sponsor

sponsor

Slider

বিশ্ব

জাতীয়

রাজনীতি

খেলাধুলা

বিনোদন

ফিচার

যাবতীয় খবর

জিওগ্রাফিক্যাল

ফেসবুকে মুজিবনগর খবর

» » করোনায় ভারতে কম মৃত্যু, রহস্য খুঁজছে বিশেষজ্ঞরা




ভারতে এখন পর্যন্ত করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন প্রায় ৩১ হাজার তিনশ ২৪ জন। তারমধ্যে প্রাণহানি ঘটেছে এক হাজার আট জনের। এশিয়ার মধ্যে চীনের পরেই দেশটিতে আক্রান্তের ঘটনা ঘটলেও মারা যাওয়ার হার আমেরিকা এবং পশ্চিম ইউরোপের দেশগুলোর চেয়ে অনেক কম। আগে থেকেই বিশেষজ্ঞরা ধারণা করেছিলেন, এক দশমিক তিন বিলিয়ন জনগোষ্ঠীর ভারতে করোনাভাইরাস ছড়িয়ে পড়লে বহু মানুষের প্রাণহানি ঘটতে পারে। তবে মৃত্যুহার বর্তমানে কম দেখে অনেকেই এর মধ্যে রহস্যের খুঁজতে শুরু করেছেন। বিশেষজ্ঞদের অনেকেই বলছেন, ভারতে কঠোরভাবে লকডাউন কার্যকর করায় মৃত্যুহার কমানো সম্ভব হয়েছে। অনেকের ধারণা, ভারতে তরুণ জনগোষ্ঠী বেশি হওয়ার কারণে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বেশি থাকায় এ ধরনের ফল এসেছে। বৈজ্ঞানিকভাবে সমর্থিত না হলেও অনেকে দাবি, ভারতের বেশিরভাগ অঞ্চলে গরম আবহাওয়া ও সূর্যের তাপের কারণে করোনাভাইরাসের প্রকোপ কম এবং মৃত্যুহারও অনেকটা কম। ভারতীয় বংশোদ্ভূত মার্কিন চিকিৎসক সিদ্ধার্থ মুখার্জি ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসিকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেন, এটা একটা রহস্য। তবে এটা বলা যায় যে, আমাদের দেশে যথেষ্ট পরিমাণে পরীক্ষা করা হয়নি। যদি আরো বেশি পরীক্ষা করা হতো, তাহলে উত্তরটা জানা যেত। ধারণা করা হচ্ছে, ভারতজুড়ে লকডাউন ৩ মে খুলে দেয়া হতে পারে। এর আগে গত ৬ মার্চ ভারতের স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেছিলেন, সকল রাজ্যে গণজমায়েত বন্ধ করা দরকার। তার পরেও বিভিন্নখানে ধর্মীয় জমায়েতের ঘটনা ঘটেছে। দিল্লির নিজামুদ্দিনে তাবলীগ জামাতে উপস্থিত হওয়ার জেরে ৪২৯১ জন আক্রান্ত হন। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, ভারত সরকারের ইচ্ছাতেই হোক আর অনিচ্ছাতেই হোক, করোনাভাইরাসে মৃতের সঠিক তালিকা প্রকাশ পাচ্ছে না। বিবিসির এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অন্তত ৮০ শতাংশ মৃত্যু বাড়িতে ঘটছে। মাত্র ২০ শতাংশ মৃত্যু হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ঘটছে। চিকিৎসকরা বলছেন, করোনাভাইরাসের লক্ষণ নিয়ে অনেকে মারা গেলেও তারা পরীক্ষা করানোর সুযোগই পাচ্ছেন না। ভারতসহ বিভিন্ন দেশে করোনা রোগীর মৃত্যুর ব্যাপারে বেলজিয়ামের ইসমে ইউনিভার্সিটি হসপিটালের চিকিৎসক প্রফেসর জঁ লুইস বলেন, যখন কোনো ব্যক্তি মারা যাওয়ার আগে জ্বর এবং করোনার লক্ষণ বহন করছেন, তিনি হয়তো করোনায় আক্রান্ত। তবে অন্য কারণও হতে পারে। কিন্তু সেই ব্যক্তি মারা গেলে তো আর করোনায় মৃতের তালিকায় সংখ্যাটা যোগ হচ্ছে না। সূত্র : ৯ নিউজ






«
Next
Newer Post
»
Previous
Older Post

No comments:

Leave a Reply