Sponsor



Slider

বিশ্ব

জাতীয়

রাজনীতি


খেলাধুলা

বিনোদন

ফিচার


যাবতীয় খবর

জিওগ্রাফিক্যাল

ফেসবুকে মুজিবনগর খবর

» » » » » নেপালের জাতীয় নির্বাচনে চীনা সম্পৃক্ততার অভিযোগ




নেপাল আগামী ২০ নভেম্বর জাতীয় নির্বাচনের প্রস্তুতি নিচ্ছে। দেশটির জাতীয় ও প্রাদেশিক নির্বাচন একসঙ্গে অনুষ্ঠিত হবে। তবে এই নির্বাচনের আগে দুটি চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হচ্ছে হিমালয়ের দেশটি; নিজেদের মধ্যে দলাদলি এবং নির্বাচনে চীনের ক্ষমতাসীন কমিউনিস্ট পার্টির ক্রমবর্ধমান প্রভাব। অবশ্য এবারের নির্বাচনে নেপালি কংগ্রেস পার্টির নেতৃত্বাধীন ক্ষমতাসীন কোয়ালিশন জয়ের ব্যাপারে আশাবাদী। এশিয়া-প্যাসিফিক ফাউন্ডেশনের সিনিয়র রিসার্চ ফেলো মার্কাস আন্দ্রেওপোলোস ফরেন পলিসিকে বলেছেন, নেপালের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে চীনের সম্পৃক্ততা ক্রমবর্ধমানভাবে বাড়ছে। ২০০৮ সালে একটি গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্রে পরিণত হওয়ার পর থেকে নেপালিরা তাদের ১১তম সরকার নির্বাচন করতে যাচ্ছে। তবে ক্রমাগত জোট গঠন এবং ভাঙন নেপালের রাজনীতিকে জর্জরিত করেছে। ভোটারদের সুখস্বপ্ন ভেঙে দিয়েছে। আন্দ্রেওপোলোস আরও বলেন, ভৌগোলিক অবস্থানের কারণেই চীনের সঙ্গে সম্পৃক্ততার বিষয়টিকে নেপালের জন্য অপরিহার্য করে তুলেছে। কিন্তু দেশটির গণতন্ত্রে উত্তরণের সময়, এই সম্পর্কটি দ্রুত বিকশিত হয়; যা নেপালের অভ্যন্তরীণ পর্যবেক্ষকরা কাঠমান্ডুর রাজনৈতিক বিষয়ে বিদেশি হস্তক্ষেপ হিসেবে বর্ণনা করেছেন। আরও পড়ুন : শ্রীলঙ্কার পথে হাঁটছে নেপাল? দক্ষিণ এশিয়ায় চীনের আধিপত্যবাদী আচরণ বাড়ছে। চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং তার ঐতিহাসিক তৃতীয় মেয়াদ শুরু করার কারণে নেপালের ভোটের ফলাফল বেইজিংয়ের কৌশলগত পরিকল্পনাকে ভোঁতা করতে পারে বা বাড়িয়ে দিতে পারে। বিজনেস স্ট্যান্ডার্ডের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নেপালের নির্বাচনে ঐক্যবদ্ধ কমিউনিস্ট দলগুলো আবারও একে অপরের বিরুদ্ধে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবে এমনটাই দেখা যাবে। বামপন্থি এবং কমিউনিস্ট মতাদর্শ ২০ শতকের মাঝামাঝি থেকে নেপালি রাজনৈতিক আলোচনায় আনুষ্ঠানিকভাবে বিদ্যমান। কমিউনিস্ট আন্দোলনের প্রতি সহানুভূতি ১৯৯০-এর দশকের শেষের দিকে এবং ২০০০ সালের গোড়ার দিকে অব্যাহত ছিল। যা মাওবাদী বিদ্রোহের জন্য জনসমর্থন প্রকাশ করে এবং শেষ পর্যন্ত প্রাক্তন রাজা জ্ঞানেন্দ্র শাহের শাসনের অবসান ঘটায়। ফরেন পলিসি বলছে, নেপালের প্রধান রাজনৈতিক দলগুলো এখনও নিজেদের গণতান্ত্রিক সমাজতন্ত্রের প্রবক্তা হিসেবে দেখে। যেহেতু নেপাল গণতন্ত্রকে বেছে নিয়েছে, তাই সিসিপি নেপালের কিছু কমিউনিস্ট গোষ্ঠীর কূটনৈতিক সম্পর্ক গভীর করার ইচ্ছার সুযোগ নিয়েছে বলে মনে হচ্ছে। আরও পড়ুন : চীনের দখলে নেপালের ভূখণ্ড! রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা প্রশমিত করার জন্য চীন নেপালে একটি ঐক্যবদ্ধ বামপন্থি দলের জন্য চাপ দিয়েছে; যা ব্যাপক সমর্থন পাবে এবং বেইজিংয়ের কর্মকর্তাদের পক্ষে কাজ করবে। যদিও নেপালের প্রভাবশালী বামপন্থি মতাদর্শ সিসিপির জন্য আমন্ত্রণ মনে হচ্ছে। তবে কূটনীতিকরা আপাতদৃষ্টিতে জোটবদ্ধ দলগুলোর মধ্যে বিভক্তির কারণে বিভ্রান্ত হয়েছেন। ২০১৭ সালে নেপালের কমিউনিস্ট পার্টি (ইউনিফাইড মার্কসবাদী-লেনিনবাদী) এবং নেপালের কমিউনিস্ট পার্টি (মাওবাদী কেন্দ্র) ঘোষণা দেয় যে তারা জোট হিসেবে সেই বছরের সাধারণ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবে। তখন অনেক বিশ্লেষক সন্দেহ পোষণ করেন যে তাদের একীভূতকরণে সিসিপির ভূমিকা ছিল।






«
Next
Newer Post
»
Previous
Older Post

No comments:

Leave a Reply