Sponsor



Slider

দেশ

মেহেরপুর জেলা খবর

মেহেরপুর সদর উপজেলা


গাংনী উপজেলা

মুজিবনগর উপজেলা

ফিচার

খেলা

যাবতীয়

ছবি

ফেসবুকে মুজিবনগর খবর

» » » ভারত করোনা মারছে যে যন্ত্র দিয়ে




ক্রমাগত তাপ ছড়াচ্ছে যন্ত্রটি। আর সেই তাপেই ক্রমে নষ্ট হচ্ছে করোনাভাইরাসের আরএনএ। এভাবে এবার করোনা বিনাশে নেমেছে ‘অতুল্য’। এই নামেই তাকে ডাকতে শুরু করেছেন বৈজ্ঞানিকরা। ওজন তিন কেজির মধ্যে, এমন যেকোনো বস্তুর গায়ে যদি করোনার চিহ্নটুকুও থাকে, তবে ‘অতুল্য’ তা লোপ করতে প্রস্তুত। আসলে এটি একটি ‘মাইক্রোওয়েভ স্টেরিলাইজার’। এই যন্ত্রেই যে করোনা শেষ হচ্ছে, সেটির প্রমাণ ইতোমধ্যেই ভারতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের বিজ্ঞানীরা পেয়েছেন। এবার সাধারণ মানুষ যাতে কম দামে ‘অতুল্য’কে ব্যবহার করতে পারেন, সেই উদ্যোগ নিচ্ছে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়। খবর সংবাদ প্রতিদিনের। ‘অতুল্য’ তৈরির পুরো কৃতিত্ব ডিফেন্স ইন্সটিটিউট অব অ্যাডভানসড টেকনোলজির। পুনের এই সংস্থাটি ডিফেন্স রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন বা ডিআরডিও’র আওতায় পড়ে। কিছুদিন আগেই ডিআরডিও করোনা নষ্ট করার জন্য একটি যন্ত্র আবিষ্কার করেছিল। ওই যন্ত্রটি থেকে অতিবেগুণী রশ্মি বের হয়। ওই রশ্মিই কিছুক্ষণের মধ্যে কাবু করে ফেলে করোনাভাইরাস। নষ্ট করে ফেলে তার ডিএনএ ও আরএনএ। ওই যন্ত্রের মধ্যে রাখা মোবাইল, ফাইল বা টুপির মতো হালকা বস্তুতে থাকা করোনা নষ্ট হয়ে যেতে পারে। কিন্তু ওই যন্ত্রটি তৈরির সঙ্গে সঙ্গে বৈজ্ঞানিকরা এমন কোনও যন্ত্র তৈরির পরিকল্পনা করেন, যাতে বিনাশ হবে আরও বেশি ওজনের বস্তুর ওপর লেগে থাকা করোনাভাইরাস। কিন্তু এই ক্ষেত্রে অতিবেগুণী রশ্মি বা আলট্রাভায়োলেট রে’র বদলে তাপকেই ব্যবহার করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। সেই পরিকল্পনা অনুযায়ীই ডিফেন্স ইন্সটিটিউট অব অ্যাডভানসড টেকনোলজি তৈরি করেছে ‘মাইক্রোওয়েভ স্টেরিলাইজার’টি। ভারতে প্রায় সবার ঘরেই রয়েছে মাইক্রোওয়েভ। খাবার গরম করতে এর ব্যবহার অতুলনীয়। আবার অনেকে শিশুদের দুধের বোতল বা অন্য বস্তু গরম করতে মাইক্রোওয়েভ স্টেরিলাইজার ব্যবহার করেন। বিদেশে ২০ ডলারের মধ্যেও পাওয়া যায় এই ধরনের যন্ত্র। কিন্তু ‘অতুল্য’কে তৈরি করা হয়েছে এমনভাবে, যাতে ভারী বস্তুও তাপের মাধ্যমে স্টেরিলাইজ করা যায়। প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের বৈজ্ঞানিকরা জানাচ্ছেন, এই যন্ত্রের সামনের অংশটি অনেকটা চোঙ্গার মতো। ওই চোঙ্গার ভেতর দিয়ে তিন কেজি ওজনের যেকোনো বস্তু যন্ত্রের ভেতরে পাঠিয়ে দেয়া হয়। যন্ত্রটি চালু করা হলে এক মিনিট ধরে ৫৬ থেকে ৬০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের তাপপ্রবাহ ক্রমাগত বস্তুটির উপর ছড়াতে শুরু করে। ক্রমাগত ছড়ানো এই তাপ সহ্য করতে পারে না করোনা। বিনষ্ট হয়ে যায়। জানা গেছে, এই যন্ত্রটি বহনযোগ্য। ঘর ও অফিস যেকোনো জায়গায় ব্যবহার করা যায়। যাতে কম দামে সাধারণ মানুষ যন্ত্রটি কিনতে পারেন, সেই চেষ্টা করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়।






«
Next
Newer Post
»
Previous
Older Post

No comments:

Leave a Reply