সেনাদের রক্তপাত বন্ধ’ করার জন্যই তিনি এই এই বিদ্রোহের ইতি টেনেছেন। তিনি আরো বলেন যে, তারা তাদের অগ্রগতি থামিয়ে দেয়ার কারণে অনেক রুশ নাগরিক হতাশা প্রকাশ করেছে। কিন্তু তিনি জোর দিয়ে বলেছেন যে, রাশিয়ার নির্বাচিত কর্তৃপক্ষকে ক্ষমতাচ্যুত করার কোন অভিপ্রায় তার ছিল না। যেহেতু তার বার্তাটি শুধু অডিও ছিল তাই তিনি কোথায় রয়েছেন এবং পরবর্তীতে তিনি কী করবেন তা কিছু জানা যায়নি। রুশ নাগরিকদের উদ্দেশ্যে তৈরি করা নিজের সংক্ষিপ্ত ভাষণে মি. পুতিন বলেন, মস্কোর উদ্দেশ্যে যারা যাত্রা শুরু করেছিল তাদরেকে “বিচারের আওতায়” আনা হবে এবং তার পুরোনো মিত্র প্রিগোজিন রাশিয়ার ‘পিঠে ছুরি মেরেছে’ বলে উল্লেখ করেছেন। এই ভাষণের মাধ্যমে তিনি তার কর্তৃত্ব পুনর্ব্যক্ত করাএবং ওয়াগনার বিদ্রোহের প্রতি তার প্রতিক্রিয়া দুর্বল ছিল- চলমান এমন সাম্প্রতিক দৃষ্টিভঙ্গিকে বদলে দেয়ার চেষ্টা করেছেন বলে মনে হয়েছে। সংক্ষিপ্ত কিন্তু লিপিবদ্ধ সম্বোধনে তার কণ্ঠস্বর ছিল ক্রোধান্বিত; বারবারই তার ঠোঁট কুঁচকে যাচ্ছিল। প্রেসিডেন্টের বার্তা ছিল যে, যারা এই বিদ্রোহ সংগঠিত করেছে তারা দেশ ও জনগণের সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করেছে এবং একে রক্তপাত ও বিভক্তির মধ্যে টেনে এনে রাশিয়ার সব শত্রুদের কাজ একাই করছে। পশ্চিমাদের বিরুদ্ধে তিনি অভিযোগ তুলেছেন যে, তারা চায় রুশরা “পরস্পরকে হত্যা করুক”। কিন্তু মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন সোমবার এক সংবাদ সম্মেলনে বলেছেন যে, ওয়াগনারের বাতিল করা বিদ্রোহের সাথে যুক্তরাষ্ট্র এবং এর মিত্রদের কোন সংশ্লিষ্টতা নেই। মি. পুতিন বলেছেন যে, তার নিজস্ব সংকট ব্যবস্থাপনাই দুর্যোগ প্রতিহত করেছে। কিন্তু এই যুক্তি অনেকেই গ্রহণ করবেন না এবং অনেক রুশ নাগরিকই পুরো বিষয়টিকে ভিন্নভাবে দেখেন বলে মনে হচ্ছে। তিনি আরো বলেছেন যে, ওয়াগনার গোষ্ঠীর যে সেনারা “ভ্রাতৃঘাতী রক্তপাতে” অংশ নেয়নি, তাদেরকে বেলারুশে যেতে দেয়ার ওয়াদা পালন করবেন তিনি। “আমি ওয়াগনার গোষ্ঠীর সেই সব যোদ্ধা ও নেতাদের ধন্যবাদ জানাই যারা শুধু সঠিক সিদ্ধান্তটিই অনুসরণ করেছেন- যারা ভ্রাতৃঘাতী রক্তপাতে অংশ নেননি, তারা শেষ পর্যন্ত এই সিদ্ধান্তে অটল থেকেছেন,” তিনি বলেন। “আজ, রাশিয়ার (প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়) বা অন্য কোন সামরিক বাহিনী ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সাথে একটি চুক্তি সই করে আপনাদের এই সেবা অব্যাহত রাখার সুযোগ রয়েছে, অথবা আপনার আপনাদের পরিবার ও নিকটাত্মীয়দের কাছে ফিরে যেতে পারেন। “যারা বেলারুশে ফিরে যেতে চান, তারা যেতে পারেন। যে ওয়াদা আমি করেছিলাম, সেটা রক্ষা করা হবে। ” মি. পুতিন বলেন, “প্রচুর রক্তপাত ঠেকাতে পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে” একবারে বিদ্রোহের শুরু থেকেই এবং এর সংগঠকরা “বুঝতে পেরেছিল যে তাদের কর্মকাণ্ড অপরাধমূলক”। তিনি রুশ সমাজের একতার প্রশংসা করেন এবং এই বিদ্রোহ শেষ করার চুক্তিটি করতে এবং পুরো পরিস্থিতি শান্তিপূর্ণভাবে সমাধান করতে তার প্রচেষ্টার জন্য বেলারুশের প্রেসিডেন্ট আলেক্সান্ডার লুকাশেংকোকে ধন্যবাদ জানান। সারা দেশ তার পেছনে ঐক্যবদ্ধ রয়েছে বলে প্রেসিডেন্ট যে বক্তব্য দিচ্ছেন সেটির সাথে রোস্তভ শহরের শনিবারের চিত্রের মধ্যে বেশ পার্থক্য লক্ষ্য করা যাচ্ছে। ওই দিন যখন ওয়াগনার গোষ্ঠী শহরটির নিয়ন্ত্রণ নেয় তখন স্থানীয় বাসিন্দারা রাস্তায় যোদ্ধাদের প্রশংসা করে, তাদের বুকে টেনে নেয় এবং তাদের সাথে সেলফি তোলে। এ কারণেই সম্ভবত মি. পুতিন ওয়াগনার সদস্যদের বের হওয়ার একটি পথ তৈরি করে দিয়েছেন এটা বলে যে তারা প্রতারিত এবং তাদেরকে ব্যবহার করা হয়েছে। রাশিয়ার সামরিক নেতৃত্ব এবং ওয়াগনার গোষ্ঠীর মধ্যে গত কয়েক মাস ধরে চলা উত্তেজনার পরিণতি গত সপ্তাহান্তের বিদ্রোহ। শুক্রবার রাতে ওয়াগনার যোদ্ধারা ইউক্রেনে স্থাপিত তাদের যুদ্ধক্ষেত্র থেকে সীমান্ত পার হয়ে রাশিয়ার দক্ষিণাঞ্চলীয় শহর রোস্তভ-অন-ডন যেখান থেকে রাশিয়া যুদ্ধ পরিচালনা করছিলো সেখানে প্রবেশ করলে অভ্যন্তরীণ লড়াই শুরু হয়। এরপর তারা আঞ্চলিক সামরিক নেতৃত্ব নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নেয় এবং সামরিক গাড়িবহর নিয়ে উত্তরে মস্কোর দিকে যাত্রা করে। প্রিগোজিন দাবি করেন, তার “ন্যায়ের জন্য যাত্রা” “পুরো দেশে নিরাপত্তা নিয়ে মারাত্মক সমস্যার বিষয়টিকে” সামনে এনেছে। বিদ্রোহ শেষ করতে একটি চুক্তিতে মধ্যস্থতা করার বিষয়ে মি. লুকাশেংকোর ভূমিকার উল্লেখ করেন তিনি। বলেন, এই নেতা একটি “আইনি ব্যবস্থাপনায়” থেকে ওয়াগনারদের পরিচালনা অব্যাহত রাখার সুযোগ তৈরি করে দিয়েছেন। ভাড়াটে যোদ্ধাদের এই নেতা বলেন, তার এই যাত্রার কারণে কিছু রুশ সেনা প্রাণ হারিয়েছে কারণ ওয়াগনার যোদ্ধারা আক্রমণরত হেলিকপ্টারগুলো ভূপাতিত করেছে। কিন্তু তিনি আরো বলেন যে, “যুদ্ধের মাঠে একটি সেনাকেও হত্যা করা হয়নি।” “আমরা দুঃখিত যে আমাদেরকে বিমানে আক্রমণ করতে হয়েছে, কিন্তু তারা আমাদের উপর বোমা এবং ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে হামলা করছিলো,” বলেন তিনি। সূত্র: বিবিসি বাংলা

ইউক্রেনের নাৎসি সরকার পরিবর্তন করাই রাশিয়ার লক্ষ্য

ইউক্রেনের নাৎসি সরকার পরিবর্তন করাই রাশিয়ার লক্ষ্য রাশিয়া এবং ইউক্রেনের জনগণের মধ্যে কোনো যুদ্ধ নেই। বরং এই যুদ্ধ ইউক্রেনকে ব্যবহার করে যুক্তরাষ্ট্র চালিয়ে যাচ্ছে। তাই রাশিয়ার লক্ষ্য হলো, যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিস্থাপিত ইউক্রেনের ক্ষমতায় আসীন ‘নাৎসি সরকারকে’ বদলে দেয়া। নিকোলাই পাত্রুশেভ। ছবি: স্পুৎনিক নিক বুধবার (৭ জুন) রাশিয়ার জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের সচিব নিকোলাই পাত্রুশেভ বেলারুশের জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের সচিব আলেকজান্দর ভলফোভিচের সঙ্গে বৈঠকের সময় এ কথা বলেছেন।
