জাতীয় নির্বাচনের আগে কোনো মামলা প্রত্যাহার নয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
জাতীয় নির্বাচনের আগে কোনো মামলা প্রত্যাহার নয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল
বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেছেন, আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সব দলের জন্য লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত করার দায়িত্ব নির্বাচন কমিশনের। সংবিধান অনুযায়ী কমিশনই নির্বাচন পরিচালনা করবে। আর তাদের অধীনেই আইন-শৃংখলা বাহিনী কাজ করবে।
বুধবার সন্ধ্যায় রাজশাহী মহানগর পুলিশের রজত জয়ন্তী অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছেন, জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে সন্ত্রাস দমন আইনে করা কোনো মামলা প্রত্যাহার করা হবে না।
অনুষ্ঠানে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, রাজশাহীর মানুষ জঙ্গিবাদকে এক সময় প্রশ্রয় দিয়েছিল। এখন তারাই আবার জঙ্গিদের ঘৃণা করছে। প্রধানমন্ত্রীর আহ্বানে সাড়া দিয়ে গোটা দেশের মানুষই জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়িয়েছেন। এ কারণেই পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের চেয়ে বাংলাদেশ জঙ্গিবাদ দমনে সফল হয়েছে। তবে এখনো মূলোৎপাটন করা যায়নি। তবে আইন শৃংখলাবাহিনী ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করছে।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, গত পাঁচ বছরে সীমান্ত হত্যা কমেছে। বর্তমানে বিজিবি (বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ) ও বিএসএফের (ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী) মধ্যে চমৎকার সম্পর্ক রয়েছে।
মহানগর পুলিশের বর্ষপূর্তি অনুষ্ঠানে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ১০ বছর আগের পুলিশ আর এখনকার পুলিশ এক নয়। আগে পুলিশের কথা শুনলেই আমরা আতঙ্কিত হতাম। দূরে সরে দাঁড়াতাম। কিন্তু জনগণের সেবার জন্য পুলিশ, সে কথা আজ প্রমাণিত হয়েছে। পুলিশ আজ জনগণের মন জয় করতে পেরেছে। মন্ত্রী বলেন, পুলিশই জনতা, জনতাই পুলিশ। এর প্রমাণস্বরূপ দেশের পুলিশ বাহিনী জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে প্রচেষ্টা অব্যাহত রেখেছে। এরই ধারাবাহিকতায় দেশের পুলিশ মাদক ব্যবসা, জনগণের জানমালের নিরাপত্তা, জঙ্গি দমনের মতো কাজ জীবন বাজি রেখে করে চলেছে, যা সত্যিই প্রশংসার দাবিদার।
আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেন, ‘আমাদের দেশ মাদক প্রস্তুত করে না। পার্শ্ববর্তী দেশ মিয়ানমার এবং ভারত—এই দুই দেশ থেকে আমাদের দেশের সীমান্ত দিয়ে অবৈধ পথে মাদক আসে। তবে বন্ধুপ্রতিম দেশ ভারত আমাদের অনুরোধে সীমান্তে ফেনসিডিলের কারখানা বন্ধে কাজ করছে। আমরা মাদক নির্মূলের জন্য দুই দেশের সঙ্গেই কূটনৈতিক প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। সঙ্গে সঙ্গে প্রশাসনিক প্রচেষ্টাও চালিয়ে যাচ্ছি।’ আর মাদক নিয়ন্ত্রণে রাজশাহী মহানগর পুলিশ মডেলের ভূমিকা রেখেছেন।#
