Sponsor



Slider

বিশ্ব

জাতীয়

সাম্প্রতিক খবর


খেলাধুলা

বিনোদন

ফিচার

mujib

w

যাবতীয় খবর

জিওগ্রাফিক্যাল

ফেসবুকে মুজিবনগর খবর

» » » » লাখ টাকা বিল উত্তোলন পরিকল্পনা মেহেরপুর অফিসের গাড়িটি অকেজো হয়ে গ্যারেজে পড়ে আছে




সরকারি গাড়ি— হাতি মরলেও লাখ টাকা অবস্থা মেহেরপুর জেলা পরিবার পরিকল্পনা অফিসের দামি জিপ গাড়ি ব্যাক্তিগত কাজে ব্যবহার করতে গিয়ে গাছের সঙ্গে ধাক্কা লেগে গাড়িটি অকেজো হয়ে পড়লেও সেই গাড়ির নতুন চাকা, প্রতিদিনের জ্বালানীসহ রক্ষাবেক্ষণ বিল লাখ টাকা। হাতি মরলেও লাখ টাকা প্রবাদ সত্য হয়ে দাঁড়িয়েছে জেলা পরিবার পরিকল্পনা অফিসের ডিষ্ট্রিক কনসালটেন্ট কর্মকর্তার ব্যবহৃত এই সরকারি গাড়িটি ঘিরে।

গাড়িটি অকেজো হয়ে ৫ মাস ধরে গ্যারেজে পড়ে আছে অথচ- সেই গাড়ি সচল দেখিয়ে প্রতিমাসে লাখ টাকা বিল উত্তোলন করা হচ্ছে। প্রশ্ন করা হলে অভিযুক্ত কর্মকর্তা বললেন, মেইনটেনেন্স না করলে গাড়িটি আরও খারাপ হয়ে যাবে। তাই কিছু ব্যয় হয়। মেহেরপুর জেলা পরিবার পরিকল্পনা অফিসের ডিষ্ট্রিক কনসালটেন্ট কর্মকর্তা ডা. রফিকুল আলম ১৪ বছর ধরে মেহেরপুরে কর্মরত। জেলার ক্লিনিক এবং স্বাস্থ্যসেবার মান উন্নয়নসহ জেলার ক্লিনিক এবং স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রগুলো পরিদর্শন ও মানদণ্ড যাচাইবাছাই করা এই কর্মকর্তার দায়িত্ব। এ জন্য সরকার একটি দামি জিপ গাড়ি বরাদ্দ দিয়েছেন এই কর্মকর্তার ব্যবহারের জন্য। ল্যান্ডফোর্ট মডেলের এই গাড়িটির নম্বর- মেহেরপুর-ঘ-১১-০০২১। কিন্তু সরকারি চালক না থাকায় বহিরাগত চালক দিয়েই তিনি সরকারি গাড়ি ব্যবহার করতেন। গাড়িটি ৩০ জুলাই রাত্রে চুয়াডাঙ্গায় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে প্রথমে একটি মোটরসাইকেলকে ধাক্কা দেয়। পরে একটি গাছের সাথে ধাক্কা লেগে রাস্তার পাশে জমির মধ্যে পড়ে যায়। দুর্ঘটনায় মোটরসাইকেলে থাকা চুয়াডাঙ্গা খাদ্য বিভাগের দুই কর্মকর্তা সাইদুর রহমান এবং নজরুল ইসলাম ঘটনাস্থলেই মারা যান। ঘটনার সময় নিয়ম ভঙ্গ করে গাড়ির পতাকা স্ট্যান্ডে জাতীয় পতাকা লাগানো ছিল এবং গাড়িটি সরকারি অনুমতি ব্যাতিত জেলার বাইরে গিয়েছিল। দুর্ঘটনার পর নিহতদের পরিবার চুয়াডাঙ্গা থানায় মামলা করলে পুলিশ চালককে আটক করে। তখন গাড়িটি উদ্ধার করে অফিসের গ্যারেজে রাখা হয়। এখন সেই গাড়ি পরিত্যাক্ত অবস্থায় গ্যারেজে পড়ে থাকলেও গাড়ির পেছনে প্রতিমাসে হাজার হাজার টাকা ব্যয় দেখানো হচ্ছে। চালক আব্দুস সালাম সবুজ বলেন, স্যার অফিসের কাজের বাইরে সারাদিন ব্যাক্তিগত কাজে গাড়িটি ব্যবহার করতো। ছুটি চাইলে ছুটি দিত না। গাড়ির পিছনে স্যার লাখ লাখ টাকা বিল তুলে নিজের পকেটে ভরতো কিন্তু গাড়ির পেছনে ব্যয় করতো না। ক্লিনিক ও স্বাস্থ্য সেবা কেন্দ্রেগুলো পরিদর্শন না করে গাড়ির জ্বালানী তেল ব্যয় দেখিয়ে ভুয়া বিল তুলে নিতেন। গাড়ির সবকটি চাকা চলাচলের অনুপোযুক্ত বলা হয়েছিল। তারপরও সেই চাকা নিয়ে ঝুঁকিতে গাড়িটি চালানো হতো। ঘটনার দিন স্যারকে বলি এমন গাড়ি নিয়ে জেলার বাইরে যাওয়া ঠিক হবে না। তারপরও স্যার গাড়িটি নিজের আত্মীয়দের বহনের জন্য চুয়াডাঙ্গা রেলস্টেশনে যেতে নির্দেশ দিলে আমি গাড়িটি চুয়াডাঙ্গা নিয়ে যাই। পথিমধ্যে গাড়ির চাকা ফেটে নষ্ট হলে গাড়িটি দুর্ঘনার শিকার হয়। আমি জেলে যায়। এখন স্যার নির্দোষ। আমি অপরাধী। প্রশ্ন করা হলে মেহেরপুর জেলা পরিবার পরিকল্পনা অফিসের ডিষ্ট্রিক কনসালটেন্ট কর্মকর্তা ডা. মো. রফিকুল আলম বলেন, সরকারি ডিউটিতে নয়, অন্য কাজে ওইদিন রাত্রে গাড়িটি চুয়াডাঙ্গায় গিয়ে দুর্ঘটনায় পড়ে। দুজন জন মারা যায়। সরকারি চালক না থাকায় তখন বহিরাগত চালক ছিল। দুর্ঘটনার দায়ে চালক জেলে ছিল। পরে গাড়িটি নষ্ট অবস্থায় গ্যারেজে রাখা আছে। গাড়িটি সচল করতে কয়েক লাখ টাকা লাগবে। বরাদ্দ প্রাপ্তির জন্য মন্ত্রণালয়ে চিঠি পাঠানো হয়েছে। অকেজো গাড়িতে চাকা লাগানো এবং জ্বালানী বাবদ লাখ টাকার বিল উত্তোলন প্রসঙ্গে প্রশ্ন করলে তিনি এ ব্যাপারে কিছু বলতে অপরাগতা প্রকাশ করে কিছুটা উত্তেজিত হয়ে পড়ে।






«
Next
Newer Post
»
Previous
Older Post

No comments:

Leave a Reply