Sponsor



Slider

দেশ

মেহেরপুর জেলা খবর

মেহেরপুর সদর উপজেলা


গাংনী উপজেলা

মুজিবনগর উপজেলা

ফিচার

খেলা

যাবতীয়

ছবি

ফেসবুকে মুজিবনগর খবর

» » ক্রিকেটে থুতু বা লালার ব্যবহারে করোনা ছড়িয়ে পড়তে পারে!




বল শাইন করতে ফিল্ডিংয়ে থাকা দলের থুতু কিংবা লালার ব্যবহার ক্রিকেট ম্যাচে খুবই সাধারণ দৃশ্য। কিন্তু, করোনাভাইরাস সংক্রমণের মাঝে এ বিষয়টি নিয়ে ভাবনার সময় এসেছে বলে মনে করেন ক্রিকেটাররা। এদিকে, লকডাউনের এই সময়ে জুয়াড়িদের দৌরাত্ম্য রোধে, সতর্কাবস্থানে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড। জানিয়েছেন বিসিসিআইয়ের দুর্নীতি দমন ইউনিটের প্রধান। ২০১৮ সালে কেপটাউনের ঘটনাটা আলোড়ন তুলেছিলো ক্রিকেট বিশ্বে। দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে টেস্টে বলে শিরিষ কাগজ ঘষাকে কেন্দ্র করে কাঠগড়ায় দাঁড়াতে হয়েছিলো ব্যানক্রফট, স্মিথ, ওয়ার্নারদের। ক্রিকেট থেকে নিষিদ্ধও হয়েছিলেন তিন অজি ক্রিকেটার। কিন্তু, তারা কেনো করেছিলেন অমনটা? বাড়তি স্যুইং পেতে নানা উপায়ে বলের নির্দিষ্ট কোনো পাশ চকচকে করার চেষ্টা করে ফিল্ডিংয়ে থাকা দল। ক্রিকেটের শুরু থেকেই এগুলো হয়ে আসছে। ঘাম, লালা লাগানো কিংবা জার্সিতে ঘষে বল শাইন করতে তেমন কোনো কড়াকড়ি নেই। তবে, করোনাভাইরাসের কারণে নতুন এক ইস্যু সামনে এসেছে। শরীর নিঃসৃত থুতু কিংবা ঘাম ব্যবহার স্বাস্থ্যসম্মত নয়, মনে করিয়ে দিয়েছেন অস্ট্রেলিয়ার সাবেক পেসার জেসন গিলেসপি। সারা বিশ্ব যখন কোভিড নাইন্টিনের কাছে কোণঠাসা, তখন গিলেসপির পরামর্শ যৌক্তিক। থুতু থেকেই করোনাভাইরাসে সংক্রমিত হওয়ার শঙ্কা বেশি। এ অবস্থায় কি উপায়ে বিষয়টি এড়িয়ে যাওয়া যায়, তা নিয়ে ভাবছেন নীতি নির্ধারকরা। প্রতি ওভার শেষে আম্পায়ারের সামনে শাইনিং করা কিংবা শুধু ঘামের ব্যবহারে ঝুঁকি কমানো যায় কি না, তা রয়েছে আলোচনার টেবিলে। সিডনিতে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ওয়ানডের আগে এ বিষয়টি নিয়ে সতীর্থদের মধ্যে আলোচনা হয়েছিলো বলে জানিয়েছেন অজি পেসার প্যাট কামিন্স। তিনি আরো বলেন, মহামারি আকারে ছড়িয়ে পড়া ভাইরাসটি নিয়ে দুশ্চিন্তায় গোটা দল। এদিকে, ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড কর্তাদের মাথাব্যথা ভিন্ন। করোনাভাইরাসের কারণে ক্রিকেটবিশ্বে স্থবির অবস্থা বিরাজ করছে। মাঠে খেলা না থাকায় অবসর সময় পাচ্ছে ক্রিকেটাররা। এই সময়টাকে টার্গেট করে তৎপর হয়ে উঠতে পারে জুয়াড়িরা। শুধু স্বশরীরেই নয়, অনলাইনেও তোড়জোড় চালাতে পারে বিভিন্ন চক্র। এই বিষয়টি মাথায় রেখে সাবধানী দেশটির বোর্ড। বিসিসিআইয়ের অ্যান্টি করাপশন ইউনিটের প্রধান জানিয়েছেন, যেকোনো ধরনের ফিক্সিং রোধে সতর্ক তারা।






«
Next
Newer Post
»
Previous
Older Post

No comments:

Leave a Reply