Sponsor



Slider

বিশ্ব

জাতীয়

রাজনীতি


খেলাধুলা

বিনোদন

ফিচার


যাবতীয় খবর

জিওগ্রাফিক্যাল

ফেসবুকে মুজিবনগর খবর

» » » » যুক্তরাজ্য-চীন সম্পর্কের ‘স্বর্ণযুগ’ শেষ: ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী




চীনের সঙ্গে যুক্তরাজ্যের সম্পর্কের তথাকথিত ‘স্বর্ণযুগ’ শেষ হয়ে গেছে বলে মন্তব্য করেছেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী ঋষি সুনাক। একই সঙ্গে দেশটির সঙ্গে যুক্তরাজ্যের অবস্থানকে ‘বিকশিত’ করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন তিনি। মঙ্গলবার (২৯ নভেম্বর) ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির এক প্রতিবেদনে বলা হয়, প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর বৈদেশিক নীতি নিয়ে নিজের প্রথম বক্তব্যে সুনাক বলেন, চীনের সঙ্গে আগের দশকের ঘনিষ্ঠ অর্থনৈতিক সম্পর্ক ছিল ‘প্রজ্ঞাহীন’। তিনি বলেন, যুক্তরাজ্যকে এখন প্রতিযোগীদের প্রতি ‘শক্তিশালী বাস্তববাদ’ দিয়ে লক্ষ্য পূরণের পরিকল্পনা করতে হবে। তবে তিনি স্নায়ুযুদ্ধের মতো অবস্থার বিরুদ্ধে সতর্কতা উচ্চারণ করে বলেন, বিশ্বে চীনের গুরুত্বকে উপেক্ষা করা যাবে না। সুনাক গত মাসে যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেয়ার পর চীনের বিরুদ্ধে যুক্তরাজ্যের অবস্থান আরও কঠোর করার জন্য চাপের মুখে রয়েছেন। আরও পড়ুন: চীনে বিক্ষোভ: বাড়ছে সহিংসতা, নিরাপত্তা জোরদার লন্ডনের মেয়রের ভোজসভায় সুনাকের বক্তব্য এমন সময়ে আসলো, যখন চীনের বিভিন্ন অঞ্চলে কোভিড লকডাউনের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ চলছে। বিবিসি জানায়, করোনার বিধিনিষেধের বিরুদ্ধে সোমবার (২৮ নভেম্বর) টানা তৃতীয় দিনের মতো সাংহাইয়ের রাস্তায় নামেন বিক্ষোভকারীরা। এদের মধ্যে ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীরাও। পুলিশ বেশ কয়েকজনকে গ্রেফতার করেছে এবং সাংহাইতে একটি বিক্ষোভ কাভার করার সময় একজন বিবিসির সাংবাদিককে আটক করা হয়েছে। এ সময় ওই সাংবাদিককে পুলিশ মারধর ও লাথিও মারে বলে দাবি করা হয়। মুক্তি পাওয়ার আগে কয়েকঘণ্টা তাকে আটকে রাখা হয়। ব্যবসায়ী নেতা এবং পররাষ্ট্রনীতি বিশেষজ্ঞদের এ বিষয়ে ইঙ্গিত করে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বলেন, প্রতিবাদের মুখে চীন ‘বিবিসির সাংবাদিককে লাঞ্ছিত করাসহ আরও দমন-পীড়নের পথ বেছে নিয়েছে।’ আরও পড়ুন: নিজ দলেই তোপের মুখে ঋষি সুনাক তিনি বলেন, আমরা স্বীকার করি যে, চীন আমাদের মূল্যবোধ এবং স্বার্থের জন্য একটি পদ্ধতিগত চ্যালেঞ্জ তৈরি করেছে। একটি চ্যালেঞ্জ আরও তীব্রতর হয়ে ওঠে যখন এটি আরও বৃহত্তর কর্তৃত্ববাদের দিকে এগিয়ে যায়। পরে সুনাক বলেন, যুক্তরাজ্য-চীন সম্পর্কের ‘স্বর্ণযুগ’ শেষ হয়ে গেছে। পশ্চিমাদের সঙ্গে আরও বাণিজ্য চীনকে রাজনৈতিক সংস্কারের দিকে নিয়ে যাবে, এ ধারণাও কার্যত শেষ হয়ে গেছে।






«
Next
Newer Post
»
Previous
Older Post

No comments:

Leave a Reply