Sponsor



Slider

বিশ্ব

জাতীয়

সাম্প্রতিক খবর


খেলাধুলা

বিনোদন

ফিচার

mujib

w

যাবতীয় খবর

জিওগ্রাফিক্যাল

ফেসবুকে মুজিবনগর খবর

» » » » » শত শত গোলা নিক্ষেপ, দুই কোরিয়ার মধ্যে যুদ্ধের শঙ্কা!




সাম্প্রতিক মাসগুলোতে উত্তর কোরিয়া ও দক্ষিণ কোরিয়ার মধ্যে উত্তেজনা বেড়েছে। এই সময়ের মধ্যে বেশ কয়েকটি ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা চালিয়েছে পিয়ংইয়ং। অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে হাত মিলিয়ে সামরিক মহড়াসহ বেশ কিছু পাল্টা পদক্ষেপ নিয়েছে সিউল। এবার দক্ষিণ কোরিয়ার দুটি দ্বীপে শত শত কামানের গোলা নিক্ষেপ করেছে কিম বাহিনী। বিশ্লেষকদের আশঙ্কা, এমন পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে যে কোনো সময় যুদ্ধ বেধে যেতে পারে দুই কোরিয়ার মধ্যে। দক্ষিণ কোরিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, শুক্রবার (৫ জানুয়ারি) তাদের দুটি দ্বীপের কাছে ২০০টির বেশি কামানের গোলা নিক্ষেপ করেছে উত্তর কোরিয়া। এ ঘটনার পর ওই দ্বীপের বেসামরিক নাগরিকদের সরিয়ে নেয়ার নির্দেশ দিয়েছে সিউল। বার্তা সংস্থা এএফপির বরাত দিয়ে শুক্রবার (৫ জানুয়ারি) এ তথ্য জানিয়েছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি। দক্ষিণ কোরিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা বলেন, শুক্রবার স্থানীয় সময় সকাল ৯টা থেকে ১১টা পর্যন্ত বাইংনিয়ং দ্বীপের উত্তর অংশে জাংসান-গট ও ইয়েওনপিয়ংয়ের উত্তর অংশে ২০০টির বেশি কামানের গোলা নিক্ষেপ করেছে উত্তর কোরিয়া। আরও পড়ুন: ইউক্রেন যুদ্ধ: রাশিয়ার হাতে উত্তর কোরিয়ার ক্ষেপণাস্ত্র স্থানীয় কর্মকর্তারা এএফপিকে জানিয়েছেন, গোলা নিক্ষেপের পর বেসামরিক নাগরিকদের ওই এলাকা থেকে সরে যাওয়ার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। দক্ষিণ কোরিয়ার ইয়েওনপিয়ং দ্বীপটি পীত সাগরে অবস্থিত। এটি ইঞ্চিওনের প্রায় ৮০ কিলোমিটার পশ্চিমে এবং উত্তর কোরিয়ার হোয়াংহে প্রদেশের উপকূলরেখা থেকে ১২ কিলোমিটার দক্ষিণে অবস্থিত। বাইনিয়ং দ্বীপের কর্তৃপক্ষও সেখান থেকে বেসামরিক নাগরিকদের নিরাপদ স্থানে সরে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছে। বাইংনিয়ং দ্বীপের একজন সরকারি কর্মকর্তা বলেন, ‘আমরা এই মুহূর্তে বেসামরিক নাগরিকেদের সরিয়ে নেয়ার ঘোষণা দিচ্ছি। দক্ষিণ কোরিয়ার সামরিক বাহিনী শিগগিরই একটি নৌ মহড়া পরিচালনা করবে।’ আরও পড়ুন: ২০২৪ সালে কী করবেন, জানালেন কিম সম্প্রতি উত্তর কোরিয়ার ক্ষমতাসীন ওয়ার্কার্স পার্টির এক সভায় দেশটির সর্বোচ্চ নেতা কিম জং উন বলেন, আমাদের ওপর হামলার জন্য শত্রুদের বেপরোয়া পদক্ষেপের কারণে কোরীয় উপদ্বীপে যে কোনো সময় যুদ্ধ শুরু হতে পারে। দক্ষিণ কোরিয়ার সমগ্র ভূখণ্ডকে শান্ত করে দিতে সামরিক বাহিনীকে প্রস্তুত থাকার নির্দেশ দেন তিনি। এমনকি হামলার জবাবে পারমাণবিক বোমাসহ প্রস্তুতি নিয়ে রাখার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি। কিম বলেন, ‘যদি আমরা শত্রু বাহিনীর আক্রমণাত্মক সামরিক কর্মকাণ্ডের দিকে ঘনিষ্ঠভাবে নজর দেই, তাহলে দেখতে পাব যুদ্ধ শব্দটা একটি বাস্তবতায় পরিণত হয়েছে। এটা আর কোনো বিমূর্ত ধারণা নয়।’






«
Next
Newer Post
»
Previous
Older Post

No comments:

Leave a Reply