পাত্রুশেভ বলেন, কিয়েভের বর্তমান সরকার একটি নাৎসি মতাদর্শের সরকার। যা ওয়াশিংটন এবং লন্ডন ইউক্রেনে স্থাপন করে দিয়েছে। এই সরকারকে অবশ্যই বদলে দিতে হবে। তিনি আরও বলেন, ইউক্রেনকে অবশ্যই নিরপেক্ষ রাষ্ট্র হতে হবে। পাত্রুশেভ অভিযোগ করেন, এই সংকট আর কোনো পক্ষকে নয় বরং কেবল যুক্তরাষ্ট্রকেই ফায়দা করে দিচ্ছে। রাশিয়ার নিরাপত্তা পরিষদের এই শীর্ষ কর্মকর্তা বলেন, যুক্তরাষ্ট্র এরই মধ্যে ইউরোপকে নতজানু করে ফেলেছে এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নকে দুর্বল করে কেবল যুক্তরাষ্ট্রের ফায়দা বাড়িয়ে নেয়ার সুযোগ খুঁজছে। এ সময় তিনি আরও বলেন, শক্তিশালী ইউরোপ বহুমেরুক বিশ্বের অন্যতম একটি ভারকেন্দ্র হতে পারত। আরও পড়ুন: পূর্ব ইউরোপে সৈন্য সংখ্যা দ্বিগুণ করেছে ন্যাটো পাত্রুশেভ অভিযোগ করেন, যুক্তরাষ্ট্র শক্তিশালী রাশিয়া দেখতে চায় না বরং সবসময় রাশিয়াকে বিভক্ত করার এমনকি রাষ্ট্র হিসেবে রাশিয়াকে ব্যর্থ করে দেয়ার চেষ্টা করে। যাতে যুক্তরাষ্ট্র ইউরেশিয়ান ভূখণ্ডের ওপর কর্তৃত্ব স্থাপন করে সেখানকার যাবতীয় সম্পদ লুট করতে পারে। তিনি আরও বলেন, এমনটা করার জন্য ওয়াশিংটন এবং লন্ডন ন্যাটো, ইউরোপীয় ইউনিয়ন, ইউক্রেনের নব্য নাৎসি, ইউক্রেনের সরকার এবং বিভিন্ন এনজিওকে ব্যবহার করছে। রাশিয়ার এই নেতা আরও অভিযোগ করেন, পশ্চিমা বিশ্ব রাশিয়ার মিত্র বেলারুশের জন্য ইউক্রেনের মতো একই পরিকল্পনা করছে। তার উদাহরণ হিসেবে তিনি দেশটিতে ২০২০ সালে ব্যর্থ হওয়া কালার রেভোলিউশনের কথা উল্লেখ করেন।

তারা হত্যাকারীদের পুরস্কৃত করেছে: দীপু মনি

তারা হত্যাকারীদের পুরস্কৃত করেছে: দীপু মনি ধর্মভিত্তিক রাজনীতি রাষ্ট্রের জন্য কখনও শুভ নয় উল্লেখ করে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেছেন, যারা মানুষের অধিকার কেড়ে নিয়েছিল, আজ তারা নাকি মানুষের অধিকারের কথা বলে। তারাই মানুষকে হত্যা করেছে, তারাই হত্যাকারীদের পুরস্কৃত করেছে। চাঁদপুরে মুক্তিযোদ্ধা ও শহিদ পরিবারের সদস্যদের সংবর্ধনা দেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি
রোববার (১৬ মার্চ) দুপুরে চাঁদপুর জেলা প্রশাসনের আয়োজনে জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে বীর মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদ পরিবারের সদস্যদের সংবর্ধনা ও আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি। শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘যুদ্ধাপরাধীর বিচার যখন বঙ্গবন্ধু করেছিলেন, সেই যুদ্ধাপরাধীদের বিচার জিয়াউর রহমান বন্ধ করে তাদের ক্ষমতায় বসিয়েছিল। বিএনপি চায় আমাদের ভিক্ষুকের জাতিতে পরিণত করতে।

অবশেষে হজের খরচ কমলো, বাড়ল নিবন্ধনের সময়

ছবি : রয়টার্স অবশেষে টাকা কমিয়ে হজ প্যাকেজ সংশোধন করেছে ধর্ম মন্ত্রণালয়। একই সঙ্গে নিবন্ধনের সময়সীমাও আগামী ২৭ মার্চ পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। আজ বুধবার (২২ মার্চ) মন্ত্রণালয়ের উপসচিব আবুল কাশেম মুহাম্মদ শাহীনের সই করা এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সৌদি সরকার সৌদি পর্বের মিনার ক্যাটাগরিভিত্তিক সেবা মূল্য বাংলাদেশসহ বিশ্বের অন্যান্য দেশের জন্য কমানোর কারণে সরকারি ও বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় হজ প্যাকেজ সংশোধন এবং হজযাত্রী নিবন্ধনের সময় বাড়ানো হয়েছে। সরকারি ও বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় হজের জন্য ঘোষিত প্যাকেজে অন্তর্ভুক্ত মিনার চারটি (এ, বি, সি, ডি) ক্যাটাগরির সেবার মূল্য বাংলাদেশসহ বিশ্বের অন্যান্য দেশের জন্য সৌদি সরকার কমিয়েছে। সরকারি ব্যবস্থাপনায় যেহেতু মিনার তাঁবু ‘সি’ ক্যাটাগরি ধরে প্যাকেজ নির্ধারণ করা হয়েছে, সেহেতু সরকারি প্যাকেজ মূল্য ১১ হাজার ৭২৫ টাকা কমানো হলো। সে ক্ষেত্রে সরকারি ব্যবস্থাপনায় বর্তমান হজ প্যাকেজ মূল্য ৬ লাখ ৭১ হাজার ২৯০ টাকা নির্ধারণ করা হলো। হজ এজেন্সিজ এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (হাব) ও যেহেতু মিনার তাঁবু ‘সি’ ক্যাটাগরি ধরে প্যাকেজ নির্ধারণ করেছে, সেহেতু বেসরকারি এজেন্সির ক্ষেত্রেও অনুরূপ পরিমাণ অর্থ কমানোর জন্য হজ এজেন্সিজ এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশকে (হাব) অনুরোধ করা হয়েছে। এ ক্ষেত্রে বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় বর্তমান হজ প্যাকেজ মূল্য ৬ লাখ ৬০ হাজার ৮৯৩ টাকায় নির্ধারিত হবে। যেসব হজ এজেন্সি মিনার তাঁবুর অন্যান্য ক্যাটাগরি ধরে প্যাকেজ নির্ধারণ করেছে, তাদেরও সংশ্লিষ্ট ক্যাটাগরির হ্রাসকৃত মূল্যে প্যাকেজ নির্ধারণ করে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ে জমা দিতে হবে। প্যাকেজ মূল্য হ্রাস পাওয়ায় এবং সম্মানিত হজযাত্রীদের বয়সসীমা না থাকায় অনেক হজযাত্রী নতুন করে হজে যাওয়ার জন্য আগ্রহ প্রকাশ করায় পরিবর্তিত প্যাকেজে নিবন্ধনের সময়সীমা আগামী ২৭ মার্চ পর্যন্ত বাড়ানো হলো। নিবন্ধনের জন্য সরকারি ও বেসরকারি উভয় ব্যবস্থাপনায় প্রাক-নিবন্ধনের ক্রমিক উন্মুক্ত থাকবে। কোটা পূর্ণ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে নিবন্ধন সার্ভার স্বয়ংক্রিয়ভাবে বন্ধ হয়ে যাবে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, আগামী ২৭ মার্চ হজ কার্যক্রম পরিচালনাকারী সব ব্যাংককে অফিস সময়ের পরেও প্রস্তুতকৃত ভাউচারগুলোর অর্থ পরিশোধ না হওয়া পর্যন্ত ব্যাংকের শাখাগুলো খোলা রাখার জন্য অনুরোধ করা হলো। ২৫ মার্চ হজ কার্যক্রম পরিচালনাকারী সংশ্লিষ্ট সব ব্যাংকের শাখাগুলো খোলা রাখার জন্য বাংলাদেশ ব্যাংককে অনুরোধ করা হয়েছে।